উপন্যাস ‘মেঘপিওন’ নিয়েই ছিলাম

রেশমী রফিক

রেশমী রফিক
রেশমী রফিক

poisha bazar

  • ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৬:০০

লকডাউনের কারণে এই বছরের শুরুতে হাতে সময় ছিল অনেক। ব্যক্তিগত জীবন সামলাতে গিয়ে লেখালেখিতে সময় দেই খুবই কম। প্রতিদিন এক ঘণ্টা হয়তো। তাও সবসময় লেখায় মনোযোগ থাকে না। এবারই ব্যতিক্রম হলো। আন্ডারলাইং হেলথ কন্ডিশনের রোগী হবার কারণে চার দেয়ালের ভেতর একরকম বন্দিজীবন কেটেছে। বাইরের জগত থেকে একদমই বিচ্ছিন্ন ছিলাম। কেবল ভার্চুয়াল জগত আর ফোনকলের মাধ্যমেই সামাজিকতা রক্ষা হয়েছে। একারণে লেখায় মন দিতে পেরেছি প্রচুর। আস্ত একটা উপন্যাসের পাণ্ডুলিপি তৈরি করে ফেলেছি অল্প সময়েই। নাম মেঘপিওন।

পেন্সিলের চতুর্থ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে প্রকাশিত হয়েছে চলতি সেপ্টেম্বরে। লকডাউনের অফুরন্ত সময়ের কারণেই তা সম্ভব হয়েছে। নয়তো বইমেলার আগে কিছুতেই শেষ করতে পারতাম না। পাণ্ডুলিপি জমা দেবার পরেও মেঘপিওনকে ঘিরে কাজ করতে হয়েছে অনেক। গুনে গুনে ছ’বার প্রæফ এডিট করা হয়েছে। এর পেছনে মানসিক অস্থিরতা অনেকাংশে দায়ী। দীর্ঘসময় ধরে চার দেয়ালের ভেতর বন্দি থাকাটা শরীর আর মনে প্রভাব ফেলেছিল। পরিবারেও অস্থিরতা বিরাজ করছিল একই কারণে। মেঘপিওনের কাজ শেষ হয়ে যাবার পরও টেনশন ছিল। বছরের মাঝামাঝিতে আমার বই প্রকাশ হয়েছে এবারই প্রথম।

পাঠকদের সাড়া পাব কি না, এই নিয়ে এক ধরনের শঙ্কা কাজ করছিল মনে। এখন বইমেলার পাণ্ডুুলিপি তৈরিতে মন দিয়েছি। গত দু’বছরে দুটো সমকালীন এবং একটি রোমান্টিক উপন্যাসের পর এবারে ভিন্নধারার কিছু লিখতে চেষ্টা করছি। কতটুকু সফল হব, আদৌ সফল হতে পারব কি না, সেটা সময়ই বলে দেবে। লকডাউন নেই এখন। তাই প্রতিদিনকার স্বাভাবিক ব্যস্ততা শুরু হয়ে গেছে। পেন্সিলের বর্ষপূর্তি নিয়েও কিছুটা ব্যস্ত। যুক্তরাজ্যের অধিবাসীদের নিয়ে ‘পেন্সিল যুক্তরাজ্য’ নিজ দায়িত্বে বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে অনলাইনে। তারই ক্ষুদ্র অংশ হিসেবে কাজ করছি।

এসব কারণে পাণ্ডুলিপি তৈরিতে কিছুটা বিঘœ ঘটলেও সময় কেটে যাচ্ছে বেশ। আশা করি দ্রæতই বইমেলার জন্য পান্ডুলিপির কাজ শেষ করে ফেলতে পারব। এছাড়াও, বইটইতে ই-বুক হিসেবে আমার লেখা উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে এই সেপ্টেম্বরে। সব মিলিয়ে পোস্ট-লকডাউন সময়টা জটিল থেকে জটিলতর। একইসাথে, অনেকগুলো দিক সামলে চলতে হচ্ছে। লকডাউনের সময়কার এতটা অবসর যেমন ছিল না কখনো, তেমনি এতটা ব্যস্ততাও আসেনি এর আগে।

মানবকণ্ঠ/এইচকে





ads







Loading...