ঘরবন্দি প্রবীণ নেতাদের দেশচিন্তা


poisha bazar

  • ছলিম উল্লাহ মেজবাহ ও সাইফুল ইসলাম
  • ১১ জুলাই ২০২০, ১৬:৪১

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সারা বিশ্বে প্রাণ হারানো মানুষদের বেশির ভাগই সিনিয়র সিটিজেন বা জ্যেষ্ঠ নাগরিক। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। দেশে ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশেষ করে সচ্ছল পরিবারের বয়োবৃদ্ধ সদস্যরা চলে গেছেন আইসোলেশন বা হোম কোয়ারেন্টাইনে।

তবে দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির প্রবীণ রাজনীতিকদের ব্যাপারটা একটু ভিন্ন। হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকলেও তাদের চিন্তায় সারাক্ষণ ঘুরে বেড়ায় দুটি বিষয়- দেশ ও মানুষ। বাসায় নামাজ পড়ে, পড়াশোনা-লেখালেখি করে আর সংবাদ দেখে সময় কাটে তাদের। তবে বাসায় থাকলেও প্রযুক্তির মাধ্যমে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেন। অতি প্রয়োজনে ছুটে যান তাদের পাশে।

প্রবীণ এই রাজনীতিকরা জানিয়েছেন, জীবনে অনেক কঠিন সময় এসেছে। তবে আগে কখনো এমন পরিস্থিতি দেখেননি, যেখানে মানুষে মানুষে দেখা-সাক্ষাৎ নেই। দেশের মানুষের সামনে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ। দেশবাসীর এই দুঃসময় ঘুম কেড়ে নিয়েছে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত দেশের রাজনীতির অতন্দ্র প্রহরীদের।

করোনাকালের দিনগুলো কিভাবে কাটছে, কী করছেন-এমন প্রশ্নে সব নেতাই জানিয়েছেন, ব্যস্ততার মধ্যে সময় পার করছেন। পত্রিকা পড়া, টিভি দেখা, পরিবারের সদস্যদের করোনা থেকে বাঁচতে সচেতন করা, বই লেখালেখির পাশাপাশি নিজ নিজ এলাকার সাধারণ মানুষের খোঁজ-খবর, দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ, করোনা আক্রান্ত নেতা-কর্মীদের খবরাখবর, অসহায় ও কর্মহীন মানুষদের মাঝে ত্রাণ পাঠানো, আত্মীয়স্বজনের খোঁজখবর নেয়াসহ করে সংকটে থাকা লোকজনকে করে যাচ্ছেন আর্থিক সহযোগিতা। বাদ যাচ্ছে না দলীয় নেতা-কর্মীরা। মানবকণ্ঠের সঙ্গে আলাপকালে এমনটাই জানিয়েছেন দুই দলের অন্যতম এই নীতিনির্ধারকরা। এ ছাড়া বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি পেতে দেশের সাধারণ মানুষসহ দলীয় নেতা-কর্মীদের জন্য নিয়মিত দোয়া করে যাচ্ছেন বলেও জানান তারা।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ: আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু। ৭৮ বছর বয়সের প্রবীণ এই রাজনীতিক অতি সম্প্রতি পেয়েছেন ১৪ দলীয় জোটের সমন্বয়কের দায়িত্ব। দিনের অনেকটা সময় তার পার হয় এই জোটে থাকা অন্য দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে মুঠোফোন আর ভিডিও করফারেন্সে।

মানবকণ্ঠের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘বাসায় আছি। তবে ঘরে বসেও সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর নিতে হয় ১৪ দলের অন্যরা কেমন আছেন। আমার নির্বাচনী এলাকার সর্বস্তরের মানুষ কেমন আছে। আমার এলাকায় তো ২০টির মতো ইউনিয়ন। সেখানকার মেম্বার-চেয়ারম্যানদের নিয়মিত ফোন করে খোঁজ নিতে হচ্ছে। সেখানকার মানুষের কোনো অসুবিধা হচ্ছে কি না তা জানতে হচ্ছে। যখন যা প্রয়োজন তা পাঠাতে হচ্ছে। এ ছাড়া নামাজ-কালাম, বই-পত্রিকা পড়া তো আছেই।’

