জেডিসি পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার হওয়ায় স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

আত্মহত্যা - প্রতীকী

poisha bazar

  • প্রতিনিধি, দৈনিক মানবকণ্ঠ
  • ১৫ নভেম্বর ২০১৯, ০০:২৫

বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলায় কীটনাশক পান করে এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত স্কুলছাত্রী আফরিন (১৫) উপজেলার বড়বাদুরা গ্রামের আসলাম হাওলাদার এর মেয়ে। সে মোরেলগঞ্জ উপজেলার জিবি আমেনা খাতুন মহিলা দাখিল মাদ্রাসা থেকে চলমান জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।

আফরিনের মা–বাবা দুজনই বিদেশে থাকায় আফরিন বড়বাদুরা গ্রামে তার নানার বাড়িতে থাকত বলে জানায় পুলিশ।

পরিবারের লোকজন জানায়, চলমান জেডিসি পরীক্ষায় অসাধু উপায় অবলম্বনের অভিযোগে বৃহস্পতিবার আফরিনকে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর লোকলজ্জার ভয়ে আত্মহত্যা করে।

মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কামরুজ্জামান জানান, বৃহস্পতিবার চলমান জেডিসি পরীক্ষার গণিত বিষয়ের পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষা চলাকালে উপজেলার পৃথক দুটি কেন্দ্রে নকলসহ ধরা পড়া দুই শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। এর মধ্যে আফরিন নামের এক ছাত্রীকে কেন্দ্রের সচিব বহিষ্কার করেন। পরে ওই ছাত্রী বিষপানে আত্মহত্যা করেছে।

মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কামাল হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেল চারটার দিকে আফরিনকে তাঁর স্বজনেরা মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে আনে। স্বজনেরা জানায়, সে বিষপান করেছে। এরপর তাকে ওয়াশের পর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে সে মারা যায়।

কামাল হোসেন বলেন, ওয়াশের সময় পাওয়া বিষের নমুনা থেকে তারা নিশ্চিত হয়েছেন, আফরিন ধানখেতে দেওয়া কীটনাশক পানে আত্মহত্যা করেছে। আফরিন দুপুরের দিকে বিষপান করে বলে ধারনা করেন ওই চিকিৎসক। তাকে বেশ দেরিতে হাসপাতালে আনায় বাঁচানো যায়নি বলে দাবি করেন তিনি।

মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজিজুল ইসলাম জানান, আফরিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।

 

মানবকণ্ঠ/এসআর




Loading...
ads





Loading...