নতুন পদ্ধতিতে ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা দিচ্ছে ফ্রেন্ডশিপ স্কুলগুলো

মহামারিতেও থেমে নেই পাঠ দান


poisha bazar

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ০৩ মে ২০২১, ১৮:২১

করোনা মহামারিতে বড় ধরণের ক্ষতির শিকার দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা। ২০২০ সালের ১৮ মার্চথেকে বন্ধ দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকায় হুমকিতে শিশু-কিশোরদের লেখাপড়া। এমন অবস্থায় মহামারীকালে শিক্ষা ব্যবস্থা সচল রাখতে বিশেষ উদ্যোগী হয়েছে উন্নয়ন সহযোগি সংস্থা ফ্রেন্ডশিপ।

কোমলমতি শিশুদের ভবিষ্যত চিন্তা করে মহামারি শুরুর পর থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় পাঠদান অব্যহত রেখেছে সংস্থাটি। কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার প্রত্যন্ত চরে কোমলমতি শিশুদেরকে নিয়মিত পাঠদান করে যাচ্ছে ফ্রেন্ডশিপ স্কুলগুলো। ফ্রেন্ডশিপ শিক্ষা বিভাগ প্রধান ব্রিঃ জেঃ (অবঃ) ইলিয়াস ইফতেখার রসুল জানান, করোনাকালে গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম ও জামালপুরের সুবিধা বঞ্চিত প্রায় ১০ হাজার ছাত্র-ছাত্রীকে এবং কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের প্রায় ৫হাজার ছাত্র-ছাত্রীকে কয়েকটি বিকল্প পন্থায় দেয়া হচ্ছে পাঠদান।

এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ফোন কলের মাধ্যমে যোগাযোগ, ছোট ছোট দলে উঠোন শিক্ষা, বাড়ী বাড়ী গিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের খোঁজ-খবর নেয়া, ইত্যাদি। প্রত্যন্ত চরে ফ্রেন্ডশিপের ৪৩টি প্রাথমিক এবং ১৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধীনে চলছে এই পাঠদান ব্যবস্থা। সরকারী ১২০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনুসরণ করছে ফ্রেন্ডশিপের এই শিক্ষা পদ্ধতি। ফ্রেন্ডশিপ বিদ্যালয়ের শিক্ষদের পাঠদান সহজ করতে আয়োজন করা হচ্ছে অনলাইন প্রশিক্ষনের।

ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক রুনা খান বলেন, করোনাকালে সুবিধা বঞ্চিত চরবাসীর জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ নজর দিয়েছে ফ্রেন্ডশিপ। তাই সংস্থার অধীনে পরিচালিত বিদ্যালগুলোতে পাঠদানে আনা হয়েছে নতুন মাত্রা। চরের শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন এ উদ্যোগ শুরু করা হয় ২০২০ সালের মার্চের লকডাউনকালেই।

মানবকণ্ঠ/এমএ






ads
ads