• বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯
  • ই-পেপার

ইউনিভার্সিটি অফ এশিয়া প্যাসিফিকের নবম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত


poisha bazar

  • অ্যাম্বাসেডর, দৈনিক মানবকণ্ঠ
  • ০৮ আগস্ট ২০১৯, ১৬:৪০

ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক (ইউএপি) এর নবম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৩১ জুলাই রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী স্নাতকদের হাতে সনদ তুলে দেন। সমাবর্তনে ১১৫১ স্নাতকধারীকে সনদ প্রদান করা হয়।

সমাবর্তন বক্তা ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ। অনুষ্ঠানে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহিদুল্লাহ, ইউএপি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মনজুর আহমেদ চৌধুরী, উপাচার্য ও জাতীয় অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে নবম সমাবর্তনে ২ জনকে আচার্য গোল্ড মেডেল এবং ৮ জন শিক্ষার্থীকে ভিসি গোল্ড মেডেল প্রদান করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহিবুল হাসান চৌধুরী প্রথমে সনদধারীদের অভিনন্দন জানান এবং তিনি শিক্ষার্থীদের শুধুমাত্র পড়ালেখায় ব্যস্ত না রেখে তাদেরকে আধুনিক বিশ্বকে নেতৃত্ব দেয়ার গুণাবলী অর্জনের জন্য সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরাই আমাদের ভবিষ্যৎ এবং তাদেরকে দেশ ও জাতির জন্য সর্বোচ্চটুকু করতে হবে।

সমাবর্তন বক্তা ছিলেন বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, শুধু শিক্ষা জীবন পার করলেই চলবে না, আমাদের যেতে হবে সফলতার কাছে। আর সেটা যদি আমরা করতে চাই তাহলে আমাদের জীবনকে ব্যবহার করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহিদুল্লাহ বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ আর এক্ষেত্রে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক এদেশের একটি বিশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মনজুর আহমেদ চৌধুরী বলেন, স্নাতকধারীরা তাদের পড়াশুনা শেষ করেছে এখন দেশের স্বার্থে তাদের অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগাতে হবে।

ইউএপির উপাচার্য জাতীয় অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে ৫টি ক্রমবর্ধমানশীল অর্থনৈতিক দেশের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এই উন্নয়নের হার বাড়ানোর জন্য দক্ষ মানুষের প্রয়োজন। আর এক্ষেত্রে আমি আশা করি ইউএপির শিক্ষার্থীরা ভূমিকা রাখবে। সমাবর্তনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আর কবির।

এছাড়াও সমাবর্তনে একজন স্নাতকধারী মানবকণ্ঠের অ্যাম্বাসেডরকে বলেন, এটি সফল একটি সমাবর্তন। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি সময় ছিল ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবকদের জন্য আনন্দময়। এই অনুষ্ঠানের সাথে জড়িত সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।

মানবকণ্ঠ/এএম




Loading...
ads





Loading...