ফেসবুকে ইডেন ছাত্রীর চরিত্র হনন, থানায় জিডি

- ফাইল ছবি

poisha bazar

  • সজিব খান
  • ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৯:৩০,  আপডেট: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২০:০৮

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল হক নুর আটক হওয়ার একটি খবর শেয়ার করার পর ফেসবুকে চরিত্র হননের শিকার হয়েছেন ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য নুজহাত ফারিয়া রোকসানা। এ ঘটনায় রাজধানীর লালবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তিনি।

গত সোমবার রাত থেকে ইডেনের গণিত বিভাগের (সেশন ২০১৩-১৪) ছাত্রী রোকসানার ছবি অনেকে ফেসবুক টাইমলাইন ও বিভিন্ন গ্রুপে শেয়ার করে তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপপ্রচার ও কুৎসা রটাচ্ছেন। কেউ কেউ আবার তাকে নুরের বিরুদ্ধে মামলাকারী ঢাবি ছাত্রী বলেও অপপ্রচার চালাচ্ছেন। অনেকের অশ্লীল এবং মানহানিকর মন্তব্যের শিকার হচ্ছেন রোকসানা।

এ বিষয়ে নুজহাত ফারিয়া রোকসানা মানবকণ্ঠকে বলেন, নুরের বিরুদ্ধে আমি কোনো মামলা করিনি। অথচ তার সমর্থকরা আমার বিরুদ্ধে ফেসবুকে নানা ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছেন। মামলা করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রী, কিন্তু আমার ছবি ভাইরাল করে বলা হচ্ছে আমিই নাকি মামলা করেছি। অথচ এর সাথে আমি কোনোভাবেই জড়িত নয়।

তিনি বলেন, আমি আমার ফেসবুক আইডিতে নুর গ্রেফতার হওয়ার একটি নিউজ শেয়ার করেছিলাম। মূলত এরপর থেকেই তার সমর্থকরা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও কুৎসা রটনায় উঠে পড়ে লেগেছে। মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে আমাকে ভাইরাল করছে। এতে করে আমি সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হচ্ছি। নুরের সমর্থকরা রিপোর্ট করে আমার ফেসবুক আইডি ডিজেবল করে দিয়েছে। গতকাল থেকে আমি আমার ফেসবুক আইডিতে ঢুকতে পারছি না। আমি এ সবকিছুর প্রতিকার চাই।

রোকসানা জানান, এ ঘটনার পর গত বুধবার তিনি রাজধানীর লালবাগ থানায় মামলা করতে গেলে তাকে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরামর্শ দেয়া।

তিনি বলেন, পুলিশ আমাকে বলেছে জিডি করার পর সাইবার ট্রাইবুনাল ফেসবুকে কারা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও কুৎসা রটিয়েছে তাদের খুঁজে বের করবে। এরপর মামলা হবে। তাই আমি জিডি করেছি।

এর আগে এ ঘটনায় গণমাধ্যমকে ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, আমি জানি না, কে বা কারা তার বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচার চালিয়েছে। তবে আমাদের দায়িত্বশীল জায়গা থেকে কেউ এটা করেনি।

এর আগে গত সোমবার এবং বুধবার ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রাজধানীর লালবাগ ও কোতোয়ালি থানায় দুটি মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের এক শিক্ষার্থী। মামলায় পরস্পর যোগসাজশে অপহরণ করে ধর্ষণ, ধর্ষণে সহায়তা এবং হেয়প্রতিপন্ন করে ডিজিটাল মাধ্যমে অপপ্রচার করার অভিযোগ আনা হয়।

মানবকণ্ঠ/এসকে





ads







Loading...