শত চেষ্টা করেও মেয়েদের দেখা পাচ্ছে না অসহায় বাবা


  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১৬ মে ২০২২, ১২:৩৬

আদালতের আপিল বিভাগের চূড়ান্ত রায়ের সত্যায়িত অনুলিপি মাফিক বাবা ইমরান শরিফের পুর্নাঙ্গ ভিজিটেশন বা সাক্ষাৎকারের কথা লেখা থাকা সত্ত্বেও জাপানি নাগরিক মা এরিকো নাকানো সন্তানদের সঙ্গে বাবাকে একেবারেই দেখা করতে দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন তাদের পিতা ইমরান শরিফ। বিগত ১২ এপ্রিল আদালত এই রায় দেয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত নিজ সন্তানদের সঙ্গে দেখা হয়নি বলে জানান তিনি।

গত বছর ২১ নভেম্বর বাংলাদেশে হাইকোর্ট দুই সন্তানকে ইমরান শরীফের কাছে রাখার আদেশ প্রদান করেন এবং প্রতিবছর তিনবার এবং প্রতিবার দশদিন বাংলাদেশে এরিকোকে সন্তানদের সাথে একান্ত সময় কাটাতে দেয়া হবে। সন্তানদের মায়ের বছরে তিনবার বাংলাদেশে যাওয়া আসা ও দশদিন থাকার খরচ ইত্যাদি শরীফ ইমরানকে বহনের নির্দেশ দেয়া হয়। এ ছাড়া অন্য খরচ জাপানি নারী নিজেই বহন করবেন মর্মে রায়ে বলা হয়। মাসে দুইবার সন্তানদের সাথে ভিডিওকলে মাকে কথা বলিয়ে দিতে হবে মর্মেও রায়ে বলা হয়।

গত ১৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের খোলা আদালতের রায়ে বলা হয় যে, ঢাকার পারিবারিক আদালতে করা মামলাটি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সন্তানরা মায়ের কাছে থাকবে, বাবার সন্তানদের সাথে দেখা করার অধিকার থাকবে এবং আদালতের অনুমতি ছাড়া সন্তানরা বাংলাদেশ ত্যাগ করতে পারবে না।

এরিকো নাকানো এবং ইমরান শরিফ জাপানে তিন কন্যাসন্তান নিয়ে বসবাস করতেন। তবে গত বছরের ২১ জানুয়ারি এরিকো নাকানো তার স্বামী ইমরানকে তৃতীয় লিগ্যাল নোটিশ দিয়ে ঘর থেকে বের করে দেন। প্রথম নোটিশটা পাওয়ার পরে বড় মেয়ে জাসমিনকে (১২) ডেকে বাবা ইমরান ঘটনাটা খুলে বলেছিলেন যে মা এরিকো ও এরিকোর বাবা কাজুও এর মালিকানার নামের এই ফ্ল্যাটটির ব্যাংকের আকাশচুম্বী কিস্তি লোণের মাসিক ৪ (চার) লাখ টাকা বাবাকেই দিতে হয় এবং বাবা আর সেই মাসিক লোণ দিতে পারবেন না। এই কিস্তি লোণ বাবার নামেও না। তবে এরিকো এবং কাজুও এর ব্যাংকের লোণের টাকা না দেয়ার জন্য, তারা বাবাকে ঘর থেকে বের করে দিচ্ছে। প্রথম নোটিশ পাওয়ার পরে বড় মেয়েকে তা বললে মেয়েটি খুব কেঁদেছিল। ইমরানের ভাষ্যমতে, বড় মেয়ের ভয় ছিলো যে, বাবার সঙ্গে যদি আর দেখা না হয়। মাসখানেক পর, তৃতীয় লিগ্যাল নোটিশটি বাবা মেয়েকে দেখালে বড় মেয়ের মন পুরোপুরি শক্ত হয়ে যায়। সে বদ্ধপরিকর হয় যে সে বাবার সঙ্গেই থাকবে।

মাসের-পর-মাস এবং বছরের-পর-বছর বাবাই সন্তানদেরকে স্কুল বাস পর্যন্ত নিয়ে যেতেন এবং স্কুল বাস থেকে বাসায় ফিরিয়ে নিয়ে আসতেন। ইমরানকে এরিকো ঘর থেকে বের করার সর্বশেষ লিগ্যাল নোটিশ দেয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইমরানের শাশুড়ি দরজায় এসে হাজির। শাশুড়ি শুধু পাঁচটি শব্দ বলেন, 'চাবি দাও, বের হয়ে যাও।'

