ইরানের একটি সোনার খনিতে উৎপাদন বেড়েছে ১৬ ভাগ

ইরানের একটি বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ সোনার খনি থেকে চলতি বছরে শতকরা ১৬ ভাগ উৎপাদন বেড়েছে।  ইরান সরকারের ধাতু এবং খনি বিষয়ক কোম্পানি আইএমআইডিআর এক রিপোর্টে জানিয়েছে, মধ্যাঞ্চলীয় ইস্পাহান প্রদেশের মাউতে খনি থেকে গত ছয় মাসে ১৬২ কেজি সোনা উত্তোলন করা হয়েছে। এ সময়ে ওই খনি থেকে ১৪০ কেজি সোনা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল।  কোম্পানির প্রধান আলী রেজা তালারি জানান, মাউতে খনি থেকে চলতি বছরে ৩০০ কেজি স্বর্ণ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। আগামী ২১ মার্চ চলতি ফার্সি বছর শেষ হবে।  করোনাভাইরাসের মহামারী মোকাবেলার মুখে বিশ্বব্যাপী যখন স্বর্ণ উৎপাদনের পরিমাণ কমেছে তখন ইরানের গুরুত্বপূর্ণ এই খনি থেকে সোনার উৎপাদন বেড়েছে।  সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরানের ধাতু ও খনি সেক্টরে কর্ম তৎপরতা বেড়েছে। মার্কিন সরকারের বর্বর ও নিষ্ঠুর নিষেধাজ্ঞা মোকাবেলায় ইরান অভ্যন্তরীণভাবে তাদের সক্ষমতার জোরদার করার চেষ্টা করছে। ইরানে ৪৪০ মেট্রিক টন সোনা রিজার্ভ রয়েছে। দেশটিতে সক্রিয় সোনার খনির সংখ্যা সাতটি।  সূত্র : পার্সটুডে।  মানবকণ্ঠ/এইচকে
- ছবি : সংগৃহীত

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০৭ অক্টোবর ২০২০, ১৭:৪৫

ইরানের একটি বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ সোনার খনি থেকে চলতি বছরে শতকরা ১৬ ভাগ উৎপাদন বেড়েছে।

ইরান সরকারের ধাতু এবং খনি বিষয়ক কোম্পানি আইএমআইডিআর এক রিপোর্টে জানিয়েছে, মধ্যাঞ্চলীয় ইস্পাহান প্রদেশের মাউতে খনি থেকে গত ছয় মাসে ১৬২ কেজি সোনা উত্তোলন করা হয়েছে। এ সময়ে ওই খনি থেকে ১৪০ কেজি সোনা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল।

কোম্পানির প্রধান আলী রেজা তালারি জানান, মাউতে খনি থেকে চলতি বছরে ৩০০ কেজি স্বর্ণ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। আগামী ২১ মার্চ চলতি ফার্সি বছর শেষ হবে।

করোনাভাইরাসের মহামারী মোকাবেলার মুখে বিশ্বব্যাপী যখন স্বর্ণ উৎপাদনের পরিমাণ কমেছে তখন ইরানের গুরুত্বপূর্ণ এই খনি থেকে সোনার উৎপাদন বেড়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরানের ধাতু ও খনি সেক্টরে কর্ম তৎপরতা বেড়েছে। মার্কিন সরকারের বর্বর ও নিষ্ঠুর নিষেধাজ্ঞা মোকাবেলায় ইরান অভ্যন্তরীণভাবে তাদের সক্ষমতার জোরদার করার চেষ্টা করছে। ইরানে ৪৪০ মেট্রিক টন সোনা রিজার্ভ রয়েছে। দেশটিতে সক্রিয় সোনার খনির সংখ্যা সাতটি।

সূত্র : পার্সটুডে।

মানবকণ্ঠ/এইচকে





ads