ইতালিতে ১৫ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত 

মানবকণ্ঠ
ছবি - সংগৃহীত।

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১২ মার্চ ২০২০, ১১:২০

ইতালিতে করোনা ভাইরাসে ১৫ বাংলাদেশি আক্রান্ত হয়েছেন। ইতালির নাগরিকদের পাশাপাশি বাংলাদেশিরাও সেখানে করোনা আতঙ্কে আছেন। এছাড়া দুশ্চিন্তায় আছেন ইতালি প্রবাসীদের বাংলাদেশে বসবাসরত স্বজনেরা।

ইতোমধ্যে ইতালিকে রেড জোন ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটিতে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা। মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার রাত পর্যন্ত মারা গেছেন ১৯৬ জন। এ নিয়ে ইতালিতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮২৭ জনে। মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৪৬২ জনে।

করোনাভাইরাসের জেরে দেশতির রাজধানীর রোমসহ পুরো দেশে সন্ধ্যা ৬ টার পর থেকে পানশালা, ক্যাফেটেরিয়া, রেস্টুরেন্টসহ সব দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। ভাইরাস মোকাবিলায় ২ হাজার ৫শ' কোটি ইউরো বরাদ্দ ঘোষণা করেছে সরকার।

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়ছেই। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে ৪৬৩৩ জনের প্রাণ কেড়েছে করোনা। বুধবার প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসকে বৈশ্বিক মহামারি ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসে মৃত্যুর হার সম্পর্কে অনেকগুলো পরিসংখ্যান বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। বিভিন্ন পরিসংখ্যানবিদদের মধ্যে চিকিৎসা বিজ্ঞানী ক্রিস হুইটি মনে করেন, করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুর হার এক শতাংশেরও কম।

তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ডা. টেড্রস আধানম গেব্রেইয়েসুস অবশ্য মৃত্যুর হার আরও বেশি বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুর হার ৩.৪ শতাংশ।

মৃত্যুর এ হার করোনায় আক্রান্ত যে রোগীদের শনাক্ত করা হয়েছে শুধু সেই সংখ্যার ওপর নির্ধারিত। হাসপাতালে যাননি কিংবা শনাক্ত হননি করোনায় আক্রান্ত এমন অনেকেও রয়েছে। ফলে আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুর হার ৩.৪ শতাংশের কম হওয়াই যুক্তিযুক্ত।

পরিসংখ্যানে প্রকাশ, করোনায় মৃতদের মধ্যে বয়স্কদের সংখ্যা বেশি। তরুণদের ঝুঁকি বা মৃত্যুর হার কম। বয়স্ক ব্যক্তিরা ছাড়াও যারা করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসাকাজে সঙ্গে জড়িত তাদের ঝুঁকিও বেশি।

করোনার কোনো প্রতিকার আছে?

বিশ্বে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া এ ভাইরাসের এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিকার খুঁজে পাওয়া যায়নি। চীনের কিছু রোগীর উপর ভাইরাসের বিরুদ্ধে ওষুধ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য দেশেও নতুন করে পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। তবে কয়েকজনের উপর পরীক্ষা চালিয়ে এটি সম্ভব নয়। বিশাল সংখ্যক মানুষের উপর পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

আশা করা হচ্ছে মার্চ মাসের শেষের দিকে করোনা প্রতিরোধে গবেষণায় সাফল্য আসতে পারে।

মানবকণ্ঠ/এইচকে




Loading...
ads






Loading...