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপির দিন কাটে ঢাকার বাসায়ই। তার ব্যক্তিগত সহকারীর মাধ্যমে জানা যায়, বিশেষ জরুরি কাজ না থাকলে বাসা থেকে বের হন না শেখ সেলিম। বাজেটের কারণে সংসদে গিয়েছিলেন। তবে এই করোনাকালে বাসায় বসেই এলাকার মানুষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছেন। কোথায় কী প্রয়োজন সবই দেখভাল করছেন ঢাকা থেকে। করোনায় মানুষের পাশে নেতা-কর্মীদের দাঁড়াতে তিনি বেশ কয়েকটি কর্মসূচিও পালন করেছেন। প্রতিদিন সকালের সময়টা তার কেটে যায় পত্র-পত্রিকা পড়ে। তারপর একটু বিশ্রাম নিয়ে দুপুরে ডাক্তারের মাধ্যমে নিয়মিত চেকআপ করান। বিকেল থেকে শুরু হয় দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ। এর পাশপাশি রাত পর্যন্ত চলে নিজ নির্বাচনী এলাকার মানুষের খোঁজ নেয়া।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘করোনাকালে সময়টা কাটছে মানুষের কথা ভেবে। তাদের পাশে কিভাবে থাকা যায় সে চেষ্টা করে যাচ্ছি। সরকার এ সময়টায় দেশবাসীকে সহায়তা করছে এবং আমরা নিজেরাও ব্যক্তিগতভাবে সহায়তা করছি। করোনার সময় আক্রান্তদের সুচিকিৎসার নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার। আমিও এলাকার মানুষের খোঁজ রাখছি। বেশির ভাগ সময় বাসায়ই থাকি। এখন আর আগের মতো বাইরে বের হই না।’

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু এমপি করোনাকালে ঢাকার বাসাতেই অবস্থান করছেন। ফজরের নামাজ দিয়ে দিন শুরু হয় তার। সকালটা কাটে পত্রিকা পড়ে। তারপর বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত ভার্চুয়াল আদালতের কাজে ব্যস্ত থাকেন। দুপুরে একটু বিশ্রাম নেন। বিকেলে বই পড়ে দিন কাটে তার।

তিনি বলেন, ‘দলীয় কাজ থাকলে বাসা থেকেই তা সম্পন্ন করি। বিশেষ কাজ না থাকলে বাসা থেকে বের হই না। এলাকার নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মোবাইল ফোনেই যোগাযোগ রাখছি। পুলিশ, প্রশাসক ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স করে অনেক প্রকল্প উদ্বোধন করেছি। বাজেটের কারণে সংসদেও গিয়েছিলাম।’

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘অন্যান্য দিনের মতোই প্রতিদিন ফজরের নামাজ দিয়ে দিন শুরু করি। তারপর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখাপড়া করি। পত্রিকা একটু চোখ বুলাই। এরপর জেলা কমিটি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলি। করোনার কারণে অনেক সময় পাই বই পড়ার। দুপুরে বিশ্রাম নিয়ে বিকালে নেত্রীর (শেখ হাসিনা) রাজনৈতিক কার্যালয়ে গিয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করি। আর বিকালে বাসায় থাকলে নাতি-নাতনিকে সময় দেই। আগে ওদের আমাকে কাছে পেত না, এখন ওরা বেজায় খুশি। সন্ধ্যায় টেলিফোনে এলাকার এবং দলীয় নেতা-কর্মীদের খোঁজ-খবর নিই। অনেকের সঙ্গেই ফোনে কথা হয়। রাতে টেলিভিশনের টকশোগুলো দেখি। অনলাইনের খবরগুলোও দেখি।’

