• বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১
  • ই-পেপার

জাবির আন্দোলন ঢাবিসহ সারাদেশে


poisha bazar

  • সাইফুল ইসলাম ও মোতাহার হোসেন
  • ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৩:৩৮

আবাসিক হলগুলো খুলে দেয়ার আন্দোলন দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেই ছড়িয়ে পড়েছে। করোনা মহামারী প্রকোপের কারণে গত বছরের মার্চ মাসে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর প্রায় এক বছরের মাথায় এসে হল খুলে দেয়ার দাবিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যে আন্দোলন শুরু হয়, তাতে যোগ দিয়ে মাঠে নেমে এসেছেন অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও। এরই মধ্যে ঢাকা (ঢাবি) ও জাহাঙ্গীরনগরসহ (জাবি) কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের হল ফটকের তালা ভেঙে সেখানে প্রবেশ করেছেন তারা। আলাপ-আলোচনা করেও কোনোভাবেই হলগুলোয় শিক্ষার্থীদের প্রবেশ ‘রুখতে’ পারছেন না বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এদিকে তালা ভেঙে হলে প্রবেশ করেছেন যেসব শিক্ষার্থী, তাদের অবিলম্বে হল ত্যাগের নির্দেশও দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শিক্ষামন্ত্রীর এই নির্দেশও প্রত্যাখ্যান করেছেন ছাত্র-ছাত্রীরা। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ইতোমধ্যে ৫ দফা দাবি দিয়েছেন। আর ১ মার্চ থেকে হলে ঢুকতে চায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সব মিলিয়ে দিন দিন শিক্ষার্থীদের মাঝে বাড়ছে আন্দোলনের উত্তেজনা।

করোনা মহামারী শুরু হওয়ার পর যখন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়, তখন খেকেই অনলাইনে ক্লাস-পরীক্ষা নেয়া শুরু করে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে এসব ক্লাসে-পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছেন না অনেক শিক্ষার্থী। তাদের অভিযোগ, অনেক শিক্ষার্থীর আর্থিক অবস্থা সচ্ছল নয়। যার কারণে তাদের অনেকের স্মার্টফোন নাই। আবার স্মার্টফোন থাকলেও অনেক শিক্ষার্থীর নেট কিনার মতো টাকা নাই। আবার অনেকের স্মার্টফোন বা ইন্টারনেট কেনার সক্ষমতা থাকলেও গ্রামে নেট সমস্যার কারণে ক্লাসে অংশ নেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না তারা। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সমস্যার কথা বিবেচনায় না নিয়ে অলাইনে ক্লাস-পরীক্ষা চলমান রেখেছেন। এই অনলাইন ক্লাসের ওপর ভিত্তি করে পরীক্ষা হবে বলেও জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। প্রশাসনের এমন আচরণে ক্ষুব্ধ হয়েই আন্দোলনে নেমেছেন বলে তারা জানিয়েছেন।

দেশের প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীদের কয়েকদিন ধরে এমন আন্দোলন চলার পর সোমবার দুপুরে ভার্চুয়ালি এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন আসেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি সংসাদ সম্মেলনে এসেই অবিলম্বে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দিয়ে আবাসিক হলের ফটকের তালা ভেঙে প্রবেশ করার ঘটনার নিন্দা জানান।

তিনি বলেন, ‘এক শ্রেণির মানুষ বর্তমান সরকারকে নানাভাবে ঝামেলায় ফেলার চেষ্টা করলেও তারা ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে তাদের মতাদর্শের কিছু শিক্ষার্থী দিয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধ থাকা আবাসিক হলের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করতে উসকিয়ে দেয়া হচ্ছে।’

তিনি জানান, আগামী ২৪ মে ঈদুল ফিতরের পর সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হবে। আর ১৭ মে থেকে ছাত্রাবাসগুলো খুলে দেয়া হবে।’

জানা যায়, আবাসিক হল খোলার দাবিতে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা লাগাতার আন্দোলন শুরু করেছেন। ঢাবি ও জাবির শিক্ষার্থীরা ইতোমধ্যে হলের তালা ভেঙে হলের ভেতরে প্রবেশ করেছেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এই দাবি ক্রমেই জোরদার হচ্ছে।

তবে, ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক বিশ্বজিৎ চন্দ জানিয়েছেন, ‘শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ইমোশনাল হয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া যায় না।’ তার এই বক্তব্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

ঢাবির হল খোলার দাবিতে জোরদার হচ্ছে আন্দোলন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আবাসিক হল খোলার দাবিতে জোরদার হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ঝিমিয়ে পড়া আন্দোলন। আগামী ১৩ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) হল খোলার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। অন্যদিকে দেশের শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ২৪ মে থেকে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে পাঠদান এবং আবাসিক হলগুলো এক সপ্তাহ আগে অর্থাৎ ১৭ মে খুলে দেয়ার যে নির্দেশনা দিয়েছেন, তা প্রত্যাহার করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে হল খোলে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

তারা জানিয়েছেন, করোনা মহামারী চলাকালেও সারা দেশ যেখানে বিশেষ ব্যবস্থায় চলাচল উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে, সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ রাখার কোনো যৌক্তিকতা নেই। হলগুলো খুলে দেয়ার দাবিকে সামনে রেখে সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সমাবেশে হল খোলে দেয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটায় দিয়েছেন তারা। সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বর্ষের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

সমাবেশ এ আন্দোলনের অন্যতম একজন জুনায়েদ হাসান খান বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল কখন খুলবে এই সিদ্ধান্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিতে পারে। আমরা চাই, আমাদের এতদিন হওয়া সেশনজট আর দীর্ঘায়িত না হোক। আমরা চাচ্ছি এগ্রেসিভ না হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে ফেব্রুয়ারির মধ্যে আবাসিক হলগুলো খোলা হোক। আমরা ১ মার্চ থেকে হলে উঠতে চাই।’

