ডিএমপি কর্মকর্তাদের এক মাসের মধ্যে নতুন আইন জানার নির্দেশ

মানবকণ্ঠ
‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮’ নিয়ে ব্রিফিংকালে ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম - ছবি: সংগৃহীত

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০৪ নভেম্বর ২০১৯, ১৪:৫৮

নতুন সড়ক পরিবহন আইনের ধারা সম্পর্কে ডিএমপির ৮০০ কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি আইন সম্পর্কে নতুন একটি বই বাজারে এসেছে। সব কর্মকর্তাকে এক মাসের মধ্যে নতুন আইন সম্পর্কে বিস্তারিত জানার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার সকালে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮’ নিয়ে ব্রিফিংকালে এ কথা জানান ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, প্রথমবারের মতো কেউ নতুন সড়ক পরিবহন আইন অমান্য করলে তাকে সামান্য জরিমানা করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শফিকুল ইসলাম। দ্বিতীয়বার একই অপরাধ করলে পরবর্তীতে তাকে পুরো জরিমানা ও শাস্তি ভোগ করতে হবে বলে জানান তিনি।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘নতুন আইন যদি কেউ প্রথমবার ভঙ্গ করে তাহলে তাকে সামান্য পরিমাণ জরিমানা করা হবে। একইসঙ্গে তাকে একটি লিফলেট দেওয়া হবে যে পরবর্তীতে এই একই অপরাধ করলে তাকে আইন অনুযায়ী পুরো জরিমানা বা শাস্তি ভোগ করতে হবে।’

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের নজিরবিহীন আন্দোলনের মুখে প্রচলিত আইনকে আরও কঠোর করে গত বছর সড়ক পরিবহন আইন পাস হয়। এর প্রায় ১৪ মাস পর ১ নভেম্বর থেকে বহুল আলোচিত সড়ক আইনটি চালু করে সরকার।

আগের তুলনায় কয়েকগুণ জেল-জরিমানার পরিমাণ বাড়িয়ে নতুন আইনটি করা হয়েছে। চালকের লাইসেন্স থেকে শুরু করে গাড়ির গতিসীমার ওপরও বাড়ানো হয়েছে সাজা ও দণ্ডের পরিমাণ। পথচারীদের যত্রতত্র রাস্তা পারাপার বন্ধেও বাড়ানো হয়েছে জরিমানার পরিমাণ।

কিন্তু যাদের বিরুদ্ধে এই আইনের বিধান কার্যকর হবে তাদের কেউ অবগত নয় শাস্তি সম্পর্কে। এমনকি যারা আইনটি প্রয়োগ করবেন ট্রাফিক পুলিশের অনেকেই এখনো আইনটি সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত নন। এছাড়া নতুন আইনের বিধি-বিধান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নেই বেশিরভাগ চালক-পথচারীরও।

তিনি বলেন, ‘নতুন আইন বাস্তবায়ন নিয়ে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। সবশেষ গত ১ নভেম্বর গেজেট পাসের মাধ্যমে আইন বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর ফলে পুরনো আইনের ধারা পরিবর্তন হয়ে গেছে।’

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘এক সপ্তাহ নতুন আইনে কোনো মামলা হবে না। এরপর থেকে রশিদের মাধ্যমে মামলা নেওয়া শুরু হবে। আর পস মেশিনের সার্ভার আপডেট করার পরে এ পদ্ধতিতে মামলা নেওয়া শুরু হবে।’

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নতুন ট্রাফিক আইনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য সাজার পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে সবার মধ্যে আইন মানার প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে এবং ট্রাফিক ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে।’

মানবকণ্ঠ/আরবি




Loading...
ads





Loading...