তিনি আরো বলেন, ‘এখন একটু লেখালেখি করছি। ১৯৬৮ সাল থেকে আমার প্রতিটি মুহূর্তকে কালির অক্ষরে রূপ দিয়ে যেতে চাই। নিজের জীবনী লেখার চেষ্টা করছি। রাত ১২টা থেকে ১টার মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়ি।’ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর আরেক সদস্য আব্দুর রহমানের সকাল কাটে পত্রিকা পড়ে।

তিনি বলেন ‘দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ফোনে কথা বলি। কোনো কল ধরতে না পারলে পরে ব্যাক করি। তারপর রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন লেখকদের বই পড়ে সময় কাটে। দুপুরে নামাজের পর খাবার খেয়ে বিশ্রামে যাই। বিকেলে ধানমণ্ডিতে দলীয় সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে যাই। সেখানে সন্ধ্যা পর্যন্ত অবস্থান করি। এ ছাড়া দলের কাজ থাকলে রাতও হয়ে যায়। করোনাকালেও দলের নেতা-কর্মীদের সময় দেই। যদি পার্টি অফিসে যাওয়া না হয় তাহলে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ফোনে কথা বলে আর টেলিভিশন দেখে সময় কাটে। বেশি সময় বাসায় পেয়ে ছেলেমেয়েরাও খুশি। করোনার কারণে ঢাকায় অবস্থান করলেও নির্বাচনী এলাকার খোঁজখবর নিই নিয়মিতই। নেতা-কর্মীদের মাধ্যমে এলাকার অসহায়দের বিভিন্ন সহায়তাও করেছি।’

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন মানবকণ্ঠকে বলেন, ‘প্রথম কথা হচ্ছে দলীয় রাজনীতির সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত রেখেছি দেশ ও মানুষের চিন্তা করে। করোনা পরিস্থিতি কিভাবে মোকাবিলা করা যায় তা নিয়ে নিয়মিত ভার্চুয়াল সেমিনার ও মিটিং করে আসছে বিএনপি। আমি ব্যক্তিগতভাবে নিয়মিত খোঁজ-খবর নিচ্ছি নেতা-কর্মীদের।’

তিনি জানান, জনগণের সুখ-দুঃখের ভাগী হতে বা তাদের পাশে থাকতে সারা দেশে তৃণমূল নেতাদের মাধ্যমে খোঁজখবর রাখছেন বিএনপির নেতারা। এ ছাড়া ড্যাবের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে ডাক্তাররা। করোনা মোকাবিলায় নেতা-কর্মীরা কাজ করছেন বলেও তিনি জানান।

তিনি আরো বলেন, ‘করোনা থেকে ভবিষ্যতে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য টেলিফোনের মাধ্যমে উৎসাহ দিচ্ছি নেতা-কর্মীদের। করোনা পরিস্থিতির কারণে নেতা-কর্মীরা ঘরে অবস্থান করছেন। অনেক ব্যস্ততার মধ্যেও ১০টি বই লিখছি। করোনার আগে দুটি বই লিখেছি। আল্লাহর দরবারে দেশবাসীর মঙ্গল চাইছি।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেন, ‘করোনায় আমি ঢাকায় বলতে গেলে গৃহবন্দী আছি। এ সুযোগে লেখালেখি করছি। দুটি বই করোনার আগে আমার প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে দুটি বই লেখছি। একটি ইংরেজিতে, আরেকটি বাংলায়। আমি প্রতিদিন অনেক কাজ করি। করোনাকালে নেতাদের মাধ্যমে এলাকায় গরিব, নিরীহ নিঃস্বদের সাহায্য করে যাচ্ছি। করোনার প্রথম দিকে ৩ হাজার লোককে সাহায্য করেছি। দেশ ও গরিব মানুষের কল্যাণে সেবা দেয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছি অবিরাম।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শরীরের অবস্থা ভালো না। আমাদের স্থায়ী কমিটির নেতাদের মধ্যে যোগাযোগ হচ্ছে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে করোনার বিষয়ে বিএনপির কার্যক্রম চলছে। আক্রান্তদেরকে দলে পক্ষ থেকে সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে। সাংগঠনিক কার্যক্রম আপাতত স্থগিত। ইবাদত-বন্দেগি বেশি করারও সুযোগ পেয়েছি।’