ইমরান জানান, এমন অবস্থায় তাড়াহুড়ো করে, এই কোভিড মহামারির মধ্যে যখন কোন টিকাই আবিষ্কার হয়নি তার মধ্যে, দুটো বড় কালো ময়লার ব্যাগে নিজের কিছু কাপড়চোপড় গুটিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে যান। ট্যাক্সিতে করে কাছেরই নতুন ফ্লাটে উঠলেন। সেই ফ্ল্যাটেই বড় মেয়ে জেসমিন (১২) এবং মেজ মেয়ে লাইলা (১০) বাবার সঙ্গে পুরো একমাস থাকেন।

ইমরান টোকিওর নতুন ফ্ল্যাটে উঠার সঙ্গে সঙ্গে এরিকোর সাথে যোগাযোগ করলেন। এরিকো প্রচণ্ড রেগে গিয়ে নিজেই টোকিওর থানায় গেলেন এবং পুলিশ ও সমাজকল্যাণ কর্মকর্তাদেরকে ইমরানের ফ্ল্যাটে পাঠালেন। কর্মকর্তারা সন্তান এবং বাবার সঙ্গে দুই ঘণ্টা ধরে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিলেন যে সন্তানরা বাবার সাথে খুশি এবং নিরাপদেই আছে। ব্যাপারটি ফৌজদারি না হওয়ায় পুলিশের আর কিছু করার নেই। যাওয়ার আগে পুলিশ ইমরানকে তিনটি উপদেশ দিলেন। প্রথমটি হলো, এরিকোর সাথে ইমরান যেন কোনোভাবেই একা আর দেখা না করেন, কেন না এরিকো যেরকম মারমুখী হয়ে আছেন তা দেখে পুলিশের অভিজ্ঞতায় এই অবস্থাতে মায়েরা বাবার বিরুদ্ধে সহিংসতার ভণ্ড মামলা করে বসেন। দ্বিতীয়টি হলো, জাপানের আইনে পুলিশ এরিকোকে বাবার ঠিকানা জানাতে পারবেন না। তাই সন্তানদের সঙ্গে ভিডিও ইত্যাদিতে এরিকোর যোগাযোগ হলে সন্তানেরা যেন বর্তমানের ঠিকানা না বলে দেয়। তৃতীয়টি হলো, এরিকো এখনো পুলিশ স্টেশনে বসে প্রচণ্ড চিল্লাচিল্লি করছেন, তাই আরো দুই ঘণ্টা ফ্ল্যাট থেকে বের না হতে।

বড় দুই মেয়েকে ট্যাক্সিতে করে নতুন ফ্ল্যাটে নিয়ে আসার সময় ছোট মেয়ে সোনিয়া (৭) বাইরে দাঁড়িয়ে ভীষণ কাঁদছিল। তাদের বাবা ইমরানও কাঁদছিলেন বলে জানান। তবে ছোট মেয়েকে বাবা বারেবারে অনুরোধ করে বলেন, মা তাকে খুবই ভালোবাসে এবং সেও চলে আসলে মা খুবই দুঃখ পাবেন। ছোট মেয়েটি কাঁদতে কাঁদতে স্কুল বাসে উঠে ফিরে যায়। ট্যাক্সিটা নতুন ফ্ল্যাটের দিকে যাওয়ার সময় ইমরানের বুক ভেঙ্গে যাচ্ছিল বলে জানায়। তবে ইমরান নিজেকে এই বলে সান্ত্বনা দেয় যে, ছোট মেয়েটি মায়ের সঙ্গে ভালো থাকবে এবং তার ছোট মেয়ের সঙ্গে তার অবশ্যই ঘন ঘন দেখাও হবে। ইমরান সেদিন জানতেন না যে জাপানের পারিবারিক আইন ৮৬১ ধারার আওতায় তিনি তার মেয়েকে আর কখনো না-ও দেখতে পারেন।

জাপানি পারিবারিক আইন ৮৬১ ধারা মাফিক, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনমালিন্য হয়ে সেপারেশন, অর্থাৎ স্বামী-স্ত্রী ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় থাকলে যে সন্তান বাবার সাথে থাকবে না সে সন্তানের সাথে আজীবন আর দেখা নাও হতে পারে। ৮৬১ ধারাতে সন্তানের সঙ্গে বাবার শারীরিক এবং আইনি বিচ্ছেদ হতে হবে। বিচ্ছেদের পরে, যেহেতু জাপানে সন্তানের সাথে ভিজিটেশন বা সাক্ষাতের আইনি কোন উপায় নেই, তাই বাবার সঙ্গে সন্তানের আজীবন আর দেখা হয় না। জাপানি রীতি-নীতিতে বিচ্ছেদের পরে মা যেন আবার বিবাহ করতে পারেন, তার অনুপ্রেরণা দেয়া হয়। সেই নতুন বাবাই সন্তানের বাবা হন এবং সন্তানের আসল বাবাকে সন্তানের জীবন থেকে পুরোপুরি মুছে দেয়া হয়। এটাই জাপানের বিবাহ বিচ্ছেদের কাহিনী ও রীতিনীতি। জাপানে এভাবে প্রতিবছর হাজার হাজার সন্তানেরা তাদের বাবাকে এবং কদাচিৎ মাকে, হারিয়ে ফেলে।

