বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে আ.লীগে অস্বস্তি

বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে আ.লীগে অস্বস্তি
- মানবকণ্ঠ

poisha bazar

  • সাইফুল ইসলাম
  • ২৬ জানুয়ারি ২০২১, ০০:২৯

সারা দেশের বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় দলের তৃণমূল নেতাদের বিতর্কিত বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড নিয়ে বেকায়দায় পড়েছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ। সারাজীবন যারা এই দলের জন্য কাজ করে আসছেন তাদের অনেক সময় কমিটিতে স্থান হচ্ছে না। বিশেষ করে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে-বিপক্ষে থাকায় ঐতিহ্যবাহী এই দলটির ভার্বমূতি নষ্ট হচ্ছে। চলমান পৌরসভা নির্বাচন ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গ্রæপিং থামানো না গেলে ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগকে বড় ধরনের খেসারত দিতে হবে। এই পরিস্থিতি নিরসনের জন্য দলের সভাপতি শেখ হাসিনা ও কেন্দ্রীয় নেতাদের জরুরিভাবে হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ত্যাগী, সৎ ও যোগ্য তৃণমূল নেতারা।

বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে খোঁজ-খবর নিয়ে জানা যায়, দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বিদ্রোহী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ, বিদ্রোহী প্রার্থীকে দলের প্রভাবশালী নেতা, মন্ত্রী, এমপির পরোক্ষভাবে সহযোগিতা, তৃণমূল নেতাদের বিতর্কিত বক্তব্য আর শৃঙ্খলার ভঙ্গসহ বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ বেশ চিন্তিত রয়েছেন। চলমান পৌরসভা নির্বাচনের প্রতিটি ধাপেই নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থী ছিল। আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের কাউন্সিলর পদেও রয়েছেন বিদ্রোহী প্রার্থী। কেন্দ্রের কঠোর হুঁশিয়ারির পরও মাঠ ছাড়েননি দলের বিদ্রোহী প্রার্থীরা। অন্যদিকে তৃণমূল নেতাদের বিভিন্ন বক্তব্যে ঐতিহ্যবাহী দল আওয়ামী লীগের ভার্বমূতি নষ্ট হচ্ছে বলে স্বীকার করেন দলের সিনিয়র নেতারা।

তবে দলের প্রভাবশালী নেতা, মন্ত্রী, এমপি যদি কেউ নৌকার বিরুদ্ধে কাউকে প্রভাব বিস্তার করে প্ররোক্ষভাবে সহযোগিতা করে থাকেন আগামীতে তাদের কোনোভাবেই নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করতে দেয়া হবে না। জানা যায়, বর্তমানে চলছে স্থানীয় পৌরসভা নিবাচন, এর আগে কয়েকটি আসনে জাতীয় সংসদের উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছে দ্বিতীয় ধাপের ৬০ পৌরসভা নির্বাচন। সেখানে ২১টিতেই ছিল আওয়ামী লীগের বিদে াহী প্রার্থী। এরমধ্যে বেশ কয়েকটিতে শক্ত অবস্থানে দলের সিদ্ধান্ত অমান্যকারী ‘স্বতন্ত্র’ বিদ্রোহীরাই। এ নিয়ে কয়েকটি পৌরসভায় দলের অভ্যন্তরে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। এতে নিহতও হয়েছেন দলের নেতা-কর্মীরা। আগামীকাল বুধবার ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন। সেখানে বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে রয়েছে বিদ্রোহী প্রার্থী।

এবার অন্তত ১০টি ওয়ার্ডে বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। তারা সবাই মহিবুলের অনুসারীরা। চট্টগ্রামের ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ডের বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মুরাদ বলেন, এটি স্থানীয় নির্বাচন। এখানে কোনো দলীয় প্রার্থী নেই। আর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে দল থেকেও কোনো চাপ নেই। মনোনয়নবঞ্চিত করে তাকে দ্ব›দ্ব^-সংঘাতের দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। বিদ্রোহী প্রার্থীদের মধ্যে ৪০ জনের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের ব্যবস্থা নিতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কাছে সুপারিশ করেছে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ।

সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত অমান্য করে যারাই পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হয়েছেন, তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। তারপরও দমে যাননি বিদ্রোহী প্রার্থীরা। কিছু কিছু প্রার্থী নিজ এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় জোরেশোরে ভোটের মাঠ গরম করেছেন। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তকে তোয়াক্কা করেননি তারা। আবার কোনো কোনো বিদ্রোহী প্রার্থীর পেছনে স্থানীয় এমপি-মন্ত্রী ও প্রভাবশালী নেতা রয়েছেন। যে কারণে সব চেষ্টার পরও ভোটের মাঠে বিদ্রোহীরা বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছেন। এসব বিষয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম মানবকণ্ঠকে বলেন, আওয়ামী লীগ একটি বিশাল রাজনৈতিক দল, এখানে অনেক জনপ্রিয় লোক থাকে। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার প্রত্যাশা থাকে। বিভিন্ন পর্যায়ে নির্বাচন করার আক্সক্ষাকা থেকে দলীয় মনোনয়ন চায়। দশজন লোক থাকলেও দল একজনকেই মনোনয়ন দেয়। আক্সক্ষাকা থেকে বাস্তবায়ন না হলে মান-অভিমান, ক্ষোভ, নানান বিষয় থেকে নির্বাচনে দাঁড়িয়ে যায়। এটাকে খারাপভাবে নেয়া কোনো বিষয় না। তিনি বলেন, অন্যান্য বারের তুলনায় এবার বিদ্রোহী সংখ্যা কম। এবার সুদূরপ্রসারী সিদ্ধান্ত হয়েছে। এবার কঠোর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন কঠোরভাবে হচ্ছে।

দলের শৃঙ্খলা মেনে মনোনীত প্রার্থীদের বিজয়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভ‚মিকা রাখার আহŸান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিদ্রোহীদের দিকে ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, দেশব্যাপী পৌরসভা নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে ইতোমধ্যে দলের অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে জানিয়ে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যেসব কাউন্সিল বিদ্রোহ করছেন তারাও কঠোর সাংগঠনিক শাস্তির আওতায় পড়বে।

অন্যদিকে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোটভাই আবদুল কাদের মির্জার বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ বক্তব্য নিয়ে নোয়াখালীসহ সারাদেশের রাজনীতিতে তোলপাড় চলছে। বসুরহাট পৌরসভার বিভিন্ন নির্বাচনী সমাবেশে আবদুল কাদের মির্জা বলেন, ফেনীর এমপি নিজাম হাজারী ফেনীর উপজেলা চেয়ারম্যান একরামকে গুলি করে গাড়িসহ পুড়িয়ে হত্যা করেছে, কিন্তু ভুক্তভোগী পরিবার এখনো বিচার পায়নি। আমাকে হত্যা করার জন্য ফেনী থেকে সন্ত্রাসী, মাদককারবারি রাহাতের মাধ্যমে অস্ত্রের চালান পাঠিয়েছে কোম্পানীগঞ্জে- সেই নিজাম হাজারী এখন নেতা।

তিনি বলেন, যারা সেতুমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন তারা নেতা, যারা গরিবের ছেলেদের স্কুল দফতরির চাকরি দিয়ে ৫ লাখ করে টাকা নিয়েছেন তারাও নেতা, যারা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি দিয়ে ৭-৮ লাখ টাকা করে নিয়েছেন তারা আওয়ামী লীগের নেতা, তারা দুর্দিনে কোথায় ছিল? তার এই কড়া বক্তব্যে পর তিনি গত ১৬ জানুয়ারি নির্বাচনে বিজয়ী হন। ১৩ জানুয়ারি এক নির্বাচনী সভায় নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী আবদুল কাদের মির্জা সংসদ সদস্য নিক্সনকে জড়িয়ে একটি বক্তব্য দেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ওই বক্তব্যে কাদের মির্জা অভিযোগ করেন, নিক্সন চৌধুরী ভোট চুরি করে সংসদ সদস্য হয়েছেন। কাদের মির্জা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ভাই। নবনির্বাচিত মেয়র আবদুল কাদের মির্জাকে ‘টোকাই মেয়র’ বলে আখ্যায়িত করলেন নিক্সন চৌধুরী। সংসদ সদস্যদের নিয়ে ‘আপত্তিকর’ বক্তব্য দেয়ায় ‘তার বিচার সব সংসদ সদস্যরা করবেন’ বলে উল্লেখ করেছেন নিক্সন চৌধুরী। ‘সত্যবচনে’ সারাদেশে আলোচিত কাদের মির্জাকে উদ্দেশ করে সভায় সাংসদ নিক্সন চৌধুরী বলেন, ‘আপনার মতো টোকাই মেয়র মোবাইলে ফেসবুকে কথা বলে ভাইরাল হইয়েন না। নিক্সন চৌধুরী তার মামা শেখ সেলিমের শক্তিতে চলে না। তার নাম নেয়ার আগে অজু কইরা নিয়েন। পাগল ঠিক করার ওষুধ জনগণের জানা আছে।’

