কানাডার অটোয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে মুজিবনগর দিবস উদযাপন


  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১৮ এপ্রিল ২০২২, ১৮:০১

১৭ এপ্রিল যথাযোগ্য মর্যাদায় কানাডার অটোয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশন মিলনায়তায়নে মুজিবনগর দিবস উদযাপিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে কানাডার বিভিন্ন প্রদেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতাসহ প্রবাসী বাংলাদেশীরা অংশগ্রহণ করে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় চারনেতাসহ মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে দিবসটি উপলক্ষ্যে ঢাকা থেকে প্রেরিত রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।

পরবর্তীতে এ দিবসের উপর উম্মুক্ত আলোচনার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার দেওয়ান হোসেন আইয়ুব।

ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার দেওয়ান হোসেন আইয়ুব বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, ক্যাপ্টেন এম. এনসুর আলী এবং এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান-এর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। স্বশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ১৭ এপ্রিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। এই দিনের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, এই দিনটি জাতীয়ভাবে উদযাপনের মধ্য দিয়ে আমরা স্মরণ করি জাতির গৌরবোজ্জল ইতিহাস আর জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আগামী প্রজন্মকে বিশেষত: প্রবাসে বসবাসকারী আগামী প্রজন্মকে গড়ে তোলার আহবান জানান।

ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার আরোও বলেন, এই মুজিবনগর সরকার স্বাধীনতা যুদ্ধে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। মূলত মুক্তিযুদ্ধকে আরো বেগবান করা, কূটনৈতিক স্বীকৃতি অর্জন এবং ভারতের সার্বিক সহযোগিতা পাওয়ার বিষয়ে মুজিবনগর সরকারের ভূমিকা ছিল অপরিসীম।

দূতাবাসের কাউন্সিলর অপর্ণা রাণী পাল সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, ১৭ এপ্রিল জাতির জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন। এই দিনে মুজিবনগর সরকার শপথ নিয়েছিল যা পরবর্তীতে স্বাধীনতা সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। এই সরকারের বলিষ্ঠ ভূমিকার কারণে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।

সবশেষে মুজিবনগর দিবস উপলক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তার পরিবার, জাতীয় চারনেতা ও মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী সকল শহিদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।


poisha bazar