বাংলাদেশ পুরোপুরি ঋণগ্রস্ত হয়ে গেছে: ফখরুল


  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৬ মে ২০২২, ১৫:৩৫,  আপডেট: ২৬ মে ২০২২, ১৫:৪৪

পদ্মা সেতু প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, পদ্মা সেতু হচ্ছে বলে আমাদের গায়ের জ্বালা নয়, পদ্মা সেতু থেকে হাজার-হাজার কোটি টাকা লুট করে তারা বিদেশে পাচার করছে, এখানে আমাদের গায়ের জ্বালা। কারণ এই টাকাগুলো আমাদের। বাংলাদেশ পুরোপুরি ঋণগ্রস্ত হয়ে গেছে। এই সরকার আমাদের একেবারে ঋণের গভীরে নিয়ে গেছে। আমরা চাকচিক্য দেখে বুঝতে পারছি না।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। ‘কালজয়ী রাষ্ট্রনায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম’ শীর্ষক একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন উপলক্ষে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে জিয়া পরিষদ।

মির্জা ফখরুল বলেন, এই সরকারের লক্ষ্য লুট, দুর্নীতি। এদের লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশকে লুটে বিদেশে প্রচার করা। তাই এদের যদি প্রতিরোধ করতে না পারি, জাতি-রাষ্ট্রের অস্তিত্ব রক্ষা করতে পারব না।

তিনি আরও বলেন, পদ্মা সেতু তো কারও পৈত্রিক সম্পত্তি দিয়ে তৈরি করা হয়নি। এই দেশের মানুষের পকেটের টাকা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। সমস্যাটা কোথায়? যেটা ১০ হাজার কোটি দিয়ে তৈরি হওয়ার কথা, সেটা লাগল ৩০ হাজার কোটি টাকা।

মেট্রোরেলে এত ঘন ঘন স্টেশন পৃথিবীর কোথাও নেই বলে মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি  বলেন,  আপনারা নিশ্চই মেট্রোরেল দেখেছেন, কিছুক্ষণ পর পর স্টেশন। যার কোনও প্রয়োজন নেই। আগারগাঁওয়ে একটা, আবার শেওড়াপাড়ায় একটা। এরপর সংসদ ভবন, আবার ফার্মগেটে একটা। এত ঘন ঘন স্টেশন পৃথিবীর কোথাও নেই। এতো স্টেশনের কারণ কী? 

সব মেগা প্রজেক্ট থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট হচ্ছে বলেও দাবি করেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি আরও বলেন, জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে এই ফ্যাসিবাদী সরকারকে, যারা আমাদের বুকের ওপর চেপে বসে আছে, তাদের সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যারা জনগণের জন্য কাজ করবে।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা অনেকে জিয়াউর রহমান সম্পর্কে জানেন না। বই পড়তে হবে, তার সম্পর্কে জানতে হবে।

জিয়াউর রহমান বেশিদিন বেচেঁ থাকুক, এটা বিদেশিরাও চায়নি উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, কারণ, তিনি পরনির্ভরশীলতা থেকে বেরিয়ে আসতে চেয়েছিলেন। এই কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এর পেছেনে বিদেশিদের হাত ছিল।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জিয়াপরিষদের চেয়ারম্যান ডা. মো আব্দুল কুদ্দুস, প্রফেসর মাহবুব উল্লাহ প্রমুখ।

মানবকণ্ঠ/এআই


poisha bazar