সাফল্যের দিকে এগোচ্ছে তালেবান


  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৮:২০,  আপডেট: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০০:০২

সফল হতে মরিয়া তালেবান, ধীরে ধীরে খুলছে ‘রুদ্ধ দুয়ার’ জ্বালানি-খাদ্যসহ নিত্যপণ্যের বড় সংকটে রয়েছে আফগানিস্তান- রয়টার্স
এক বছরের বেশি সময় আগে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে তালেবান। তারপর থেকে পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে দেশ শাসন করতে গিয়ে আরও গভীর সংকটে পড়ে তালেবান সরকার। অন্ধকার নেমে আসে সাধারণ আফগানদের জীবনে। তবে এই সংকট মোকাবেলা করে সামনে এগোনোর চেষ্টা করছে তালেবান। এরই মধ্যে সঙ্গী হিসেবে তারা পেয়েছে ইরান, রাশিয়া ও পাকিস্তানকে।

যুদ্ধ-বিধ্বস্ত আফগানিস্তানে তেলজাতীয় পণ্য, গ্যাস এবং গম সরবরাহের জন্য তালেবান সরকারের সঙ্গে একটি অস্থায়ী চুক্তি অনুমোদন করেছে রাশিয়া। বুধবার উভয় পক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

রুশ বার্তা সংস্থা স্পুটনিক আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত জামির কাবুলভকে উদ্ধৃত করে বলেছে যে, তালেবান কর্তৃপক্ষ নথির বিশদ বিবরণ দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর চুক্তিটি নিশ্চিত করা হয়।

কাবুলভ বলেছেন, 'হ্যাঁ চুক্তিটি অস্থায়ীভাবে অনুমোদিত'। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তিনি আর কিছুই বলেননি।

তালেবান নেতৃত্বাধীন আফগানিস্তানের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আখুন্দজাদা আব্দুল সালাম বলেছেন, দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারা গত মাসে মস্কো সফর করেন। সেখানে দু’পক্ষ আলাপ-আলোচনা শেষে আমদানি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। কাবুল এখন আশা করছে রাশিয়া শিগগিরই এটি বাস্তবায়িত করবে।

আফগানিস্তানের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী নুরুদ্দিন আজিজি এই আলোচনার নেতৃত্ব দেন। তিনি বলেছেন যে, চুক্তিটি কাবুলকে রাশিয়া থেকে বার্ষিক দশ লাখ মেট্রিক টন পেট্রল, দশ লাখ টন ডিজেল, পাঁচ লাখ টন তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) এবং বিশ লাখ টন গম কেনার অনুমতি দেবে।

আজিজি বলেন, মস্কো তালেবানকে বিশ্বব্যাপী পণ্যের গড় দামে ছাড় দিয়েছে, যা সড়ক ও রেলপথে আফগানিস্তানে পৌঁছে দেওয়া হবে। তবে তিনি মূল্য বা অর্থপ্রদানের পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছুই বলেননি।

গত জুলাই মাসে, প্রতিবেশী ইরানের সঙ্গে সাড়ে তিন লাখ মেট্রিক টন তেল কেনার জন্য একটি চুক্তি সম্পাদন করে তালেবান। পাশাপাশি, তারা আফগানিস্তানের সঙ্গে দীর্ঘতম সীমান্ত ভাগাভাগি করা প্রতিবেশী রাষ্ট্র পাকিস্তানের সাথেও বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করেছে।

পাকিস্তানি ব্যবসায়ীরা আফগানিস্তান এবং মধ্য এশিয়ার দেশগুলো থেকে আফগান ভূখণ্ডের মাধ্যমে কয়লা আমদানি বাড়িয়েছে। এটি তালেবান সরকারকে দেশ শাসনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় রাজস্ব আদায় করতে সাহায্য করেছে।


poisha bazar