এটুআই সম্পাদিত কফি টেবিল বুক উদ্বোধন


  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১৭ মার্চ ২০২২, ১১:২১

অমর একুশে বইমেলা প্রাঙ্গণে উদ্বোধন করা হয়েছে এটুআই সম্পাদিত কফি টেবিল বুক “দ্য এটুআই জার্নি: মেকিং ডিজিটাল ইনোভেশন ওয়ার্ক ফর দ্য পুওর”। এটুআই এর নানাবিধ উদ্ভাবনী প্রকল্প দ্বারা নাগরিকবান্ধব সেবার ডিজিটাল রুপান্তর ও বিভিন্ন পর্যায়ে উদ্ভাবন চর্চার প্রসারে এটুআই এর অবদান প্রকাশনাটিতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

প্রকাশনাটির উদ্দেশ্য হচ্ছে, জনকল্যাণে উদ্ভাবিত এটুআই এর সকল সেবাগুলোকে তুলে ধরা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দিতে এটুআই সে ভূমিকা পালণ করছে, সে সম্পর্কে সকলকে অবহিত করা। মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে অনলাইনে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলক, এমপি। জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ ও অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি উপাধ্যক্ষ ড. মো. আবদুস শহীদ এমপি; বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান জনাব সাজ্জাদুল হাসান; সাবেক তথ্যসচিব জনাব কামরুন নাহার এবং বাংলা একাডেমি মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রকাশনাটির মোড়ক উন্মোচন করেন।

প্রকাশনাটিকে সাধুবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলছেন, “এটুআই এর উদ্ভাবনগুলোর সৌজন্যে প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ডিজিটাল সেবার উন্নয়ণে সবাইকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে”। এর সাথে যোগ করে ইনফরমেশন ও কমিউনিকেশন টেকনোলজির উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, “সরকারী সেবার উন্নয়ন সাধনের উদ্দেশ্যে এটুআই নতুন নতুন আইডিয়া সৃষ্টি করছে এবং সেগুলোর বাস্তবায়নে টেকনোলজিকে ব্যবহার করছে। এটুআই ছাড়া ডিজিটাল বাংলাদেশ এর স্বপ্ন পূরণ সম্ভব হত না”।

২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এটুআই সরাসরি বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সৃষ্ট এবং পরবর্তীতে আইসিটি ও কেবিনেট ডিভিশন, এবং ইউএনডিপি’র সহযোগিতায় পরিচালিত একটি যুগোপযোগী উদ্যোগ যা দেশের মানুষের ডিজিটাল অধিকার নিশ্চিত করেছে। একই সাথে এটুআই উদ্ভাবিত প্রকল্পগুলোর সাহায্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে সরকারী সেবার প্রতি আস্থা সৃষ্টি হয়েছে। গ্রামীন জনগণের পাশাপাশি নগরবাসীরাও সরকারী সেবা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করেছে এটুআই। প্রকাশনাটিতে রয়েছে মোট ছয়টি অধ্যায়- ডিজিটাল ইকুইটি, ফিউচার অফ এডুকেশন, ডিজিটাল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস, ফিউচার অফ ওয়ার্ক, ডাটা ড্রিভেন পলিসিমেকিং, এবং সাউথ-সাউথ কো-অপারেশন।

বইটির সম্পাদক, আশফাক জামান বর্ণনা করেছেন, কফি টেবিল বুকের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশটি হল এতে নাগরিক অভিজ্ঞতার আলোকে প্রকৃত ঘটনা যোগ করা হয়েছে। বিভিন্ন সময় নির্দিষ্ট কোন সেবা লাভের মাধ্যমে, কিভাবে তাদের সমস্যার সমাধান মিলেছে, সে গল্প বলা আছে। এর মধ্যে রয়েছে- প্রত্যন্ত গ্রামের একজন গর্ভবতী মায়ের কাহিনী যিনি মা টেলিহেলথের মাধ্যমে জীবন রক্ষাকারী তথ্য ও সহযোগিতা পেয়েছেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের একজন মহিলা যিনি ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে ব্যাঙ্কিং সুবিধা পেয়েছেন। আছে তপু নামের একজন কিশোরের কাহিনী, করোনা মহামারীতে কানেক্ট এর সাথে যুক্ত হওয়ার ফলে যায় জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পালটে যায়। এরকম আরো অনেক গল্প যা একটি দ্রুত উন্নয়নশীল ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট বয়ান করে।


poisha bazar