• বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  • ই-পেপার
12 12 12 12
দিন ঘন্টা  মিনিট  সেকেন্ড 

বেজোসের অ্যাকাউন্ট হ্যাকের অভিযোগ অস্বীকার সৌদির

বেজোসের অ্যাকাউন্ট হ্যাকের অভিযোগ অস্বীকার সৌদির
বেজোসের অ্যাকাউন্ট হ্যাকের অভিযোগ অস্বীকার সৌদির - ফাইল ছবি।

poisha bazar

  • মানবকণ্ঠ ডেস্ক
  • ২৩ জানুয়ারি ২০২০, ১৬:৩৪

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ই-কমার্স সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান অ্যামাজন ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জেফ বেজোসের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে সৌদি আরব।

ওয়াশিংটনে নিযুক্ত সৌদি দূতাবাসের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, সংবাদমাধ্যমে আসা এমন খবর আসলে ভিত্তিহীন। ২০১৮ সালের মার্চ মাসে ওয়াশিংটন পোস্টের মালিক অ্যামাজনের জেফ বেজোসের মোবাইল ফোন হ্যাকিংয়ের অভিযোগ উঠেছিল।

তার ফোন থেকে হ্যাকাররা বিবাহবহিভূত সম্পর্কের গোপন ছবি ও তথ্য চুরি করে তা প্রকাশের জন্য ন্যাশনাল এনকোয়ারার নামে একটি মার্কিন ম্যাগাজিনের হাতে তুলে দেয়া হয়। সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, সৌদি যুবরাজের ফোন থেকেই ওই হ্যাক করা হয়।

এই প্রতিবেদনের জবাবে সৌদি দূতাবাসের পক্ষ থেকে এক টুইটে বলা হয়, ‘জেফ বেজোসের ফোন হ্যাকিংয়ে পেছনে সৌদি আরব জড়িত ছিল এমন দাবি করে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো আসলে ভিত্তিহীন। আমরা এই দাবির প্রেক্ষিতে তদন্ত চাই যেন সবকিছুই প্রকাশ পায়।

গত মার্চে বেজোসের নিরাপত্তা প্রধান গেভিন ডে বেকার জানিয়েছিলেন, আমাদের তদন্তকারী ও বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত যে, সৌদি আরব থেকে বেজোসের ফোন হ্যাক করা হয়েছে এবং ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করা হয়েছে। তবে তখন তিনি কোনো ব্যক্তি বা সংস্থার নাম প্রকাশ করেননি।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ই-কমার্স সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান আমাজন ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জেফ বেজোসের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার অভিযোগ উঠেছিল সৌদি আরবের বিরুদ্ধে। জানা গেল, সৌদি যুবরাজের মোহাম্মদ বিন সালমানের ব্যক্তিগত ফোন থেকেই ওই হ্যাক করা হয়। বেজোসের ফোনের ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষায়ও তার প্রমাণ মিলেছে।

বুধবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নিজস্ব হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট থেকে একটি এনক্রিপ্টেড ভিডিও ফাইল পাঠানো হয়েছিল জেফ বেজোসের অ্যাকাউন্টে।

রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বেজোসের ফোন থেকে যাবতীয় তথ্য হাতিয়ে নেয়া হয়। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দুই ধনী ব্যক্তি যুবরাজ ও বেজোসের মধ্যে মূলত বন্ধুত্বপূর্ণ বার্তা আদান-প্রদান ছিল। ২০১৮ সালের ১ মে একই ধরনের বার্তা তারা হোয়াটসঅ্যাপে আদান-প্রদান করেন।

তবে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, ওই ফাইলটি ছিল অযাচিত। এরপর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বেজোসের মোবাইল ফোন থেকে বিপুল পরিমাণ তথ্য চুরি হয়ে যায়। বেজোসের ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষাতেই ফোন হ্যাকিংয়ের এই প্রমাণ উঠে আসে।

তবে ঠিক কোন ধরনের তথ্য নেয়া হয়েছে এবং কীভাবে সেগুলো অপরপক্ষ পরবর্তীতে ব্যবহার করেছে সে ব্যাপারে কোনো নিশ্চিত তথ্য দিতে পারেনি গার্ডিয়ান।

মানবকণ্ঠ/এআইএস




Loading...
ads






Loading...