ভারতে করোনায় মৃত্যু ছাড়াল ২০০০, আক্রান্ত বেড়ে ৬২,৯৩৯

ভারতে করোনায় মৃত্যু ছাড়াল ২০০০
ভারতে করোনায় মৃত্যু ছাড়াল ২০০০ - ফাইল ছবি

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১০ মে ২০২০, ১১:২৮

চীনের উহান থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) প্রতিদিন মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছেই। আক্রান্তের সংখ্যা ইতোমধ্যে ৪১ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। আর এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ২ লাখ ৮০ হাজার ৪৪৩ জন। করোনার মহামারি থেকে রক্ষা পায়নি ভারতও। দেশটিতে মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ছাড়েয়ে গেছে। দেশটিতে শনিবার একদিনেই ১২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৭৭ জন।

ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় জানিয়েছে, করোনাভাইরাসে দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট ২১০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬২ হাজার ৯৩৯ জন। তবে আক্রান্তের মধ্যে ১৯ হাজার ৩৫৮ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। অ্যাক্টিভ কেস রয়েছে ১৯ হাজার ৩৫৮ টি।

তবে দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন, এখনো পর্যন্ত চরম খারাপ অবস্থার মুখোমুখি হয়নি ভারত। তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশে যে চরম খারাপ অবস্থা দেখা গিয়েছে, তেমন পরিস্থিতি এখনো দেখেনি ভারত। তবুও আমাদের সেই খারাপ অবস্থার জন্য প্রস্তুত হতে হবে। তবে ভারতের করোনা পরিস্থিতি ক্রমশ ঠিক হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

অন্যদিকে হু জানিয়েছে, ভারত করোনায় আক্রান্ত হওয়ার কারণে জুলাই-শেষের দিকে করোনা সংক্রমণ শীর্ষে পৌঁছাবে। জুলাইয়ের শেষে হবে সর্বোচ্চ সংক্রমণ। এরপরই ভারত আসতে আসতে করোনা মুক্ত হবে বা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার করোনা মোকাবিলা টিমের বিশেষ সদস্য ডাঃ ডেভিড ন্যাবারো।

ভারতে সংক্রমণের দিক থেকে সবার উপড়ে রয়েছে মহারাষ্ট্র। সেখানে মৃতের সংখ্যাও বেশি। এরপরেই এই তালিকায় রয়েছে গুজরাত। ৩ নম্বরে রয়েছে দিল্লি।

দেশটিতে এই মুহূর্তে চলছে তৃতীয় দফার লকডাউন। আগের দুই দফার মতো কড়াকড়ি থাকছে না লকডাউনের তৃতীয় দফায়। গ্রিন জোনে কিছু বাদে সব ধরণের পরিষেবাই চালু রয়েছে। বাস চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ৫০ শতাংশ যাত্রী নিতে পারবে বাসগুলি। এছাড়া গ্রিন জোনে ই-কমার্স সংস্থাগুলি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ছাড়াও অন্যান্য দ্রব্য সরবরাহ করতে পারবে।

এছাড়া রেড জোনে চালু প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া, আইটি ও অনুসারি পরিষেবা, ডেটা ও কলসেন্টার, হিমঘর, ওয়্যারহাউজ। টেলিফোন ও ইন্টারনেট পরিষেবা। জল, বিদ্যুৎ, সাফাই কর্মী পরিষেবা চালু থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চালু থাকবে ক্যুরিয়র ও ডাক পরিষেবা। অত্যাবশ্যকীয় পণ্য পরিষেবা আগের মতোই চালু রাখার সিদ্ধান্ত।

মানবকণ্ঠ/এসকে




Loading...
ads






Loading...