বিগত ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে বাবা ইমরানের আইনজীবী তিনটি প্রস্তাব দেয়া স্বত্বেও এরিকোর আইনজীবী প্রস্তাবগুলোর বিশদ বিবরণকে উপেক্ষা করে নিজে থেকে কিছু প্রস্তাব করেছেন যা কোনভাবেই বাস্তবিক না বলে ইমরানের আইনজীবীরা জানান। ইমরানের আইনজীবী মুশতাক আহমেদ বলেন, 'যখন আমরা দেখা সাক্ষাতের বিষয়ে আলাপ করতে বসি তখন কৌসুলি শিশির মনির এমন সব শর্ত জুড়ে দেন, যে আর আলোচনা অগ্রসর করা সম্ভব হয় না এবং মায়ের দিক থেকে নানাভাবে গড়িমসি করতে থাকে। ফলে সন্তানদের সঙ্গে বাবার সাক্ষাতের সুযোগ হয়ে উঠে না।'

সন্তানদের স্কুলে যাওয়া আসা নিয়ে বাবা ইমরান ভীষণ দুশ্চিন্তায় রয়েছেন বলে জানান। কেননা এরিকো একটি অচেনা গাড়ি ভাড়া করেছেন যার ড্রাইভার সম্পূর্ণ অপরিচিত মর্মে ইমরানের অপর আইনজীবী কামাল হোসেন মন্তব্য করেছেন। কৌসুলি কামাল হোসেন আরও বলেন, 'এই গাড়িটির মালিকানা কার, তাও কেউ জানেন না। তাই এই অবস্থায় কোন বাবাই দুই কিশোরী কন্যাকে অপরিচিত গাড়িতে উঠতে ভরসা করতে পারবেন না এবং রাজি হবেন না।'

কৌসুলি কামাল হোসেন আরো জানান, 'আমাদের দেশের নিরাপত্তার রীতিনীতি বিদেশি হিসাবে এরিকোর পক্ষে রপ্ত করা সম্ভব নয়। তাই বাবা স্কুলে যাওয়া-আসাটুকু নিজের গাড়িতে নেয়ার আকুল আবেদন করলেও এরিকো তা প্রত্যাখ্যান করেন। তাই এরিকোর ভাড়া করা ট্যাক্সি গাড়িকে সামনে রেখে, কন্যা সন্তানদের নিরাপত্তার জন্য বাবা ইমরান নিজের গাড়িতে স্কুল পর্যন্ত এসকর্ট হিসাবে পিছনে যাওয়া-আসা করা ছাড়া উপায় নেই।'

লম্বা ঈদের ছুটিতেও এরিকো সন্তানদেরকে বাবার সঙ্গে একেবারেই দেখা করতে দেননি। এমনকি সন্তানদেরকে এরিকোর ফ্ল্যাট থেকে একেবারে বাইরেই যেতে দেননি বলে জানা গেছে। সন্তানদের জন্য বাবা ইমরান ঈদের দিনে ঘরে বানানো খাবার নিয়ে গেলে, ফ্ল্যাটের গেট থেকে দারওয়ান বাবার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে এবং খাবার না নিয়েই বাবাকে বিদায় করে দেয়।

আপিল বিভাগের চূড়ান্ত রায়ের ভিত্তিতে সুবিধাজনক সম্মতীর সময়, স্থান এবং সময়কালে ইমরান শরিফের সন্তানদের সঙ্গে দেখা করার অধিকার আছে বলে লেখা আছে। তা সত্যেও এরিকো বাবা ইমরানকে সন্তানদের সঙ্গে বিগত ৩ মাস ধরে একবারও দেখা করতে দিচ্ছেন না এবং দেখা করার অনুরোধ করলেই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছেন এবং বলছেন, 'আমার আইনজীবীর সঙ্গে কথা বল'। সর্বশেষ চেষ্টা হিসাবে কৌসুলি কামাল হোসেন এরিকোর কৌসুলি শিশির মনিরকে বিগত ১১ মে ও ১২ মে দশবারের বেশী ই-মেইলে যোগাযোগ করেছেন। কৌসুলি শিশির মনিরের কাছে থেকে সর্বশেষে কোন উত্তর আসেনি বলে কৌসুলি কামাল হোসেন জানান।

