ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা অনলাইনে, মত নেই ডিনদের


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২০ অক্টোবর ২০২০, ১৭:১৮,  আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০২০, ১৭:২২

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনলাইনে নেয়া হবে কিনা- এ বিষয়ে কিছুটা ধোঁয়াশ থাকলেও তা প্রায় কেটে যাওয়ার পথে। পূর্বনির্ধারিত একটি মিটিংয়ে অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা না নেওয়ার বিষয়ে মতামত দিয়েছেন অনুষদের ডিনরা।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে পূর্ব নির্ধারিত ডিনস মিটিংয়ে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। প্রত্যেকটি অনুষদের ডিনরা অনলাইন মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষা না নেওয়ার বিষয়ে মতামত দিয়েছেন। বরং স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভাগভিত্তিক পরীক্ষা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম।

ডিনস কমিটির মিটিংয়ে সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। মিটিংয়ে সব অনুষদের ডিনরা উপস্থিত ছিলেন। তারা ভর্তি পরীক্ষা অনলাইনে না নেওয়ার পক্ষে যে মতামত দিয়েছেন সে বিষয়ে পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাকাডেমিক সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, ‘আমরা ভর্তি পরীক্ষা নেবো। ডিনস কমিটির মিটিংয়ে সব ডিন এ মতামত দিয়েছেন। ডিসেম্বরের পরে এইচএসসি’র ফলাফল হলে করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করেই ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে কোনও ডিনই মতামত দেননি। তাই অনলাইনে পরীক্ষা না নিয়ে আমরা বরাবরের মতো ভর্তি পরীক্ষা নেবো। আমরা এসএসসি এবং এইচএসসি'র ফলাফল দেখে কী পরিমাণ নম্বর ধরা হবে, তা আরও মিটিং করে ঠিক করবো।’

তিনি আরও জানান, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ালিটি ঠিক রেখে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমরা হয়তো বা বিভাগভিত্তিক হিসেবে পরীক্ষা নেবো। যেমন— যারা খুলনা থেকে আসতে চায়, সে বিভাগেই তাদের পরীক্ষা নেবো। যাতে ঢাকায় আসতে না হয়।'

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষা হবে সর্বমোট ১০০ নম্বরে। যা আগে হতো ২০০ নম্বরে। আগে এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার নম্বর ধরা হতো ৮০। আর ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হতো ১২০ নম্বরে। এই সর্বমোট ২০০। এখন এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার নম্বরের ওপর থাকবে ২০। ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে ৮০ নম্বরের ওপর। এক্ষেত্রে লিখিত থাকবে ৫০, আর বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) থাকবে ৩০।’

তিনি জানান, পরীক্ষার কেন্দ্রগুলো বিকেন্দ্রীকরণ করাও হতে পারে। বিভাগভিত্তিক যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো রয়েছে সেগুলোতে বা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অধীন কলেজে ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র করা হতে পারে।

যদিও অনলাইনে না প্রথাগত পদ্ধতিতে পরীক্ষা হবে সে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আরও পরে। তবে বেশিরভাগ মত পড়েছে অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে। ফলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে এ বিষয়ে চূড়ান্ত আসবে।

মানবকণ্ঠ/এনএস






ads