৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

আ.লীগের বয়সের সঙ্গে বেড়েছে জনপ্রত্যাশা

আলোচনা সভায় অংশ নিবেন শেখ হাসিনা


  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২৩ জুন ২০২২, ১১:৪৫

দেশের প্রাচীনতম দল আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ ২৩ জুন। বিশেষ করে ‘আন্দোলন, সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ, উন্নয়ন, ডিজিটাল, তারুণ্য ও ঐতিহ্য’-এই সব কটির সমন্বয়ের এক নাম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। বাংলাদেশের ইতিহাস আর আওয়ামী লীগের বিকাশ একই সুতায় গাঁথা। দেশের প্রতিটি সংগ্রাম আর অর্জনের পেছনে জড়িয়ে আছে দলটির নাম। দীর্ঘ ঐতিহ্যকে ধারণ ও লালন করে ধাপে ধাপে বদলে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। দুঃসময়ের নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন, তরুণ ও মেধাবীদের সুপথের রাজনীতিতে উদ্বুদ্ধ করা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, জঙ্গি নির্মূল, স্বাধীনতাবিরোধীদের বিচার কাজ সম্পন্ন করা, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাপ্য মর্যাদা, দেশ ও জনগণের ভাগ্যের আমূল পরিবর্তন এবং বিশ্ব দরবারে দেশের ভাবমূর্তি উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রাচীন এই রাজনৈতিক দলটি। পদ্মা সেতু নির্মাণের মধ্যদিয়ে আরেকটি শব্দ যুক্ত হলো ‘স্বনির্ভরতা’। প্রবীণ এই রাজনৈতিক দলটির কাছে জনপ্রত্যাশাও বেড়েছে।

১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ কালের বিবর্তনে এখন অনেক বদলে গেছে। সে সময় দলের নেতাদের বাসায় বসে দল পরিচালনার নীতি-কর্মসূচি গ্রহণ করা হতো। কোনো অফিস ছিল না। আর এখন ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ১০তলা অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন বহুতল ভবনে দলের কেন্দ্রীয় অফিস। সেখানে রয়েছে-কনফারেন্স হল, সেমিনার রুম, ডিজিটাল লাইব্রেরি, ভিআইপি লাউঞ্জ, ক্যান্টিন, সাংবাদিক লাউঞ্জ ও ডরমিটরি। আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের জন্য বড় পরিসরের পৃথক কক্ষ, সঙ্গে ব্যালকনিও রয়েছে। ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা এই ভবন উদ্বোধন করেন। শুধু কেন্দ্র নয়, বিভিন্ন জেলা, মহানগর ও উপজেলা পর্যায়েও দলের টাকায় তৈরি করা হয়েছে আধুনিক ভবন।

বর্তমান আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধসহ প্রতিটি গণতান্ত্রিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে এদেশের গণমানুষের সংগঠনে পরিণত হয়েছে। ’৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ’৫৪ সালে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন যুক্ত ফ্রন্টের কাছে মুসলিম লীগের শোচনীয় পরাজয়, আইয়ুব খানের এক দশকের স্বৈরশাসনবিরোধী আন্দোলন, ’৬২ ও ’৬৪-এর শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৬-এর ঐতিহাসিক ৬ দফা আন্দোলন, ’৬৮-এর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ৬ দফাভিত্তিক ’৭০-এর নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয়, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণ এবং ২৬ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্যদিয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাঙালি জাতি স্বাধীন জাতি-রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জš§। 

বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর ১৯৮১ সালের ১৭ মে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসেন। তার নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বাঙালি জাতির হারানো গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের এক নবতর সংগ্রামের পথে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। এরপর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, ওয়ান ইলেভেন এবং মহামারী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে এখনো সংগ্রাম করে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন দলটি।

প্রতিষ্ঠাবাষির্কী প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম মোবইল ফোনে বলেন, ‘চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই গৌরবান্বিত আওয়ামী লীগ। চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বকারী দল আওয়ামী লীগ। বাংলাদেশের মানুষের প্রতিটি অর্জনের সঙ্গে, ভাষার সঙ্গে, সংস্কৃতির সঙ্গে, শিল্প-সাহিত্য, পদ্মা সেতু থেকে আরম্ভ করে সমস্ত অর্জনে আওয়ামী লীগ। দেশের মানুষের শয়নে,স্বপ্নে, জাগরণে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের নেতৃত্ব করা এবং যেকোনো চ্যালেঞ্জের মুখেও দায়িত্ব পালন করা দল আওয়ামী লীগ।’   

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত দেশের যা কিছু অর্জন হয়েছে, সবকিছুই আওয়ামী লীগের হাত ধরে। নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন হয়েছে পদ্মা সেতু। দারিদ্র্য বিমোচন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূরীকরণ ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছে। দলটির নেতৃত্বে আজ অনন্য উচ্চতায়  বাংলাদেশ।

আ.লীগ নেতারা বলছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পৃথিবীর ইতিহাসে ঐহিত্যবাহী দল। এই দলকে তিলে তিলে সংগঠিত করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এই আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে তিনি দেশটাকে স্বাধীন করেছিলেন। আওয়ামী লীগের মতো ঐহিত্যবাহী, সংগ্রামী, নির্যাতিত ও নিপীড়িত দল পৃথিবীতে কমই আছে।

