তিন খণ্ড অবস্থায় মিলল নিখোঁজ সাবমেরিন, সব ক্রু নিহত

- ফাইল ছবি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৫ এপ্রিল ২০২১, ২০:৩১,  আপডেট: ০৩ মে ২০২১, ২০:১৫

বালি দ্বীপের উপকুলের নিকটবর্তী সমুদ্রে ৫৩ জন আরোহী নিয়ে নিখোঁজ ইন্দোনেশীয় সাবমেরিনটিকে তিন খণ্ড অবস্থায় সমুদ্রের তলায় পাওয়া গেছে। এছাড়া আরোহীদের সবাই নিশ্চিতভাবে মারা গেছেন।

রোববার (২৫ এপ্রিল) দেশটির সামরিক বাহিনী কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তারা বলেছেন, সাবমেরিনটির কাছ থেকে তারা বার্তা পেয়েছেন এবং এটি সমুদ্রের ৮৫০ মিটার গভীরে ডুবে গেছে।

সিঙ্গাপুরের কাছ থেকে ধার নেওয়া একটি উদ্ধারকারী জাহাজের সাহায্যে ছবি তুলে তারা এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন।

শনিবার সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, জাহাজের কিছু ধ্বংসাবশেষ ও জায়নামাজের মতো কিছু জিনিস উদ্ধার করার পর তারা নিশ্চিত হন যে জাহাজটি ডুবে গেছে।

স্ক্যান থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, সাবমেরিনটি সমুদ্রের ৮৫০ মিটার গভীরে নিমজ্জিত অবস্থায় রয়েছে। সচল অবস্থায় এত গভীরে যাওয়ার সক্ষমতা এই সাবমেরিনের নেই।

কর্মকর্তারা বলছেন, জাহাজটি যখন নিখোঁজ হয়ে যায় তখন তাতে তিনদিনের অক্সিজেন মজুদ ছিল।

ইন্দোনেশিয়ায় নৌবাহিনীর প্রধান ইয়ুডো মারগোনো বলেছেন, যেখান থেকে সাবমেরিনটি নিখোঁজ হয়েছে তার কাছেই এর কিছু অংশ পাওয়া গেছে।

তিনি বলেছেন, স্ক্যান করে দেখা গেছে সাবমেরিনটি সমুদ্রের যতোটা গভীরে চলাচল করতে পারে, তারচেয়ে অনেক এটি গভীরে তলিয়ে গেছে। একারণেই তারা সাবমেরিনটি ডুবে যাওয়ার কথা ঘোষণা করছেন।

কেআরআই নাঙ্গালা ৪০২ নামের এই সাবমেরিনটি বালি দ্বীপের উপকুলের নিকটবর্তী সমুদ্রে একটি মহড়ায় অংশ নিচ্ছিল। বুধবার সকালে টর্পেডো মহড়ার অনুমতি চাওয়ার কিছু ক্ষণ পরই হঠাৎ করে সাবমেরিনটি নিখোঁজ হয়ে যায়।

এরপর সাগরে ব্যাপক অনুসন্ধান তৎপরতা শুরু হয়। কমপক্ষে ৬টি যুদ্ধ জাহাজ, একটি হেলিকপ্টার ও ৪০০ উদ্ধারকর্মী এ অনুসন্ধানে অংশ নেয়। উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয় সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রও।

সাবমেরিনটি জার্মানির তৈরি। ইন্দোনেশিয়ায় ব্যবহৃত প্রথম পাঁচটি সাবমেরিনের একটি হলো এটি। ৭০ এর দশকের শেষের দিকে এটি তৈরি করা হয়েছিল।

মানবকণ্ঠ/এসকে


poisha bazar

ads
ads