নোবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ


  • প্রতিনিধি, দৈনিক মানবকণ্ঠ
  • ২৪ নভেম্বর ২০২২, ১৯:৩৫,  আপডেট: ২৪ নভেম্বর ২০২২, ১৯:৩৭

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবিতে) আইন বিভাগের ক্লাসরুম সংকট সমাধানে দাবিতে শিক্ষার্থীরা অবস্থান ধর্মঘট ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে৷

২৪ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে নোবিপ্রবির হাজি মোহাম্মদ ইদ্রিস অডিটোরিয়ামের নিচতলায় লিফট ও সিঁড়িপথ অবরোধ করে আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্লাসরুম সংকট সমাধানে দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচি পালন শুরু করে। ক্লাসরুম সংকটসহ আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে এ সময়ে স্লোগান দিতে থাকে শিক্ষার্থীরা।

আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচির একপর্যায়ে দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করে। এসময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর ও আইন বিভাগীয় চেয়ারম্যান সহকারি অধ্যাপক বাদশা মিয়া আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে আইন বিভাগের জন্য ক্লাসরুম প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিলে শিক্ষার্থীরা সাময়িকভাবে আন্দোলন স্থগিত করে।

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক আইন বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, "বর্তমানে আইন বিভাগে তিনটি ব্যাচ চলমান আছে এবং নতুন আরও একটি ব্যাচের ভর্তি কার্যক্রম চলছে। কিন্তু আইন বিভাগের জন্য মাত্র একটি ক্লাসরুম বরাদ্দ থাকায় নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রমে সংকট বহুদিন ধরে চলছে। মাঝেমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবনে সীমিত সময়ের জন্য ক্লাস করার সুযোগ পেলে তা প্রয়োজনের তুলনায় কম৷ আরেকটি ব্যাচ ক্লাস শুরু করলে এ সংকট আরও বৃদ্ধি পাবে।

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক আরেক শিক্ষার্থী বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয় যদি আমাদের জন্য ক্লাসরুম বরাদ্দ না করতে পারে তবে কেনো বিভাগ খোলার প্রয়োজন ছিল। ক্লাসরুম সংকটের কারণে আমাদের একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে নিয়মিত।

এ বিষয়ে নোবিপ্রবির আইন বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারি অধ্যাপক বাদশা মিয়া বলেন, "সকালে অডিটোরিয়াম ভবনের লিফট বন্ধ থাকায় সিঁড়ি দিয়ে উঠার সময় আইন বিভাগের দুই শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ায় শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে উঠে। আইন বিভাগের ক্লাসরুম সংকট সমাধানে আমরা প্রশাসনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগ করেছি। প্রশাসন আমাদের আশ্বাস দিয়েছে জানুয়ারির দিকে আইন বিভাগের জন্য ক্লাসরুম বরাদ্দ দিবেন। তখন ক্লাসরুম সংকট অনেকখানি সমাধান হবে৷

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. দিদার-উল-আলম বলেন, “ক্লাসরুম সংকটের বিষয়টি বিবেচনা করে একাডেমিক ভবন-৩ এ কিছু সংখ্যক  রুম সংস্কারের জন্য কাজ চলতেছে, অতি দ্রুত আমরা সেখানে কিছু সংখ্যক  ক্লাসরুম শিফট করতে পারব বলে আশাবাদী।"

মানবকণ্ঠ/এমআই


poisha bazar