ঢাবির ‘হিসাব অটোমেশন’ শুরু, মোবাইলেও হবে লেনদেন


poisha bazar

  • প্রতিনিধি, দৈনিক মানবকণ্ঠ
  • ১৪ অক্টোবর ২০২০, ১৮:১৪,  আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২০, ১৮:১৮

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘হিসাব অটোমেশন’ উদ্বোধন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সরাসরি নির্ধারিত ব্যাংকে গিয়ে কিংবা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেনের সুযোগ পাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৪ অক্টোবর) অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুম- এ এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান আনুষ্ঠানিকভাবে এই হিসাব অটোমেশনের উদ্বোধন করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন- এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হাসানুজ্জামান, হিসাব সংক্রান্ত কম্পিউটারাইজেশন কমিটির (বিশেষজ্ঞ কমিটি) আহ্বায়ক অধ্যাপক শান্তি নারায়ণ ঘোষ এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান অটোমেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন করে বলেন, এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় গতিশীলতা আসবে এবং সকল ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। তিনি অটোমেশন প্রক্রিয়ার আপডেট ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, প্রশাসনের সকল স্তরে এই সুবিধা পৌঁছে দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বাস্তবরূপ লাভ করায় তিনি প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

এই অটোমেশনের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ডিজিটালাইজড রসিদ সংগ্রহের মাধ্যমে তাদের বেতন ও যাবতীয় ফিসের টাকা জনতা ব্যাংকের যেকোন শাখায় জমা দিতে পারবে। এছাড়া তারা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমেও যেকোন বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্ড বা মোবাইল ব্যাংকিং যেমন- বিকাশ, রকেট, নগদ, শিওরক্যাশ ইত্যাদির সাহায্যে যেকোন স্থান থেকে যেকোন সময়ে জমা দিতে পারবে। টাকা জমা দেয়া হলে তাৎক্ষণিকভাবে জমার তথ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাবে নির্ভুলভাবে সন্নিবেশিত হবে।

এই অটোমেশনের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল খাতের আয়/ব্যয়, বিভিন্ন খাতের আর্থিক বিবরণী এবং অর্থবছরের বাজেট দ্রুততম সময়ে তৈরি করা সম্ভব হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন, পেনশন, ইনকাম ট্যাক্স, ইন্স্যুরেন্স, ব্যাংক লোন, প্রভিডেন্ট ফান্ড, বেনিভোলেন্ট ফান্ড, শিক্ষকদের পরীক্ষা সংক্রান্ত বিল, বিভিন্ন ট্রাস্ট ফান্ডের হিসাব ইত্যাদি এই অটোমেশনের ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হবে। এছাড়া, সরকারের বিভিন্ন দফতর/সংস্থার চাহিদা মাফিক বিভিন্ন আয়-ব্যয়ের হিসাব বিবরণী দ্রুততম সময়ে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

মানবকণ্ঠ/এনএস





ads







Loading...