এদিকে সন্তানরা বাবার সঙ্গে দেখা করার কথা মা এরিকোকে অনুরোধ করলে, এরিকো সন্তানদের সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করছেন। প্রকাশ্য দিনের বেলায় স্কুলের সামনেই সন্তানরা বাবার গাড়িতে নিজের সিদ্ধান্তে উঠে গেলে, এরিকো সন্তানদের গালিগালাজ ও মারপিট করেন। বিগত ৩ মাস ধরে এইভাবেই সন্তানরা অসহায় অবস্থায় আছে। গত বছর ২১ নভেম্বর হাইকোর্টের রায়ে বাবা ইমরান হেফাজতি পাওয়ার কারণ দুটো ছিল বলে মনে করা হয়। একটি হলো প্রতি মাসে একবার করে তৎকালীন বিচারপতি এনায়েতুর রহমান ও বিচারপতি মুস্তাফিজুর রহমান সন্তানদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। এ সময় সন্তানরা বিচারপতিগণকে জানান, তারা বাংলাদেশ থাকতে চায়, বাবার সাথেই থাকতে চায় এবং তারা কোনোভাবেই জাপানের ফিরে যেতে চায় না।

আরেকটি কারণ হলো, সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের রিপোর্টগুলোতে প্রকাশ পেয়েছিল যে এরিকোর 'মেজাজ, ধৈর্য এবং মেয়েদের পালস্‌ বুঝে চলার ক্ষেত্রে যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে' এবং 'ইমরনা শরিফের প্রতি মেয়েরা অনেকাংশেই নির্ভরশীল। বাবাই তাদের বন্ধু, সহযোগী ও সকল আস্থার জায়গা দখল করে আছে।'

তবে এরিকো যে সহিংসতা দিয়ে সন্তানদেরকে নিয়ন্ত্রণ করেন তার প্রত্যক্ষ প্রমাণ সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের সর্বশেষ রিপোর্ট থেকে পাওয়া যায়, 'গত বছর ২৬ অক্টোবর বাবার সঙ্গে বাহিরে কফি হাউজে যাওয়ার কারণে মা দুই মেয়ের উপর প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত হন এবং বিকাল ৫ ঘটিকার সময় বাবা ইমরান শরিফ কোর্টের আদেশ মাফিক বাসা থেকে বেরিয়ে গেলে মা এরিকো নাকানো দুই মেয়েকে উক্ত ঘটনার কারণে মানসিকভাবে নির্যাতন করেন এবং একপর্যায়ে নির্যাতন থামাতে পুলিশি হস্তক্ষেপের প্রয়োজন হয়।'

ইমরান শরিফের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, এরিকো নাকানো আমেরিকার ইউনিভারসিটি অফ পেন্সিলভেনিয়া (University of Pennsylvania) নামে বিখ্যাত শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসাবিদ্যায় পাস করেছেন বলে এরিকো ইমরানের পরিবারকে জানান। তবে বিয়ে এবং দ্বিতীয় কন্যার জন্মের পরে ইমরানের পরিচয়ে সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ক্যান্সার সেন্টারে এরিকো চাকরির ইন্টার্ভিউ দিতে গেলে সেখানে স্বীকার করেন যে, তিনি আমেরিকা থেকে পাস করেননি এবং তিনি আমেরিকাতে সর্বমোট মাত্র দুই বছর ছিলেন। তিনি জাপানের একটি মফস্বলের মেডিকেল কলেজ থেকে ডাক্তারি পাস করেছেন যা বাংলাদেশের গাজীপুর বা নারায়ণগঞ্জের সঙ্গে তুলনা করা যায়।

১২ এপ্রিলের লিখিত পুর্নাঙ্গ রায়ে আপিল বিভাগ আরও বলেন, 'এটি পরিষ্কার করা হলো যে আমাদের দ্বারা যে পর্যবেক্ষণগুলো করা হয়েছে তা শুধুমাত্র (হাইকোর্টের) হেবিয়াস কর্পাস (মামলা) এর আবেদনে বিবেচনার জন্য সংক্ষিপ্ত তদন্তের উদ্দেশ্যে এবং পারিবারিক আদালতে বিচারাধীন হেফাজতের কার্যধারায় (এটি) উভয় পক্ষের কোন সহায়তায় আসবে না, যা প্রকৃতপক্ষে নিজের (হেফাজতের কার্যধারার) যোগ্যতার উপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।'

পুর্নাঙ্গ রায়ে আরো বলা হয় যে, 'সর্বোচ্চ বিবেচনা হলো অপ্রাপ্তবয়স্কদের কল্যাণ (WELFARE) এবং এই বা সেই নির্দিষ্ট পক্ষের আইনি অধিকার নয়।' আপিল বিভাগ বাবা ইমরানের বিরুদ্ধে জাপানি নারী এরিকোর দায়ের করা আদালত অবমামনার মামলাও খারিজ করে দেন।


poisha bazar