রাজধানীতে প্রতারক চক্রের তিন সদস্য গ্রেপ্তার


  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৮ মে ২০২৩, ১৮:২১

রাজধানীতে প্রতারক চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার ক‌রে‌ছে পু‌লিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো. ফজলে রাব্বি (২০), মো. রাজন আলী (২২) ও রন্জু আহম্মেদ (২২)।

শ‌নিবার নাটোরের লালপুর এবং রাজশাহী জেলার বাঘা থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ।

মিরপুর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মোহসীন ব‌লেন, ‌গ্রেপ্তারকৃতরা অভিনব সব উপায়ে মানুষের সাথে প্রতারণা করতেন। সাহায্যের নামে বিপদে ফেলে টাকা হাতিয়ে নেন ইমো রাজন!

তার নাম রাজন। কিন্তু এলাকাবাসীর কাছে পরিচিত ইমো রাজন নামে। তিনি অভিনব উপায়ে ইমোর মাধ্যমে মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেন। তিনি বিভিন্ন নামে ইমোতে অনেকগুলো গ্রুপ খুলেন। ইমো সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের জন্যই এসব গ্রুপ খুলেন তিনি।

এই গ্রুপে যুক্ত হওয়ার পর তাকে টার্গেট করা হয়। এরপর বিভিন্ন উপায়ে বিভিন্ন নাম্বার থেকে তার ইমোতে বিপুল পরিমাণ স্টিকার ম্যাসেজ পাঠানো। এত বিপুল পরিমাণ ম্যাসেজ আসার এক পর্যায়ে ওই নাম্বার হ্যাং হয়ে যায়। তখন ওই ব্যক্তি গ্রুপে সহযোগিতা চান। তখন রাজন ওই ব্যক্তির সাথে কথা বলে এই 'সমস্যা' সমাধানের জন্য তার আইডিতে ঢোকার এক্সেস চান।

এক্ষেত্রে গ্রাহকের কাছে একটি ওটিপি যায়, ওই ওটিপির মাধ্যমে অন্যরাও এক্সেস পায়। ইমোতে ঢুকে রাজন সেই ইমোর সব ম্যাসেজ পড়ে নেন এবং তার আত্মীয় স্বজন সম্পর্কে তথ্য নেন। এরপর তার আত্মীয়ের কাছে 'আমি বিপদে পরেছি, টাকা পাঠান' 'মা অসুস্থ, টাকা পাঠান' এ জাতীয় ম্যাসেজ পাঠিয়ে ৫ হাজার, ১০ হাজার, ১৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। তার এমন বিভিন্ন গ্রুপ আছে। তার মধ্যে রাজন স্টোরি, রাজন সলিউশন উল্লেখযোগ্য।

পেশায় মুদি দোকানদার রনজু আহম্মেদ। কিন্তু তিনি করেন বিকাশ প্রতারক! দোকানে বসেই বিকাশ কর্মকর্তা সেজে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেন তিনি।

সাধারণত সড়কের পাশে যারা সিম বিক্রি করেন তাদের কেউ কেউ বিভিন্ন অসদুপায় অবলম্বন করে মানুষের কাছ থেকে একাধিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট গ্রহণ করেন। পরে সেই ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে আরও সিম ইস্যু করেন। সেসব সিম উচ্চমূল্যে বিভিন্ন প্রতারক চক্রের কাছে বিক্রি করেন রাব্বি। সাধারণত সিমের দামের তুলনায় এগুলোর মূল্য ৪/৫ গুণ বেশি। এসব সিম দিয়েই প্রতারকরা বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ কর‌তেন।

মানবকণ্ঠ/এসআরএস


poisha bazar