শোক দিবসে ভ্রাম্যমাণ কনস্যুলার সেবা দিল মিলান কনস্যুলেট জেনারেল

শোক দিবসে ভ্রাম্যমাণ কনস্যুলার সেবা দিল মিলান কনস্যুলেট জেনারেল
- প্রতিবেদক

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১৯ আগস্ট ২০২০, ১৫:৪৫,  আপডেট: ১৯ আগস্ট ২০২০, ১৮:৫৩

ইতালির মিলানের তুরিন শহরে জাতির জনকের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও ভ্রাম্যমান কনস্যুলার সেবা দিয়েছে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল। স্থানীয় সময় সকাল ৯:০০ ঘটিকায় স্থানীয় একটি রেস্তোরায় জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি উৎসর্গীকৃত এ ভ্রাম্যমাণ কনস্যুলার সেবা কার্যক্রম শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৬:০০ টা পর্যন্ত চলে।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, মিলানের আয়োজনে এবং তুরিন প্রবাসী বাংলাদেশীদের সহায়তায় মিলান শহর থেকে ১৪৫ কিলোমিটার দূরবর্তী এই শহরে প্রথমবারের মত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে একটি বিশেষ ভ্রাম্যমাণ কনস্যুলার ক্যাম্প ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

তুরিন ও পার্শবর্তী কয়েকটি শহরের প্রায় সাড়ে চারশত প্রবাসী বাংলাদেশী নতুন পাসপোর্ট এনরোলমেন্ট, পাসপোর্ট নবায়ন ও বিভিন্ন প্রকার সার্টিফিকেটসহ সবধরনের কনস্যুলার সেবা গ্রহণ করেন।

আলোচনা পর্বের শুরুতে ছিল জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন, মোনাজাত ও এক মিনিট নীরবতা পালন। এছাড়া এ দিবস উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়। আলোচনায় অংশ নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দসহ বেশ কয়েকজন প্রবাসী জাতির জনকের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তাঁরা ১৫ই আগস্ট কালো রাত্রিতে নির্মম ভাবে নিহত সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক সূচিত উন্নয়ন ধারায় নিজেদের সম্পৃক্ত করে বঙ্গবন্ধুর বহু লালিত স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।

কনসাল জেনারেল ইকবাল আহমেদ তাঁর বক্তব্যের শুরুতে জাতির জনকের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, যেহেতু ইউরোপের একটি মিশনের ব্যবস্থাপনায় এই অনুষ্ঠান টিসংঘটিত হচ্ছে সেহেতু বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর সেই দুর্যোগপূর্ণ বিপন্ন সময়েই উরোপে অবস্থানরত তাঁর দুইকন্যা শেখ রেহানা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর স্বামী ড: ওয়াজেদ মিয়াকে প্রাণ রক্ষার জন্য কতটাঝুকিপূর্ণ ও উদ্বেগময় সময় কাটাতে হয়েছে তা ইউরোপে বসবাসরত বাংলাদেশীদের জানা প্রয়োজন। বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর তাঁর দুইকন্যা ও জামাতার জীবন রক্ষায় ব্রাসেলস ও প্যারিসস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস খুব বেশীআগ্রহী ও উদ্যোগী না হলেও জার্মানীতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী যে অসম সাহসিকতা ও আন্তরিকতায় নিজের চাকুরী ও জীবনকে তুচ্ছ করে তাঁদের জার্মানীতে সবধরনের সহায়তা প্রদান করেন সেসব ঘটনা পরম্পরার অনুপুঙ্খু বর্ণনা দেন। এরপর তিনি ভারতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রবাস জীবনের উপর আলোকপাত করেন।

কনসাল জেনারেল বলেন, একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করেই যে মানুষের সহযোগিতা বা অসযোগিতার মনোভাব পরিস্ফুট হয়ে উঠতে পারে তার একটি বাস্তব রুপ দেখতে পেয়েছেন বঙ্গবন্ধুর দুইকন্যা ও জামাতা। তিনি সকলকে বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শ অধ্যয়ন করার আহবান জানিয়ে নিজ নিজ অবস্থান থেকে রাষ্ট্রের মঙ্গলে আত্মনিয়োগের আহবান জানান। কনসাল জেনারেল তুরিন আওয়ামী লীগ সভাপতি সোহরাব হোসেনকে ক্যাম্প কার্যক্রমে সর্বাত্মক সহায়তা করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

মানবকণ্ঠ/আরএস

 





ads







Loading...