রাবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন সাময়িক স্থগিত

রাবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন সাময়িক স্থগিত
রাবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন সাময়িক স্থগিত - ছবি: সংগৃহীত

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১৬ নভেম্বর ২০১৯, ১৭:৪৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থী সোহরাব মিয়াকে বেধড়ক মারধরের প্রতিবাদ ও বিচারের দাবি জানিয়ে করা ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ তুলে নিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

শনিবার দুপুর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে তিন দফা দাবিতে শিক্ষার্থীরা এ অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন।

বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের সব দাবি মেনে নেয় ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক আবু সাদেক মো. কামরুজ্জামান।

তবে আজ রাতের মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রত্ব বাতিল না করলে আগামীকাল থেকে পুনরায় মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা দিয়ে আন্দোলন স্থগিত করেন শিক্ষার্থীরা।

তাদের দাবিগুলো- সোহরাবকে মারধরকারী নাহিদ ও আসিফসহ যারা জড়িত ছিল তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও স্থায়ীভাবে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার, হল প্রশাসন নিরাপত্তা প্রদানে ব্যর্থ হওয়ায় হল প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগ, গুরুতর আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসার সব ব্যয়ভার বহন করতে হবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে।

ভুক্তভোগী সোহরাব মিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও শামসুজ্জোহা হলের আবাসিক ছাত্র। বর্তমানে সে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

অভিযুক্ত দুই ছাত্রলীগ কর্মীর নাম আসিফ লাক ও হুমায়ুন কবির নাহিদ। তারা দুইজনই শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়ার অনুসারী।

উল্লেখ্য, শুক্রবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের শিক্ষার্থী সোহরাব মিয়াকে ল্যাপটপ চুরির অভিযোগে রড দিয়ে মারধর করেছে আসিফ লাক ও হুমায়ন কবির নাহিদ। মারধরের পর গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করে তার বন্ধুরা।

সোহরাবের বাম হাতের কনুইয়ের ওপর ও নিচে দুই জায়গায় ভেঙে গেছে এবং মাথায় মোট ১৫টি সেলাই দেয়া হয়েছে বলে জানান সোহরাবের সঙ্গে থাকা তার বন্ধু তনয়।

এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বলেন, ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়ে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন জমা হলে আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব।

মানবকণ্ঠ/এআইএস






ads
ads