তার নেতৃত্বে স্বল্পোন্নত রাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত করা, সমুদ্রসীমা জয়, ছিটমহল সমস্যার সমাধান, স্যাটেলাইটের নিজস্ব মালিকানা, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণসহ বহু মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূরীকরণ, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছে।

সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ, অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষকে সামাজিক বেষ্টনীর আওতায় আনতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের গৃহীত সব কর্মসূচি আজ দেশি ও আন্তর্জাতিক বিশ্বে স্বীকৃত। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে স্বৈরাচারবিরোধী, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের অপরাজনীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শুভজন্মদিন ঐতিহাসিক ২৩ জুন অঙ্কুরিত হয়েছিল ‘স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্নসূত্র’। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এমন একটি মহতী ক্ষণে উদযাপিত হচ্ছে যখন শেখ হাসিনার সুদৃঢ় নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও আত্মমর্যাদার অনন্য প্রতীক পদ্মা সেতু উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। আগামী ২৫ জুন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা এমপি স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন করবেন।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন মানবকণ্ঠকে বলেন,‘আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা এক ও অভিন্ন। বাংলাদেশ, শেখ হাসিনা, আগামীর বাংলাদেশ ও আওয়ামী লীগ এক ও অভিন্ন। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বিশ্বের মানচিত্রে একটি স্বাধীন ভূখণ্ড জš§ দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুবিহীন বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সকল ষড়যন্ত্র, অপপ্রচারের বিরুদ্ধে, যারা বাংলাদেশকে ক্ষুধা, দারিদ্র, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদের দেশ বানিয়েছিল তাদের হাত থেকে বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে উন্নয়নশীল দেশে প্রতিষ্ঠা করেছেন। সর্বশেষ পদ্মা সেতু করার মধ্যদিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের মর্যাদাকে বৃদ্ধি করেছেন। আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা এক ও অভিন্ন। আর শেখ হাসিনা, আধুনিক বাংলাদেশ ও আওয়ামী লীগ এক ও অভিন্ন। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এটাই হচ্ছে আমাদের শপথ।’

আওয়ামী লীগ সরকার: ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৩টিতে জয়লাভ করে সরকার গঠন করে। এরপর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়ী হয়ে ক্ষমতায় এসেছে আওয়ামী লীগ। টানা তৃতীয়বারের মতো এখনো ক্ষমতাসীন রয়েছে দলটি।

বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ: ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয় এবং জেলে থাকা অবস্থায় বঙ্গবন্ধু যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। প্রথম সভাপতি হন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। সাধারণ সম্পাদক করা হয় শামসুল হককে। ১৯৫৩ সালে ১৬ নভেম্বর আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৫৫ সালে ২১ অক্টোবর আওয়ামী মুসলিম লীগের বিশেষ কাউন্সিল অধিবেশনে ‘মুসলিম’ শব্দ প্রত্যাহার করা হয়। নতুন নামকরণ করা হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ। বঙ্গবন্ধু পুনরায় দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৫৭ ও ১৯৬৪ সালের কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক, ১৯৬৬ সালের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে সভাপতি নির্বাচিত হন শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৮১ সালের ১৩তম জাতীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। সভায় শেখ হাসিনা সভাপতি ও আবদুর রাজ্জাক সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা এ উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ ভূখণ্ডে প্রতিটি প্রাপ্তি ও অর্জন সবই আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই হয়েছে। মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষা থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত বাঙালির অর্জন এবং বাংলাদেশের সকল উন্নয়নের মূলেই রয়েছে আওয়ামী লীগ।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, গত সাত দশকের বেশি সময় ধরে গণমানুষের প্রতিষ্ঠান আওয়ামী লীগ এদেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ভাগ্যোন্নয়নে নিরন্তন প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন। দীর্ঘ এই পথচলায় অধিকাংশ সময় আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিয়েছেন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা। যাঁদের বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণেই আওয়ামী লীগ সুদৃঢ় সাংগঠনিক ভিত্তির উপর দাঁড়িয়েছে এবং জনমানুষের আবেগ ও অনুভূতির বিশ্বস্ত ঠিকানা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আওয়ামী লীগের হাত ধরেই নির্দেশিত হয়েছে দেশ ও দেশের মানুষের এগিয়ে চলার পথ। একইভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতির গতিপথও নির্ণীত হয়েছে জনকল্যাণ ও গণআকাক্সক্ষাকে ধারণ করে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আগামী প্রজšে§র জন্য একটি উন্নত-আধুনিক সুখি-সমৃদ্ধশালী কল্যাণকর ও শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র বিনির্মাণে বদ্ধ পরিকর। 

কর্মসূচি: দিবসটি উপলক্ষে প্রতিবছর দলটির পক্ষ থেকে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এবারও করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- আজ সূর্যোদয়ক্ষণে কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশের সব কার্যালয়ে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন। একই দিন সকাল ৮টায় ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আলোচনা সভা। সভায় গণভবন প্রান্ত থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।  এছাড়াও আজ টুঙ্গিপাড়ায় চিরনিদ্রায় শায়িত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের একটি প্রতিনিধি দল শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করবেন।

মানবকণ্ঠ/এআই


poisha bazar