সমাবেশ শেষে মিছিল নিয়ে উপাচার্য়ের কার্যালয়ে স্মারকলিপি দিতে যায় শিক্ষার্থীরা। এ সময় পাঁচ সদস্যের একটি দল উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎ শেষে তারা তাদের আল্টিমেটাম প্রত্যাহার করে। তারা বলেছেন, উপাচার্য তাদের জানিয়েছেন, আজ মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি বৈঠক রয়েছে। সেখানে এ বিষয়ে আলোচনা হবে। তবে যদি দাবি মানা না হয় তাহলে আবার আন্দোলনে যাবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে হল ও ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে শতাধিক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলে তালা ভেঙে হলে প্রবেশ করে। সেখানে ঘণ্টাখানেক অবস্থান করে শিক্ষার্থীরা।

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হল খোলাকে কেন্দ্র করে সক্রিয় হয়ে উঠছে ছাত্র সংগঠনগুলোও। তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে হল খোলে দেয়ার দাবি জানিয়েছে। গত ২০ ফেব্রুয়ারি হল ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস খোলে দেয়ার দাবিতে মানববন্ধন করে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নামের একটি সংগঠন। এ সময় তারা জাবি ও ববি শিক্ষার্থীদের হামলা ও হল খোলার দাবিতে তিন দফা দাবি ঘোষণা করে।

অন্যদিকে হল খোলার দাবিতে বাম ছাত্র সংগঠনগুলোও ইতোমধ্যে তাদের অবস্থান জানান দিচ্ছে। এছাড়া ছাত্রলীগ-ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মী হল খোলার বিষয়ে একমত পোষণ করেছেন। কিছুদিন আগে হল খোলার দাবিতে আমরণ অনশন শুরু করে কোটা সংস্কার আন্দোলনে গড়ে ওঠা প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ শিক্ষার্থী অধিকার পরিষদ। কিন্তু সেখানে সুবিধা করতে পারেনি তারা। যার ফলে তারা হঠাৎ করে তাদের আমরণ অনশন বাতিল করে। তবে, আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে শাহাবাগ জাদুঘরের সামনে মানববন্ধন করবে ছাত্র অধিকার পরিষদ বলে জানা যায়।

জাবির শিক্ষার্থীদের ৫ দফা দাবি: হল ছাড়ার বিষয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) কর্তৃপক্ষের প্রজ্ঞাপন প্রত্যাখ্যান করে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে জাবি শিক্ষার্থীরা। হল খোলা রাখার দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের কোনোভাবে হল থেকে বের করার চেষ্টা করা যাবে না। দাবির মধ্যে আছে, হামলার বিষয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন ও অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নিয়ে, চিহ্নিত ব্যক্তিদের নামে মামলা করা। আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি শিক্ষার্থীরা কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে বলেও জানিয়েছেন।

এর আগে, দুপুর একটার দিকে আবারও তালা ভেঙে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের ভেতর অবস্থান নেন ছাত্রীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বর থেকে মিছিল বের করে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি মেয়েদের হলগুলো অতিক্রম করে বঙ্গমাতা হলের সামনে এসে শেষ হয়। এর আগে গত রবিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। গতকাল সোমবার সকাল ১০টার মধ্যে তাদের হল ছাড়তে বলা হয়েছিল। অন্যথায় ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছিল।

১ মার্চ হলে ঢুকতে চায় রাবি শিক্ষার্থীরা: ১ মার্চে হলে প্রবেশ করতে চায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পেছনে লাগাতার বিক্ষোভ কর্মসূচিতে এই ঘোষণা দেয় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে ইউজিসির বৈঠক এবং আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের’ স্টিয়ারিং কমিটির নির্বাচন উপলক্ষে দুই দিনের জন্য আন্দোলন স্থগিত করেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা বলেন, আগামীকাল (মঙ্গলবার) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) হল খোলার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে মিটিংয়ে বসবে। আমরা আশা করি মিটিংয়ে একটা যৌক্তিক সিদ্ধান্ত আসবে। ইউজিসি যদি যৌক্তিক সিদ্ধান্তে এসে হল খুলে দেয়, তাহলে আমরা আমাদের আন্দোলন থেকে সরে আসব।

আর যদি যৌক্তিক কোনো সিদ্ধান্ত না নেয়া হয়, তাহলে আমরা আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি সংবাদ সম্মেলন করে আমাদের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করব। এর আগে ১১টায় হল খোলার দাবিতে আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটে এই আন্দোলন শুরু হয়। শিক্ষার্থীদের স্লোগানে ক্যাম্পাস উত্তাল হলে প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান এসে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে।

ইবির শিক্ষার্থীরা শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাখ্যান: দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও সেগুলোর আবাসিক হল খুলে দেয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছেন কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। তারা এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে প্রশাসন ভবনের সামনে বিক্ষোভ করেন ২০ থেকে ৩০ শিক্ষার্থী। তারা দ্রুত হল খুলে দেয়ার দাবি জানান প্রশাসনের কাছে। হল যত দিন খোলা না হবে আন্দোলন চলবে বলেও জানান শিক্ষার্থীরা। দ্বিতীয় দিনের মত ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীরা। একইসঙ্গে হল খুলে দিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন তারা।

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল ২৩ ফেব্রুয়ারি খুলে দেয়ার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন সেখানকার শিক্ষার্থীরা। এ সময়ের মধ্যে হল খুলে দেয়া না হলে তারা আবার আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। হল খুলে দেয়ার দাবিতে গতকাল শনিবার বিকেল থেকে ক্যাম্পাসে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

 






ads
ads