সৌদি ও ইরানকে আলোচনায় বসার প্রস্তাব ইমরানের

মানবকণ্ঠ
ছবি - সংগৃহীত।

poisha bazar

  • মানবকণ্ঠ ডেস্ক
  • ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ১২:৩০

সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা কমিয়ে আনতে দেশ দুটিকে সরাসরি আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। সৌদি আরব এবং ইরানকে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে মুখোমুখি বৈঠকে বসার ব্যবস্থা করতেও আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। রোববার তেহরান সফরে ইমরান খান ইরানি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকের সময় সৌদি আরবের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব দেন বলে এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানিয়েছে। সৌদি-ইরান শান্তি আলোচনা ইস্যুতে সম্পৃক্ত পাকিস্তানের এমন দু’জন সরকারি কর্মকর্তার বরাতে এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানায়, সৌদি আরব এবং ইরান দুই মুসলিম দেশের মধ্যে কোনো রকমের সংঘাত থাকুক পাকিস্তান তা চায় না।

তেহরান এবং রিয়াদের মধ্যে চলমান সামরিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনা নিরসনে শুধুমাত্র সংলাপে মধ্যস্থতা নয় বরং সৌদি আরব এবং ইরানকে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে মুখোমুখি বৈঠকে বসার ব্যবস্থা করতেও প্রস্তুত রয়েছে। গত রোববার পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি, বিশেষ উপদেষ্টা জুলফিকার বোখারি এবং আন্তঃবাহিনী গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফাইয়াজ হামিদও ইরান সফর করেন। ইমরান খানের সরাসরি আলোচনায় বসার প্রস্তাবের পর কিছু শর্তসাপেক্ষে ইরান এ ধরনের বৈঠকের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলেও জানান ওই দুই কর্মকর্তা। বৈঠক শেষে ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি ও ইমরান খান যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে হাসান রুহানি বলেন, যে কোনো সদিচ্ছাকে ইরান স্বাগত জানায়।

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে বৈঠকে আমরা একমত হয়েছি যে, আঞ্চলিক ইস্যুগুলো কূটনীতি এবং সংলাপের মাধ্যমে সমাধান হওয়া উচিত। একই প্রস্তাব নিয়ে মঙ্গলবার সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গেও রিয়াদে বৈঠক করেন ইমরান খান। সেখানে তিনি একই প্রস্তাব দেন বলে পাকিস্তানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। ২০১৫ সালে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ইয়েমেনে হামলা চালালে তেহরান ও রিয়াদের উত্তেজনা শুরু হয়। সেপ্টেম্বরে সৌদি আরবের তেল ক্ষেত্রে হামলার পর দুই দেশের উত্তেজনা তুঙ্গে ওঠে। ওই মাসে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের পার্শ্ববৈঠকে ইরান-সৌদি বিরোধ নিরসনে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।

মানবকণ্ঠ/জেএস




Loading...
ads





Loading...