জাবি উপাচার্যকে ৮ দিনের আল্টিমেটাম!

মানবকণ্ঠ
জাবি উপাচার্যকে আল্টিমেটাম - ছবি : প্রতিবেদক

poisha bazar

  • সংবাদদাতা, দৈনিক মানবকণ্ঠ
  • ১৩ নভেম্বর ২০১৯, ১৮:৫৮

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামকে আগামী ২১ নভেম্বরের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল আবাসিক হল খুলে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে আল্টিমেটাম দিয়েছেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

বুধবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ভবনের শিক্ষক লাউঞ্জে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।

সংবাদ সম্মেলনে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগরের সমন্বয়ক অধ্যাপক রায়হান রাইন বলেন, '২১ নভেম্বরের মধ্যে হল ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের ঘোষণা প্রত্যাখান করে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। অন্যথায় ২২ নভেম্বর থেকে আরো জোরালো আন্দোলন শুরু করা হবে। আর এই সময়ে উপাচার্য কোনো নীতি-নির্ধারনী কাজে অংশ নিতে পারবে না।'

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ছাত্র ইউনিয়ন বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম অনিক বলেন, 'গত ৫ নভেম্বর আন্দোলনকারীদের ওপর উপাচার্যের প্রত্যক্ষ মদদে ছাত্রলীগের হামলার পরে তিনি আর স্বপদে থাকার অধিকার রাখেন না। এরপরে তিনি নিজের পদে টিকে থাকার জন্য হাজারো শিক্ষার্থীর দুর্ভোগের কথা চিন্তা না করেই বিশ্ববিদ্যালয় ও আবাসিক হল বন্ধ ঘোষণা করেছেন। কিন্তু এ সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে সেদিন শত শত শিক্ষার্থী হলের তালা ভেঙে রাস্তায় বিক্ষোভে নেমে পড়েন। এতে প্রমাণ হয় যে, উপাচার্য এই নৈতিক ও যৌক্তিক আন্দোলনকে ভয় পান। আর তা দমাতেই তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ও হল বন্ধের সিদ্ধান্ত জানান।'

তিনি আরো বলেন, 'শুধুমাত্র আর্থিক কেলেঙ্কারি নয়, উপাচার্যের প্রত্যক্ষ মদদে হামলা ও অদক্ষ-অযোগ্য, ভারপ্রাপ্ত প্রশাসন দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় ব্যর্থ হওয়ায় তার অপসারণ জরুরী।'

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দর্শন বিভাগের অধ্যাপক কামরুল আহসান, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক খবির উদ্দিন আহমেদ, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শামীমা সুলতানা, অধ্যাপক তারেক রেজা প্রমুখ।

এছাড়া ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্রফ্রন্ট, ছাত্রফ্রন্ট (মার্ক্সবাদী), জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোট, বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বুধবার দুপুরে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জারি করা নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বিক্ষোভ মিছিল করেন আন্দোলনকারীরা। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুরাদ চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্যদিয়ে শেষ হয়।

মানবকণ্ঠ/এইচকে




Loading...
ads
ads





Loading...