ডিএসসিসি'র অবৈধ ক্যাবল সংযোগ উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু

ডিএসসিসি'র অবৈধ ক্যাবল সংযোগ উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু
- ছবি: প্রতিবেদক

poisha bazar

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ০৫ আগস্ট ২০২০, ২০:২০,  আপডেট: ০৫ আগস্ট ২০২০, ২০:২৭

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কর্পোরেশনের আওতাধীন এলাকায় অবৈধ ক্যাবল সংযোগ উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করেছে।

কার্যক্রম শুরুর প্রথম দিনে আজ বুধবার ধানমন্ডির মিরপুর রোডের সিটি কলেজ থেকে ল্যাবএইড হসপিটাল ও জিগাতলা বাস স্ট্যান্ডের আশপাশের এলাকায় এবং নগর ভবনের চারপাশে এই উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। কার্যক্রমের প্রথম দিনে কর্পোরেশনের সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মুনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে আজ দুপুর ১২টা হতে ধানমন্ডির ২ থেকে ৪ নম্বর রোড ও জিগাতলা এলাকায় এবং সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইরফান উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে সকাল ১০.৩০টায় বঙ্গ বাজার ট্রাফিক সিগন্যাল হতে নগর ভবন হয়ে গুলিস্তান ও ফুলবাড়িয়া মার্কেট এলাকায় এই উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করে। সন্ধ্যা পৌনে ৫টায় উভয় ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রথম দিনের কার্যক্রম শেষ করে।

ধানমন্ডি এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেওয়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মুনিরুজ্জামান চলমান এই অবৈধ কার্যক্রম সম্পর্কে জানিয়ে বলেন, ডিএসসিসি'র মেয়রের নির্দেশনার আলোকে ও 'কেবল টেলিভিশন পরিচালনা আইন,২০০৬' মোতাবেক ডিএসসিসি এলাকায় অবৈধ ক্যাবল সংযোগের বিরুদ্ধে আমাদের কার্যক্রম চলমান থাকবে।

এ সময় মোঃ মুনিরুজ্জামান আরও জানান, আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১.৩০টায় জিগাতলা হতে আমরা পরবর্তী দিনের কার্যক্রম শুরু করব।

কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইরফান উদ্দিন আহমেদ জানান, আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০.৩০টায় ফুলবাড়িয়া মার্কেট থেকে পরবর্তী দিনের কার্যক্রম শুরু করে পার্শ্ববর্তী বঙ্গ বাজার, আনন্দবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হবে।

উল্লেখ্য যে, কেব‌ল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন, ২০০৬ এর ২৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী - সেবাপ্রদানকারী কেব‌ল‌ সংযোগের কাজে কোন সরকারী, আধা-সরকারী বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার স্থানীয় কার্যালয়ের লিখিত অনুমোদন ব্যাতিত কোন স্থাপনা ব্যবহার বা সুবিধা গ্রহণ করিতে পারিবে না৷

আইনের উপ-ধারা ২৮ (২) অনুসারে, যদি কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক ১(এক) লক্ষ টাকা কিন্তু অন্যুন ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং অপরাধ পূনরাবৃত্তির ক্ষেত্রে তিনি অনধিক ৩ (তিন) সশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক ২ (দুই) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷

মানবকণ্ঠ/আরএস

 





ads







Loading...