জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে জবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ


poisha bazar

  • ০১ মার্চ ২০২১, ১৭:৪০,  আপডেট: ০১ মার্চ ২০২১, ১৭:৪১

জবি প্রতিনিধি: সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ ও জাতীয় প্রেসক্লাবে ছাত্রদলের উপর নির্মম নির্যাতনের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের কর্মসূচী হিসেবে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদল।

সোমবার (১ মার্চ) দুপুর একটায় পুরান ঢাকার রায়সাহেব বাজার মোড় হতে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে ভিক্টোরিয়া পার্ক হয়ে ক্যাম্পাসের দিকে অগ্রসর হলে পুলিশি বাধায় পন্ড হয়ে যায়। এ সময় বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন জবি শাখা ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

জানা যায়, মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে স্বাধীনতার পর জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে বীর উত্তম খেতাব দেওয়া হয়। স্বাধীনতার প্রায় ৫০ বছর পর তার রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি শরিফুল হক ডালিম, নূর চৌধুরী, রাশেদ চৌধুরী ও মোসলেহ উদ্দিনের রাষ্ট্রীয় খেতাবও বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। জিয়াউর রহমানসহ এই পাঁচজন এবং তাদের পরিবার মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য কোনো ধরনের রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন না। জামুকার ৭২তম সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবার হত্যার ষড়যন্ত্রে জিয়াউর রহমানের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায় থেকে বরাবরই অভিযোগ করা হয়। তবে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলায় তাকে আসামি করা হয়নি।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো হলো- জিয়াউর রহমান সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন। সংবিধানের মূলনীতি বাতিল করেছেন। মুক্তিযোদ্ধা হয়েও স্বাধীনতাবিরোধী লোকজনকে নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন। বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদের দেশত্যাগে সহায়তা করেছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন করেছেন। এদের সকলের পদক, সুযোগ-সুবিধা বাতিল করা হবে। আপাতত জিয়াউর রহমান, খন্দকার মোশতাক ও মাহবুবুল আলম চাষীর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যারা বঙ্গবন্ধুর খুনিদের মদদ দিয়েছে, তারা স্বাভাবিকভাবেই অপরাধী। এই অপরাধীরা কোনো সম্মানজনক পদ, পুরস্কার বা খেতাব পেতে পারে না। সে জন্যই জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ২৫-৩০ জন নেতাকর্মী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

মানবকণ্ঠ/এমএ

 






ads
ads