ভারতে বন্যায় ১৩ জনের মৃত্যু


  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২১:১০

ভারতের উত্তর প্রদেশে টানা প্রবল বর্ষণে আকস্মিক বন্যা ও বৃষ্টিজনিত দুর্ঘটনায় অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়াও আহত হয়েছেন ১১ জন। রাতভর ভারি বৃষ্টিপাতে তলিয়ে গেছে রাজধানী নয়াদিল্লি ও গুরুগ্রাম। এতে শহরের প্রধান সড়কগুলোতে তৈরি হয়েছে জলাবদ্ধতা। বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে শহর দুটির সব স্কুল ও কলেজ। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় সতর্কতা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। খবর এনডিটিভির।

সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়, রাতভর প্রবল বর্ষণে ডুবে গেছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। পানির নিচে শহরের অধিকাংশ রাস্তাঘাট ও এলাকা। জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে শহরের প্রধান সড়কগুলোতেও। এতে ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচল। ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ।

রাজধানী নয়াদিল্লির একজন বাসিন্দা বলেন, ‘কয়েক দিন ধরেই এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হচ্ছে। রাস্তায় জলাবদ্ধতার কারণে বাইক চালাতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে আমাদের। পাশাপাশি যানজট তো রয়েছেই।’

ভারতের আবহাওয়া দপ্তর জানায়, বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় বিকেল থেকে শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোর পর্যন্ত রাজধানীতে প্রায় ৪১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় রাজধানীতে মাঝারি সতর্কতা জারি করেছে দেশটির আবহাওয়া বিভাগ।

ভারি বৃষ্টিপাতের খবর পাওয়া গেছে পার্শ্ববর্তী গুরুগ্রামেও। বৃহস্পতিবার শহরটিতে ৫৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে রাজধানী নয়াদিল্লি, ও গুরুগ্রামে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এ ছাড়াও ঘরে বসে কাজ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে গুরুগ্রামের বেসরকারি ও করপোরেট অফিসগুলোকে।

গুরুগ্রামের একজন বাসিন্দা বলেন, এখানকার অবস্থা খুবই খারাপ। প্রতিটি অলিগলিতে পানি জমে গেছে। হাইওয়ে গুলোতেও জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। একবার ভাবুন, অন্যান্য রাস্তাঘাটের অবস্থা কী হতে পারে।

প্রবল ঝড় অব্যাহত রয়েছে উত্তরাঞ্চলীয় আরেক শহর নয়ড়াসহ গোটা উত্তর প্রদেশে। রাজ্যটিতে বৃষ্টিজনিত দুর্ঘটনায় এরই মধ্যে বেশ কয়েকজনের হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। এদের অধিকাংশই বজ্রপাত ও দেয়ালধসে হতাহতের শিকার হন বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম।

মানবকণ্ঠ/এমআই


poisha bazar