সুবিধাবঞ্চিত ডিসিসির নতুন ৩৬ ওয়ার্ড


poisha bazar

  • হাসান মাহমুদ রিপন
  • ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১০:২১

তিন বছর আগে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হয় নতুন ৩৬টি ওয়ার্ড। কিন্তু এখনো পর্যাপ্ত নাগরিক সেবা পাচ্ছেন না নতুন এসব ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় ইউনিয়ন পর্যায়ের উন্নয়ন থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন তারা। রাস্তাঘাট উন্নয়ন, পানি সরবরাহ, পয়ঃনিষ্কাশন, মশা নিয়ন্ত্রণসহ সিটি কর্পোরেশনের কোনো সুবিধা বা সেবাই পাচ্ছেন না বলে তাদের অভিযোগ। তবে দুই সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ বলছে, দৈনন্দিন ও অন্যান্য সেবামূলক কার্যক্রম নিশ্চিতে নবগঠিত ৩৬টি ওয়ার্ডকে দশটি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। সরেজমিন দেখা গেছে, ডিএনসিসির সম্প্রসারিত এলাকা দক্ষিণখান আদর্শ ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত বরুয়ার বাগানবাড়ী (খিলক্ষেত এলাকার লেক সিটির পূর্বপাশ) থেকে আশিয়ান হয়ে স্বদেশ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল অবস্থায়। এ সড়কটি একেবারেই চলাচলের অনুপযোগী। কিন্তু খিলক্ষেতের সঙ্গে যোগাযোগের এটিই একমাত্র সড়ক হওয়ায় বাধ্য হয়েই এলাকার মানুষ সড়কটি দিয়ে চলাচল করছে। সড়কটিতে যে কোনো সময় ঘটতে পারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা।

তা ছাড়া সম্প্রসারিত এসব এলাকায় নেই পানি সরবরাহ বা পয়ঃনিষ্কাশনের যথাযথ ব্যবস্থা। মশা নিধন, নর্দমা পরিষ্কারের মতো সেবা কার্যক্রমের অস্তিত্বই নেই। তবুও এসব দেখার যেন কেউ নেই। অপরদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) সঙ্গে শ্যামপুর, দনিয়া, মাতুয়াইল, সারুলিয়া, ডেমরা, মান্ডা, দক্ষিণগাঁও ও নাসিরাবাদ নবসম্পৃক্ত ইউনিয়নগুলোর রাস্তা সংস্কার, জলাবদ্ধতাসহ রয়েছে নানা সমস্যা। এখানেও মশা নিধন, নর্দমা পরিষ্কারসহ পানি সরবরাহ বা পয়ঃনিষ্কাশনের যথাযথ ব্যবস্থা নেই।

জানা গেছে, ২০১৭ সালের ৩০ জুলাই শ্যামপুর, দনিয়া, মাতুয়াইল, সারুলিয়া, ডেমরা, মান্ডা, দক্ষিণগাঁও ও নাসিরাবাদ ইউনিয়নকে ৫৮, ৫৯, ৬০, ৬১, ৬২, ৬৩, ৬৪, ৬৫, ৬৬, ৬৭, ৬৮, ৬৯, ৭০, ৭১, ৭২, ৭৩, ৭৪ ও ৭৫ নম্বর ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয় এবং ডিএসসিসির অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অপরদিকে ডিএনসিসির অন্তর্ভুক্ত বাড্ডা, ভাটারা, সাঁতারকুল, বেরাঈদ, ডুমনি, উত্তরখান, দক্ষিণখান ও হরিরামপুর ইউনিয়নকে ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪২, ৪৩, ৪৪, ৪৫, ৪৬, ৪৭, ৪৮, ৪৯, ৫০, ৫১, ৫২, ৫৩ ও ৫৪ নম্বর ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়। তবে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে যুক্ত হওয়া নতুন অধিকাংশ ওয়ার্ডে এখনও সিটি কর্পোরেশনের সেবার-উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। তবে ডিএসসিসিতে যুক্ত হওয়া কিছু কিছু ওয়ার্ডে সম্প্রতি উন্নয়ন কাজ কিছুটা হলেও শুরু হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে যুক্ত হওয়া নতুন ওয়ার্ডগুলোতে কেবল উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ফলে দুই সিটির এসব ওয়ার্ডে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক উন্নয়নের ছোঁয়া পেতে আরো সময় লাগবে। উন্নয়ন বঞ্চিত নতুন ওয়ার্ডগুলোর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ৭৪ নম্বর ওয়ার্ড। ভয়াবহ মশার উপদ্রব আর রাস্তার খানা-খন্দে জর্জরিত এ ওয়ার্ডের পশ্চিম নন্দীপাড়া। সিটি কর্পোরেশনের অধীনে এলেও এখানে নেই কোনো ভালো স্কুল, কলেজ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও খেলার মাঠ। এসব এলাকায় মিলছে না সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক প্রদেয় সেবাসমূহ। নেই কোনো সুয়ারেজ সিস্টেম। প্রায় এক লাখ বসতির জন্য এই এলাকায় ওয়াসার তিনটি পানির পাম্প থাকলেও সচল মাত্র একটি। ফলে মাসে দু-এক বার পানির জন্য হাহাকার থাকে এই এলাকায়।