পৌরসভার মেয়র এবং সংসদ সদস্যে তুমুল আলোচনা আর সমালোচনার বক্তব্যের পর আরেক কাণ্ড করে বসেন নোয়াখালী-৪ (সদর ও সুবর্ণচর) আসনের সাংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী। মধ্য রাতে ফেসবুকের লাইভে এসে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে রাজাকার পরিবারের সদস্য বলে মন্তব্য করেন। ২৭ সেকেন্ডের ভিডিওটি রাতেই ভাইরাল হয়ে যায়। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি কথা বললে তো আর মির্জা কাদেরের বিরুদ্ধে কথা বলব না। আমি কথা বলব ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে। একটা রাজাকার পরিবারের লোক এই পর্যায়ে এসেছে, তার ভাইকে শাসন করতে পারে না। আমার যদি জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি না আসে। তাহলে আমি এটা নিয়ে শুরু করব।’ তবে সাংসদ একরামুল করিমের ফেসবুক আইডি থেকে ভিডিওটি প্রচারের কয়েক মিনিটের মধ্যেই সরিয়ে দেয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাত একটার দিকে এবং গত শুক্রবার সকালে জেলা শহরে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। মিছিলে তারা কাদের মির্জার বিরুদ্ধে নানা সেøাগান দেন। অন্যদিকে গত শুক্রবার বিকালে সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী আরেকবার ফেসবুক লাইভে আসেন। নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর বহিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত লাগাতার অবস্থান ধর্মঘটের ডাক দেন বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। গত শনিবার পর্যন্ত ওবায়দুল কাদেরকে কট‚ক্তির প্রতিবাদে বসুরহাট রুপালি চত্বরে একরামবিরোধী বিক্ষোভ করেন তিনি। অর্ধদিনে হরতালের ডাকও দেন তিনি।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘ব্রেইম ব্রেইম (তোষারোপ) খেলার সুযোগ আওয়ামী লীগে। এখানে কেউ ব্রেইম দিয়ে একজন আরেকজন কট্টাক্য করা, তির্জক ভাষায় কথা বলায়, অসম্মান করা, মাঠে-ঘাটে, ফুটপাতে, চৌ-রাস্তার মোড়ে অথবা চায়ের দোকানের গল্পেও বিষয় না। আওয়ামী লীগ একটা সুশৃঙ্খল রাজনীতিক দল। সেই জায়গা ছেলে খেলা করা অথবা এলোমেলো কথা বলা, কাউকে অসম্মান করা, মানহানি করা, কাউকে দোষীসাবস্ত করে অভিযুক্ত করা, এ সকল বিষয় নিয়ে দলীয় শৃঙ্খলার ঊর্ধ্বে আমরা কেউ ঘুমাতে পারি না। দলের ভেতরের কথা রাস্তা দাঁড়িয়ে বলে কেউ পাবে অথবা মহান নেতা সাজার কোনো উপায় নেই। পাণ্ডিত্য প্রদশনের জায়গা কিন্তু রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগে নাই। এখানে নিষ্ঠা ও নীতি আদর্শের সাথে তাল মিলিয়ে দেশের জন্য কাজ করতে হবে।’

দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্র চর্চায় শেখ হাসিনা অনন্য নজির স্থাপন করেছেন উল্লেখ করে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, তিনি (শেখ হাসিনা) দলের শৃঙ্খলার বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে। ঘোষিত কোনো কমিটির বিষয়ে কারো অভিযোগ থাকলে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ধানমণ্ডির সভাপতির কার্যালয়ে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ জমা দেয়ার সুযোগ রয়েছে। যেসব জেলা কমিটি এখনো দেয়া হয়নি, সেসব জেলা কমিটিগুলো যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে অনুমোদন দেয়া হবে।

সূত্রে জানা যায়, আগামী ৩০ জানুয়ারি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ পৌরসভার অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের দলীয় প্রার্থী আক্তার হোসেন ফয়সলের বিরুদ্ধে মোবাইল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন স্থানীয় এমপি মামুনুর রশিদ কিরনের ভাই খালেদ সাইফুল্লাহ। এমপির সহধর্মিণী ও উপজেলা মহিলা লীগের সভানেত্রী (বেগমগঞ্জ) জেসমিন আক্তার তার ভাসুর সাইফুল্লাহের পক্ষে নির্বাচনী এলাকায় ভোট চাওয়ার ছবি সামাজিক যোগাএযাগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এমপি কিরনের অনুসারীদের এলাকায় আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে মোবাইল ফোন মার্কায় প্রচার-প্রচারণা চালাতে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে বেগমগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগে সাধারণ সম্পাদক আবু বকর ছিদ্দিক টিপু বলেন, তৃণমূল নেতাকর্মীরা মনে করেন এমপি সাহেব আসলেই চান না নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জিতুক। তিনি বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক থেকে এখানে পৌরসভা ভোটে তার ভাইকে সাহায্য করছেন। যা আওয়ামী লীগের জন্য বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এ অবস্থা দ্রæত নিরসনের জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

 






ads
ads