ইতালিতে কঠিন বিপদে পড়েছেন বাংলাদেশিরা

মানবকণ্ঠ

poisha bazar

  • মানবকণ্ঠ ডেস্ক
  • ১০ জুলাই ২০২০, ১০:৫৮

ইতালির সংবাদমাধ্যম এখন বাংলাদেশ নিয়ে গত দুদিন ধরে বেশ সরগরম। বাংলাদেশ এর আগে কখনো এতটা গুরুত্ব পায়নি।

গত ৬ জুন বাংলাদেশ থেকে ২৭৬ যাত্রী নিয়ে যে বিমানটি রোমে অবতরণ করেছিল সেখানে ৩৬ জনের মধ্যে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এরপর বাংলাদেশিদের ইতালিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।

গত বুধবার রোমের ফিউমিসিনো বিমানবন্দরে কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইট থেকে ১২৫ জন বাংলাদেশিকে নামতেই দেয়া হয়নি। তাদের আবারো ফেরত পাঠানো হয়েছে। ইতালির বহুল প্রচারিত ইল মেসেজ্জারো পত্রিকায় বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস পরীক্ষায় দুর্নীতির বিষয়টি তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে টাকার বিনিময়ে করোনা ভাইরাস নেগেটিভ সনদ বিক্রি হয়। বাংলাদেশে কোভিড-১৯ নিয়ে মিথ্যা নেগেটিভ সনদের কারণে ইতালি ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। বাংলাদেশে ভুয়া কোভিড-১৯ সনদের পেছনে প্রতিটি স্তরে দুর্নীতি রয়েছে। সেখানে ৩ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৫ হাজার টাকার মধ্যে কোভিড-১৯-এর ভুয়া সনদ পাওয়া যায়।


ইতালির আরেকটি বহুল প্রচারিত লা রিপাবলিকা পত্রিকায় বলা হয়েছে, ল্যাজিও শহরে ১৪টি নতুন সংক্রমণের কেস শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে নয়টি কেস দেশের বাইরে থেকে এসেছে। এ নয়জনের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশ থেকে এসেছেন।

রোম এয়ারপোর্ট থেকে গত বুধবার ১২৫ জন বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি নিয়ে আরেকটি প্রতিবেদন করেছে লা রিপাবলিকা পত্রিকা।

ইতালিতে বসবাসরত একাধিক বাংলাদেশির সাথে কথা বলে জানা যায়, এসব বিষয় নিয়ে ইতালিতে বসবাসরত বাংলাদেশিরা এক ধরনের অস্বস্তিতে রয়েছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশ থেকে কেউ যাতে ভুয়া টেস্ট রিপোর্ট নিয়ে বিদেশে যেতে না পারে, সেটি সরকার নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে। যেসব প্রতিষ্ঠান ভুয়া টেস্টের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, দুনিয়ার সব দেশেই অপকর্ম হয়। আমাদের দেশে অপকর্ম হলে আমরা এগুলোর শাস্তি দেই। শাস্তি দেই বলেই আমাদের একটা সম্মান আছে।

মানবকণ্ঠ/এইচকে 





ads






Loading...