শিগগিরই সব ধরনের সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদ বলেন, সকল ধরনের নাগরিক সুবিধার জন্য কাজ করছি। ওয়ার্ডটি নতুন হওয়ায় সব কাজ শুরু করতে হচ্ছে নতুন করে। পর্যায়ক্রমে সকল সমস্যার সমাধান হবে। ওয়ার্ডটিকে আরো সুন্দর করে তুলতে সরকারের পাশাপাশি জনগণের সাহায্যও চাইলেন কাউন্সিলর।

অপরদিকে উত্তর সিটির অন্তর্ভুক্ত বাড্ডার সাঁতারকুল মৌজার পাদুরদিয়া, মগারদিয়া, পাঁচখোলা ও সাঁতারকুল বাজার নিয়ে উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৪১ নং ওয়ার্ড। কিছুদিন আগেও ওয়ার্ডটি ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে পরিচালিত হওয়ায় তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি। তাই এখানে দেখা মিলবে মাটির রাস্তা, বাঁশের সাঁকো আর ভাঙ্গা-সরু রাস্তা। নেই ওয়াসার পানি, পয়ঃনিষ্কাশনের লাইন, সড়ক বাতিসহ, সিটি কর্পোরেশনের কোনো সুবিধা। বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। সাঁতারকুল বাজারে এখনো দেখা মিলবে মেঠো পথ। নেই খেলার মাঠ ভালো কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

এলাকার এসব সমস্যার কথা স্বীকার করে ডিএনসিসির ৪১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ওয়ার্ডের উন্নয়নে এখন পর্যন্ত সিটি কর্পোরেশন থেকে কোনো বাজেট পাননি তিনি। বাজেট পেলেই উন্নয়নমূলক কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানান তিনি। এছাড়া ডিএনসিসি’র ৪৪ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের এখনও নিশ্চিত হয়নি সিটি কর্পোরেশনের ন্যূনতম নাগরিক সুবিধা। উত্তরখান থানার কাঁচকুড়া, দোবাদিয়া, ভাঁতুড়িয়া ও বেঁতুলি নিয়ে ৪৪নং ওয়ার্ড গঠিত। এই এলাকার বেশিরভাগই রাস্তা সরু মাটির। এসব রাস্তার বিভিন্ন অংশে আবার এবড়ো থেবড়ো গর্ত। এসব এলাকায় এখনো পৌঁছাইনি ওয়াসার পানি, গ্যাস লাইন, পয়ঃনিষ্কাশনের লাইন, সড়কবাতিসহ সিটি কর্পোরেশনের অন্যান্য নাগরিক সুবিধা।