ড. আবদুল মঈন খান, তিনিও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী। মানবকণ্ঠকে তিনি বলেন, ‘করোনার মধ্যেও কয়েক দিন আগে দলীয় মিটিং করেছি। মিটিংয়ে আমি ছিলাম। করোনায় আমাদের কাজকর্ম নেই, আবার কাজের শেষও নেই। ঘরের মধ্যে বন্দী থাকলেও এক মিনিটের জন্য কোনো ফুরসত নেই। টেলিফোনে মিটিং ও সেমিনারের মধ্যে ব্যস্ত থাকি।

তিনি জানান, সারা দেশে রোজার ঈদের আগ থেকে রিলিফের কাজ করেছিলাম। আমাদের দলের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা থেকে সারা দেশে নেতা-কর্মী ও অসহায়দের মাঝে সহযোগিতা করে যাচ্ছি। এ ছাড়া আমার নিজ জেলা নরসিংদীর নিজ আসনেও দলীয় নেতাকর্মী ও অসহায় এবং দুস্থদের মধ্যে সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছি দলীয় নেতা-কর্মীদের মাধ্যমে।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নিয়মিত স্থায়ী কমিটির মিটিং হচ্ছে। আমি মিটিংয়ে অংশ নিই। এখন তো ভার্চুয়ালে চলছে সব মিটিং। এর আগে আমি বাজেটের রিঅ্যাকশন নিয়ে কাজ করেছি। ঐক্যফ্রন্টের প্রতিক্রিয়া দিয়েছি। এ ছাড়া আত্মীয়স্বজনের খোঁজখবর নিচ্ছি। সবাইকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছি। দেশ ও দেশের মানুষ নিয়ে কাজ করছি।’

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য। তিনি সাবেক মন্ত্রীও। মানবকণ্ঠের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘এখন নিজ এলাকা চট্টগ্রামে আছি। করোনাকালে এলাকার গরিব-অসহায়দের নিয়মিত সহযোগিতা করে যাচ্ছি। ভার্চুয়ালের মাধ্যমে দলীয় মিটিংয়ে নিয়মিত অংশ নিচ্ছি। করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য দোয়া করি। দলের অনেক নেতা-কর্মীরা করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছেন। তারাসহ করোনায় মৃত্যুবরণকারীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করি প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে। সারা দেশে দলের নেতা-কর্মীদের খোঁজখবর নিই মোবাইল ফোনে।’

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু। করোনাকালে তিনি প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে ফজর নামাজ আদায় করেন। মোনাজাতে করোনা থেকে মুক্তি পেতে দেশের জনগণ ও দলীয় নেতা-কর্মীদের জন্য প্রাণখুলে দোয়া করেন। এছাড়া আত্মীয়স্বজন ও গরিব-অসহায়দের জন্য প্রার্থনা করেন মহান আল্লাহর দরবারে। নামাজের পর খবরের কাগজ পড়েন। সকালের নাশতা সেরে দেশ ও দেশের বাইরে করোনা পরিস্থিতির সর্বশেষ জানতে বিশ্ব মিডিয়া, টিভি, অনলাইন দেখেন। মোবাইলে যোগাযোগ রাখছেন দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে, নিজ এলাকা ফেনীর দাগনভুঁঞা বাসীর খবরাখবর নিচ্ছেন নিয়মিত।

আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘করোনাকালের এই দুঃসময়ে অসহায় ও কর্মহীন এবং করোনা আক্রান্ত নেতাকর্মীদের নিয়মিত খোঁজ-খবর রাখছি। বই পড়া, লেখালেখি ছাড়া আইন শাস্ত্র নিয়ে পড়াশোনা করছি।’

 





ads






Loading...