শারীরিক সম্পর্কের লোভ দেখিয়ে বাসায় ডেকে এনে খুন!


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১৩ জুলাই ২০২০, ১৭:৫৭

শান্তার বাড়িতে বেড়াতে এসে অনৈতিক কাজের প্রস্তাব দেয় সাইফুল। বাধা পেয়ে শান্তাকে ছুরিকাঘাত করে সাইফুল। কেটে যায় শান্তার পা। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে মদ্যপ সাইফুল নিজের ছুরির আঘাতেই মারা যান। রাজধানীর ভাটারা এলাকায় সাইফুল হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেফতার এক দম্পতির বর্ণনা ছিল এমন। তবে পুলিশি তদন্তে বেরিয়ে এসেছে পুরোপুরি ভিন্ন চিত্র। তদন্তে জানা গেছে, নারীর লোভ দেখিয়ে বাসায় ডেকে এনে টাকা আদায় করাই ছিল এই দম্পতির পেশা। টাকা আদায় নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে খুন করা হয় সাইফুলকে।

সম্প্রতি রাজধানীর ভাটারা এলাকার একটি বাসা থেকে ব্যবসায়ী সাইফুলের লাশ উদ্ধার হয়। ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিল বাসার তরুণ ভাড়াটিয়া দম্পতি। রহস্য উদঘাটনে মাঠে নামে গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতার হয় আপেল-শান্তা দম্পতি। পরে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সব স্বীকার করেন তারা। শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দিয়ে সাইফুলকে ডাকা হয় বাসায়। কিন্তু বাসায় আসার পর সাইফুলের জামা কাপড় খুলে নেন আপেল ও তার বন্ধুরা। দাবি করা হয়, মোটা অংকের টাকা। সাইফুল চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করলে ছুরিকাঘাত করে আপেল। সেই আঘাতের একটি এসে লাগে শান্তার পায়ে।

শান্তা বলেন, আমাকে শারীরিক সম্পর্ক করার কথা বলে ফোন দিতে বললে, আমি সাইফুলকে ফোন দেই।

গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, ঘটনার পরদিন সকালে বাসা থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় ৩০০ ফুট সড়ক এলাকায় একটি সেতুর নিচে ছুরিটি ফেলে যায় শান্তা। তার দেখানো মতে, উদ্ধার করা হয় ছুরিটি। শান্তার কললিস্ট পরীক্ষা করে দেখা যায়, ১৫ দিনে ৬ হাজার ফোন করেছে সে। এ থেকেই বোঝা যায় ফোন করে ব্ল্যাকমেইল করাই ছিল তাদের পেশা।

গোয়েন্দা বিভাগ উপ-কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, বিভিন্ন মানুষদের নেশা জাতীয় দ্রব্য খাইয়ে, টাকা পয়সা নিয়ে নিত।

এ ঘটনার জড়িত রাফি নামে আরো এক যুবককে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানায় গোয়েন্দা পুলিশ।

মানবকণ্ঠ/এসকে





ads






Loading...