এলাকার এসব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে এ প্রসঙ্গে ডিএনসিসির ৪৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. শফিকুল (শফিক) বলেন, বাজেট হাতে পেলেই এই এলকার উন্নয়নমূলক কাজ শুরু হবে। ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে, সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক সেবাসমূহ প্রদানে এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ঈদগাহ, শিশু পার্ক, এসটিএস, পাবলিক টয়লেট ওয়াসার পাম্প-বিদ্যুতের উপকেন্দ্র স্থাপন, কবরস্থান, কমিউনিটি সেন্টারসহ নানা স্থাপনা নির্মাণের জন্য কিছু কিছু জায়গা পেলেও বাকীটা পেতে খুঁজছেন তারা। জায়গা পেলে এসবের কাজ শুরু হবে। নতুন ওয়ার্ডগুলোতে পূর্ণাঙ্গ এসব সেবা পেতে আরো কিছুটা সময় লাগবে বলে সূত্র জানায়।

অন্যদিকে ডিএসসিসি সূত্রে জানা যায়, নতুন ১৮টি ওয়ার্ডের ১১টিতে ইতোমধ্যেই প্রাথমিকভাবে উন্নয়ন কাজ শুরু হয়েছে। বাকি সাতটি ওয়ার্ডেও পর্যায়ক্রমে উন্নয়ন কাজ শুরু হবে। মাস্টারপ্ল্যানের মাধ্যমে নতুন যুক্ত হওয়া ওয়ার্ডগুলোতে বাসযোগ্য নগরীর রূপ দিতে শিগগিরই কাজ শুরু হবে। তবে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা ইউনিয়নগুলোকে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা অত্যন্ত সময় সাপেক্ষ বলে সূত্র জানায়।

ডিএসসিসির মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন এ ব্যাপারে বলেন, ইতোমধ্যেই ডিএসসিসির সঙ্গে নবসংযুক্ত ১৮টি ওয়ার্ডের উন্নয়নে ৭৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ে শ্যামপুর, দনিয়া, মাতুয়াইল, সারুলিয়া এলাকার ওয়ার্ডগুলোর জন্য ১৬৭.৮৮ কি.মি. রাস্তা, ৮.৮১ কিঃমিঃ ফুটপাথ, ১৭১.৬৫ কিমি নর্দমা, ১৪৩.৪৭ কিমি রাস্তায় এলইডি লাইট, ৭০৬৩টি বৃক্ষরোপণসহ নানা অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। এরই মধ্যে এসব প্রকল্পের প্রায় ৮৫ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে।

এ ছাড়া মান্ডা, ডেমরা, নাসিরাবাদ ও দক্ষিণগাঁও এলাকার ওয়ার্ডগুলোর জন্য ৫১৫.৫৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮১.৩৬ কিমি রাস্তা, ৬১.৭৯ কিমি নর্দমা, ৭.৯৫ কিমি ফুটপাথ ও ১২টি আরসিসি ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্পের উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে এসব প্রকল্পের প্রায় ৪০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে ডিএনসিসি সূত্রে জানা যায়, সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক প্রাপ্ত সেবাসমূহ প্রদানে নবগঠিত পাঁচটি অঞ্চলের প্রতিটির জন্য একটি আঞ্চলিক কার্যালয়, কমপক্ষে একটি কমিউনিটি সেন্টার, একটি আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সেন্টার, একটি কেন্দ্রীয় এসটিএস, একটি শিশু পার্ক, একটি কবরস্থান, একটি শ্মশানঘাট, একটি মার্কেট, কমপক্ষে একটি ঈদগাহ ও একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি অঞ্চলের জন্য ২৫ দশমিক ৪০ একর জায়গা লাগবে। এ ছাড়া সম্প্রসারিত এলাকাগুলোর জন্য একটি স্থায়ী পশুরহাট ও একটি ল্যান্ডফিল স্থাপন করা হবে। এ জন্য মোট ৬০ একর জায়গার প্রয়োজন হবে। সম্প্রসারিত এলাকায় বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের জন্য সর্বমোট ৬০২ দশমিক ৮০ একর জায়গা লাগবে।

