• শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  • ই-পেপার
12 12 12 12
দিন ঘন্টা  মিনিট  সেকেন্ড 

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে দেওয়া আইসিজে'র আদেশে কী আছে?


poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৫ জানুয়ারি ২০২০, ১০:৫০,  আপডেট: ২৫ জানুয়ারি ২০২০, ১১:৫৬

রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) চারটি অন্তবর্তীকালীন আদেশ দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) এ রায় দেওয়া হয়। গাম্বিয়ার দায়ের করা এ মামলায় এ রায় দেওয়া হয়। কিন্তু কী আছে আদালতের (আইসিজে) দেওয়া চারটি অন্তবর্তীকালীন আদেশ?

আইসিজে'র আদেশগুলো জনসাধারণের বোঝার সুবিধার্থে ব্যাখ্যা করেছেন বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের আইনি সহযোগিতা দেওয়া "লিগ্যাল অ্যাকশন ওয়ার্ল্ডওয়াইড" (এলএডাব্লিউ) এর কার্যনির্বাহী পরিচালক ও ব্রিটিশ আইনজীবী অ্যান্টনিও মালভি।

এলএডাব্লিউ'র অফিসিয়াল ইউটিউব অ্যাকাউন্ট থেকে বৃহস্পতিবার একটি ভিডিও'তে ইংরেজি, বাংলা ও রোহিঙ্গা ভাষায় তিনি বিষয়টি সহজভাবে ব্যাখ্যা করেছেন।

ভিডিও'তে মালভি বলেন, গতবছর হেগে একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার সূচনা হয় যেখানে আমি উপস্থিত ছিলাম। গাম্বিয়া মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার সংবিধান লঙ্ঘন করার অভিযোগে এই মামলা দায়ের করে। সেখানে আইনজীবীরা মিয়ানমারের রাখাইনরাজ্যে এখনও অবস্থানরত প্রায় ৬ লাখ রোহিঙ্গা নাগরিকদের রক্ষার্থে আন্তর্জাতিক আদালতকে কয়েকটি অনুরোধ করেন। আজ (বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি) আদালত সম্মত হয়েছে যে, মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে অবশ্যই হত্যা ও যৌন সহিংসতা বন্ধ করতে হবে। আদালত মিয়ানমারকে গণহত্যা সংক্রান্ত যেসব সাক্ষ্য প্রমাণ রয়েছে তা ধ্বংস না করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং আদালতকে জানাতে বলেছেন যে তারা কিভাবে এই রায় মান্য করবে?"

তিনি আরও বলেন, এটা রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের জন্য অসাধারণ একটি রায়। এই সিদ্ধান্ত মান্য করা বাধ্যতামূলক অর্থাৎ আইনি ভাষায় বলা হয়েছে যে মিয়ানমারকে তেমনটাই করতে হবে যেমনটা আদালত নির্দেশ দিয়েছেন।

মালভি বলেন, এই মুহূর্তে আপনাদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিস জানা প্রয়োজন। আজকের দিনটা একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ মাত্র। এই মামলা আরও ৫ বছর চলতে পারে। মিয়ানমার গণহত্যা করেছে কিনা সেবিষয়ে বিচারকরা কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। আজ শুধুমাত্র সেই চেষ্টাটাই করা হয়েছে যাতে রোহিঙ্গাদের আর কোনো অত্যাচার না করা হয়। তাই আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে। গাম্বিয়ার আইনজীবীরা এই মামলার দ্বিতীয় পর্যায়ের জন্য কঠোর পরিশ্রম করছেন, যা এবছরের অক্টোবরে শুরু হবে।

মানবকণ্ঠ/এইচকে




Loading...
ads






Loading...