স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গাফিলতিতে স্পেন প্রবাসী হামিদকে বিমান বন্দর থেকে ফেরত


  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৬ আগস্ট ২০২১, ১৭:১৪

করোনার সার্টিফিকেট ও পিসিআর টেস্ট থাকার পরেও স্পেন প্রবাসী নেছার উল্লাহ হামিদকে বাংলাদেশ বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ইমিগ্রেশন পুলিশ এ বিষয়ে কিছুই জানে না বলে স্বীকার করেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গাফিলতির কারণে দুর্ভোগ ও হয়রানির শিকার হন বলে দাবি হামিদের।

এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, কাতার এয়ারলাইন্স ,বাংলাদেশ দূতাবাস স্পেন পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়ে দোষারোপ করছেন । নিজ দেশ থেকে ফিরে আসার ঘটনায় ক্ষুব্দ হয়েছেন স্পেন প্রবাসীরা। বিশ আগস্ট কাতার এয়ারলাইন্স বাংলাদেশ বিমানবন্দর গিয়ে হয়রানির শিকার হন প্রবাসী হামিদ। তিনি স্পেনের মাদ্রিদ এর ভিজা বাইকাসে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন। পরিবারের কাছে ছুটি কাটাতে এসে তিনি এ হয়রানির শিকার হন। করোনার সার্টিফিকেট এবং পিসিআর টেস্ট থাকা সত্ত্বেও এ ঘটনায় তিনি হতভম্ব, ক্ষুব্ধ এবং ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। হামিদ বলেন বিমান বাংলাদেশে অবতরণের পরে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

এ সময় তিনি জানান করোনা ভাইরাসে ইতিমধ্যে আক্রান্ত হয়েছেন, তারা শুধুমাত্র একটি টীকা নিলে ডোজ কমপ্লিট বলে নির্দেশনা রয়েছে । স্পেন সরকার যে কারণে করোনার সার্টিফিকেট ইতিমধ্যে প্রদান করেছে।

প্রবাসী নেছারুল্লাহ হামিদ বলেন, বারবার এ বিষয়টিকে তাদেরকে অবহিত করার পরেও ওইখানে কর্মরত কর্মকর্তা কোনো কথায় কর্ণপাত করেননি বরং তারা আমাকে হুমকি দিয়েছেন পুলিশি হয়রানি করার । এক কথায় তাঁকে জোরপূর্বক স্পেনে ফেরত পাঠানো হয়। কাতার এয়ারলাইন্স হামিদ এর ডুকুমেন্টস জব্দ করে মাদ্রিদ ন্যাশনাল পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন ,পুলিশ বিষয়টি জেনে হতবাক হয় এবং তাকে আইনি পরামর্শ দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ছেড়ে দেয়।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস স্পেনের প্রথম সচিব মুতাসিমুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে আমরা অভিযোগ পেয়েছি ও তদন্ত করছি। বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে কথা বলেছি। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ ভ্রমণে গেলে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত নির্দেশনার বিষয়ে দূতাবাসের সাথে কথা বলে যাওয়ার অনুরোধ জানান।

মানবকণ্ঠ/এমএ


poisha bazar

ads
ads