এ বিষয়ে ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, সম্প্রসারিত এলাকা সুপরিকল্পিতভাবে আধুনিক নগরীতে রূপান্তর করা হবে। এসব এলাকার জনসাধারণ যেন সব ধরনের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারেন সে লক্ষ্যে সরকার শুরু থেকেই সচেতন। এরই মধ্যে ডিএনসিসির সম্প্রসারিত নবগঠিত ১৮ ওয়ার্ডে পূর্ণাঙ্গ সেবা-উন্নয়নের কাজ অনেক ওয়ার্ডে শুরু হয়েছে এবং বাকিটা শিগগিরই শুরু হবে।
তিনি বলেন, ডিএনসিসির নবগঠিত প্রতিটি ওয়ার্ডে খেলার মাঠ, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ঈদগাহ, শিশু পার্ক, কমপক্ষে তিনটি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ভবন বা সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস), তিনটি পাবলিক টয়লেট এবং ওয়াসার পাম্প-বিদ্যুতের উপকেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নগুলোর জনপ্রতিনিধিসহ বাসিন্দারা বলছেন, ইউনিয়নগুলোর দায়িত্ব সিটি কর্পোরেশন নিলেও এখনো লোকবল নিয়োগ দেয়া হয়নি। এ কারণে সরকারি বরাদ্দও মিলছে না। আবার যেহেতু এসব ইউনিয়ন সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত তাই ইউনিয়ন পর্যায়েও উন্নয়ন কার্যক্রমের আওতায় নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। ডিএসসিসির সঙ্গে যুক্ত হওয়া মান্ডা এলাকার বাসিন্দা মাইদুল ইসলাম বলেন, এলাকার রাস্তা সংস্কার, জলাবদ্ধতাসহ নানা সমস্যা রয়েছে। এসব কাজের বিষয়ে জনপ্রতিনিধির কাছে গেলে তারা বলেন, এখন সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, সব কাজ তারাই করবে। ‘কিন্তু উন্নয়নের কোনো কাজই তো চোখে পড়ছে না’ যোগ করেন তিনি।

অপরদিকে ডিএনসিসির অন্তর্ভুক্ত নতুন এলাকা দক্ষিনখান আদর্শ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এসএম তোফাজ্জল হোসেন বলেন, সরকারি হিসাবে দক্ষিণখান আদর্শ ইউনিয়নের আয়তন ২২ বর্গকিলোমিটার। বসবাসকারীর সংখ্যা প্রায় ৫ লাখ। তিন বছর আগে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনে অন্তর্ভুক্ত হলেও নাগরিক সুবিধা মিলছে না। আর সিটি কর্পোরেশনে আসার কারণে ইউনিয়ন পর্যায়ের উন্নয়ন কার্যক্রম থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন বাসিন্দারা। রাস্তা সংস্কারসহ সব ধরনের নাগরিক সেবাই স্থবির হয়ে পড়েছে। গ্রাম থেকে শহরে উন্নীত হওয়া ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের নবগঠিত ৩৬টি ওয়ার্ডডের উন্নয়নে কর্তৃপক্ষকে দ্রæত পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন এসব অঞ্চলের এলাকাবাসী।

প্রসঙ্গত ২০১৬ সালের ৯ মে সচিবালয়ে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভায় ঢাকার আশপাশের ১৬টি ইউনিয়নকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে যুক্ত করার প্রস্তাব অনুমোদন পায়। এরপর ২০১৭ সালের ৩০ জুলাই ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সম্প্রসারিত অংশে নবগঠিত ৩৬টি ওয়ার্ডকে দশটি অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ডিএসসিসির শ্যামপুর, দনিয়া, মাতুয়াইল, সারুলিয়া, ডেমরা, মান্ডা, দক্ষিণগাঁও ও নাসিরাবাদ ইউনিয়নকে ১৮টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়। অপরদিকে ডিএনসিসি অন্তর্ভুক্ত বাড্ডা, ভাটারা, সাতাঁরকুল, বেরাঈদ, ডুমনি, উত্তরখান, দক্ষিণখান ও হরিরামপুর ইউনিয়নকে ১৮টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়।

মানবকণ্ঠ/এইচকে




Loading...
ads




Loading...