মদ খাইয়ে অজ্ঞান করে ধর্ষণ করা হয় ছাত্রীকে


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১১:৪৬

চাকরির ইন্টারভিউ দেয়ার জন্য এক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে রাজধানীর শ্যামলী আসতে বলা হয়। এরপর একটি বাসার পঞ্চম তলায় নিয়ে যাওয়ার পর একটি চেয়ারে তাকে বসতে দেয়া হয়। চাকরি বিষয়ে নানা প্রশ্ন জানতে চাওয়া হয় ছাত্রীর কাছে। একপর্যায়ে ওই ছাত্রীকে মদ পান করার প্রস্তাব দেয়া হয়। কিন্তু ওই ছাত্রী প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। এ সময় কৌশলে জুসের সঙ্গে মদ মিশিয়ে পান করানো হয়। এরপর ছাত্রী অচেতন হয়ে পড়েন। তখন তাকে ধর্ষণ করা হয়। রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশ আদালতকে দেয়া এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করেন।

গত ২৭ আগস্ট দুপুরে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এরপর এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী বাদী হয়ে নাহিদ পাটোয়ারী (৩২) ও ফাহিম আহমেদ নামে দুই যুবকের বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। মামলায় গ্রেফতার নাহিদ পাটোয়ারীকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এর আগে মামলার অপর আসামি ফাহিম আহমেদকে গত ২৯ আগস্ট আদালতে হাজির করে পুলিশ। আদালত তাকে (ফাহিম) তিন দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেন। ফাহিম বর্তমানে কারাগারে আছেন। পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।

মামলায় ভুক্তভোগী ছাত্রী বলেন, নাহিদ পাটোয়ারীর বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ থানার আওগান খিল গ্রামে। ফেসবুকে তার সঙ্গে পরিচয় হয়। মাঝেমধ্যে তাদের মধ্যে ফেসবুকে কথা হতো। ঘটনার দিন নাহিদই তাকে ফোন করে ডেকে আনেন। কথিত চাকরির ইন্টারভিউ দেয়ার সময় নাহিদ সিগারেট ও মদ পান করার প্রস্তাব দেন। পরে কৌশলে কোকা–কোলার সঙ্গে মদ মিশিয়ে পান করান। তখন তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। প্রথমে ফাহিম আহমেদ তাকে ধর্ষণ করেন। পরে নাহিদও ধর্ষণ করেন। জ্ঞান ফেরার পর চোখমুখে পানি দেন আসামিরা। 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার পরিদর্শক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বলেন, চাকরির দেয়ার কথা বলে কৌশলে ডেকে নিয়ে এসে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছেন আসামিরা। আসামি ফাহিম আহমেদ বেকার যুবক। আর নাহিদ বেসরকারি একটা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। 

মানবকণ্ঠ/এএম

 

 

 

 

 




Loading...
ads




Loading...