বাংলা ও বাঙালির কথা বলে আওয়ামী লীগ: এস এম কামাল হোসেন


  • সাইফুল ইসলাম
  • ২১ জুন ২০২১, ১৮:৫৯,  আপডেট: ২১ জুন ২০২১, ১৯:০২

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর তিনি আওয়ামী লীগকে উজ্জেবিত করেছে। বাংলাদেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বা আওয়ামী লীগ কোনো দেশের দালালী করে না। আওয়ামী লীগ হচ্ছে বাংলা ও বাঙালির কথা বলে। মূল নেতা হচ্ছে বঙ্গবন্ধু আর আজকের মূল নেতা হচ্ছে শেখ হাসিনা। তিনি আওয়ামী লীগকে ঢেলে সাজিয়েছেন। আওয়ামী লীগের নিজস্ব অফিস আছে এটার কৃতিত্ব শেখ হাসিনা। জেলা জেলায় আওয়ামী লীগের অফিস আছে এটার কৃতিত্ব শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবাষির্কী উপলক্ষে মানবকণ্ঠের একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আজকের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়। মওলানা ভাষানীকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সামশুল হক এবং সেই দিনের তরুণ কারাবন্দি নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দায়িত্ব দেয়া হয়। তখন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য ছিল অসম্প্রদায়িক চিন্তা চেতনাকে ধারণ করে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের দাবি আদায়। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে কৌশলগত কারণে মুসলিম নাম দিলেও ১৯৫৫ সালে গিয়ে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের সম্মেলনে মুসলিম শব্দটি বাদ দিয়ে নাম রাখে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ। সকল ধর্মের মানুষ যাতে এই পতাকার তলের আসতে পারে তার জন্য এই পরিবর্তন করা হয়।

এস এম কামাল হোসেন আরও বলেন, পাকিস্তান আন্দোলনের প্রতিটি নেতৃত্ব দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু। আওয়ামী লীগকে মানুষ আস্তার জায়গা, বিশ্বাসের জায়গা হিসেবে গ্রহণ করেছে। যার মূল কারণ সেই আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন বঙ্গন্ধু। তিনি মানুষের ভাষা বুঝতেন। পূর্বপাকিস্তানের জনগণের সাথে আত্মার সর্ম্পক হয়ে যায় বঙ্গবন্ধুর। ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন- আজ থেকে পূর্ব পাকিস্তানে নাম হবে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বলেন, বঙ্গবন্ধু দেশ গড়ার কাজে নিজেকে যখন নিয়োগ করলেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর, প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশ গড়ার কাজে হাত দিলেন তখন অতিবিপ্লবীরা এবং মুসলিম লীগ, একাত্তরের পরাজিত জামায়াতরা বিভিন্ন নামে ভিন্ন দলের নামে বাংলাদেশে অরাজকতা সৃষ্টি করলো। ঈদের জামায়াতে আওয়ামী লীগের এমপিকে খুন করা হয়। রেললাইন উপরে ফেলেন, পাটের গুদামে আগুন দেন। বঙ্গবন্ধুর সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য স্বাধীনতাকে অর্থহীন করার জন্য এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ষড়যন্ত্র শুরু করে। তখন বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে সকল শক্তির নিয়ে একটি জাতীয় প্লাটফর্ম করেছিলেন। যার নাম ছিল বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ। তখন আওয়ামী লীগের আভ্যন্তরীন দ্বন্দ্ব ছিল আবার ত্যাগী নেতাও ছিল। বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর তিনি আওয়ামী লীগকে উজ্জিবীত করেছে। বাংলাদেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বা আওয়ামী লীগ কোনো দেশের দালালী করে না। আওয়ামী লীগ হচ্ছে বাংলা ও বাঙালীর কথা বলে। মূল নেতা হচ্ছে বঙ্গবন্ধু আর আজকের মূল নেতা হচ্ছে শেখ হাসিনা। তিনি আওয়ামী লীগকে ঢেলে সাজিয়েছেন। আওয়ামী লীগের নিজস্ব অফিস আছে এটার কৃতিত্ব শেখ হাসিনা। জেলা জেলায় আওয়ামী লীগের অফিস আছে এটার কৃতিত্ব শেখ হাসিনা।

মানবকণ্ঠ/এসকে


poisha bazar

ads
ads