তাবলিগে কালো তালিকাভুক্ত অর্ধেকই ইন্দোনেশিয়ান ও বাংলাদেশি

'তোরে গাঁজা, বাবা দিয়া ধইরা পুলিশে দিমু’: 'চালচোর' সেই চেয়ারম্যানের হুমকি
- ছবি : সংগৃহীত

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০৪ এপ্রিল ২০২০, ১১:৪৯

মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যেই দিল্লির তাবলিগ জামাতে যোগ দেয়া ৯৬০ জন বিদেশি মুসল্লিকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে ভারত। তাদের অর্ধেকই বাংলাদেশি ও ইন্দোনেশিয়ান বলে জানা গেছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৬৭ দেশের ওই ৯৬০ জনের ভারতীয় ভিসা বাতিল করা হয়েছে। তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর পাশাপাশি আইনিব্যবস্থা নেয়া হবে। ভবিষ্যতে তাবলিগ জামাতে অংশগ্রহণ করতে চেয়ে ভিসার আবেদন করলে তাদের আর ভিসা দেয়া হবে না বলেও জানানো হয়েছে।

কালো তালিকাভুক্তদের এক তৃতীয়াংশই ইন্দোনেশিয়ার। এরপরই যথাক্রমে বাংলাদেশ, মাালয়েশিয়া ও কিরগিস্তানের তাবলিগে যোগ দেয়া মুসল্লিরা আছেন ওই তালিকায়।

এ তালিকায় সবচেয়ে বেশি ৩৯৭ জন ইন্দোনেশিয়ার, এরপর ১১০ জন বাংলাদেশি, ৭৭ জন কিরগিস্তানের, ৭৫ জন মাালয়েশিয়ার, ৬৫ জন থাইল্যান্ডের ও ৬৩ জন মিয়ানমারের, শ্রীলংকার ৩৩ জন, ইরানে ২৪ জন, ভিয়েটনামের ১২ জন, ফিলিপাইনের ১০ জন, কাজাকিস্তানের ১৪ জন,চীনের ৯ জন, যুক্তরাজ্যর ৯ জন, ফ্রান্সের ৩ জন, তাঞ্জানিয়ার ৮ জন, আলজেরিয়ার ৭ জন, দক্ষিণ আফ্রিকার ৪ জন, যুক্তরাষ্ট্রের ৪ জন এবং তিনজন ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর নাগরিক আছেন।

মন্ত্রণালয় সূত্রের বরাতে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকা জানিয়েছে, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, মাালয়েশিয়া, কিরগিস্তান, চীন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশের প্রায় ২ হাজার বিদেশি মুসল্লি যোগ দিয়েছিলেন তাবলিগ জামাতে।

সেসব প্রতিনিধি এবং তাদের সংস্পর্শে আসা মিলিয়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ৫৫০ জনের কোভিড-১৯ পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এর মধ্যে ৯টি দেশের তালো তালিকাভুক্ত ৪০০ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

এর মধ্যে করোনাভাইরাসের উৎপত্তিস্থল হিসেবে চিহ্নিত চীন থেকে আসা ৬ জনের দেহেও এ ভাইরাস পাওয়া গেছে। আরও অনেকে ভর্তি দিল্লিসহ দেশের ২৩টি রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে। কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন আরও অনেকে। ফলে এই আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। সুস্থ হযে উঠলে তাদের কোয়ারেন্টিন সেন্টার থেকে ডিটেনশন সেন্টারে পাঠানো হবে।

কালো তালিকাভুক্তদের তালিকা সংশ্লিষ্ট দেশে পাঠানোর জন্য এবং ভারত সরকারের সিদ্ধান্ত তাদের জানানোর জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। কীভাবে তাদের ফেরত নেবে সংশ্লিষ্ট দেশ, সে বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আলোচনা চালাচ্ছে।

মানবকণ্ঠ/আরবি




Loading...
ads






Loading...