এবার মদ চেয়ে লকডাউনে থাকা ব্যক্তির আবেদন


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২০ জুন ২০২০, ১২:০৪

রেডজোন রাজাবাজারে চলছে লকডাউন। এই এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করা ৮০ জন তরুণকে পড়তে হচ্ছে অযৌক্তিক আর বিচিত্র সব অভিজ্ঞতার সামনে। লকডাউনে থাকা জনগণ থেকে তাদের কখনো বলা হচ্ছে ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি এনে দিতে, আবার কখনোবা জদ্দা। তবে এসবেও সন্তুষ্ট নয় ওই এলাকার মানুষ, এবার স্বেচ্ছাসেবকদের কাছে চাওয়া হয়েছে নেশা জাতীয় দ্রব্য।

করোনা সংক্রমণের কারণে রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজার এলাকাকে রেডজোন হিসেবে চিহ্নিত করে গত ১০ জুন সেখানে পরীক্ষামূলক লকডাউন দেয়া হয়। এলাকাটিতে বাস করছেন প্রায় ৫০ হাজার মানুষ।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় দেশের বিভিন্ন এলাকা জোনভিত্তিক ভাগ করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পুলিশ, স্থানীয়রা ও স্বেচ্ছাসেবকরা মিলে ওই এলাকার মানুষদের সহায়তা করছেন। পাশাপাশি নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণের জন্য টহল দিচ্ছেন সেনাবাহিনীও। কিন্তু এই মহতি উদ্যোগকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি মহল কাজ করছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

লকডাউন কার্যকরে স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় জনগণের সহযোগিতার বিকল্প নেই বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। তবে স্বেচ্ছাশ্রম দিতে আসা মানুষগুলো নানা অযৌক্তিক ও অবাস্তব চাহিদার কাছে বিব্রত। তবে এসব বিব্রতকর পরিস্থিতির মাধ্যমে মহতি উদ্যোগকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই এ ধরনের কাজ করা হচ্ছে বলে মনে করেন স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ক।

তিনি জানান, রাত ১২টা, ১টা কিংবা গভীর রাতে পান, কোমল পানীয়, ব্রয়লার মুরগী কিংবা রং ফর্সা করা ক্রিমের মতো উদ্ভট আবেদনের পর এবার দিনে দুপুরে মদের জন্য মোবাইলে আবেদন করেছে লকডাউনে থাকা জনৈক এক ব্যক্তি। মদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মোবাইল ফোনের অপর প্রান্ত থেকে ওই ব্যক্তি বলেন, আমি মদ খাই, তাই আমার কাছে বৈধ মনে হচ্ছে।

স্বেচ্ছাসেবক দলের সমন্বয়কারী মাসুদ হোসাইন সুমন জানান, এই এলাকায় বাসিন্দাদের খাদ্যসহ প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো দিতে দুই শিফটে ৮০ জন স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছেন। স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য বাসিন্দাদেরকে ফোন নম্বরও দিয়ে দেয়া হয়েছে। আমরা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। মাঝেমধ্যে তাদের অনেকে আমাদের সঙ্গে ঠাট্টা করলেও আমরা হাসিমুখেই তাদের জন্য কাজ করছি। তবে তাদের চিন্তা করা উচিৎ, যেটা চাচ্ছে সেটা তাদের এখন প্রয়োজন কি না।

মানবকণ্ঠ/এফএইচ

 

 

 





ads