নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মান্নার গাড়ি ভাঙচুর

- ছবি : সংগৃহীত

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১৯ অক্টোবর ২০২০, ২১:৩৭

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এ ঘটনা ঘটেছে। এসময় অন্তত ২০ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।

উপজেলার রূপসীর খন্দকার বাড়িতে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা তৈমুর আলম খন্দকারের জন্মদিন এবং খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলে মান্না বক্তব্য দেম। এ সময় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

তৈমুর আলম খন্দকার গণমাধ্যমকে বলেন, অনুষ্ঠান চলার সময় হেলমেট পরে রামদা, লাঠিসোঁটাসহ ৪০-৫০ লোক অনুষ্ঠানে হামলা করে চারটি গাড়ি, মোটরসাইকেল, অনুষ্ঠানের মঞ্চ, সাউন্ড সিস্টেম ও চেয়ার ভাঙচুর করেন। হামলায় উপজেলা মহিলা দলের নেত্রী ফাতেমা, বিএনপির নেতা পিন্টু আহমেদ, জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম, ব্যারিস্টার মারিয়াম খন্দকারসহ অন্তত ২০ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর নির্দেশেই এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি দাবি করেন।

ঘটনার এক ঘণ্টা পরও ঘটনাস্থলে পুলিশ আসেনি বলে অভিযোগ করে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, তৈমুর আলমের ৬৮তম জন্মদিন উপলক্ষে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলাম। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে ৪০-৫০ জন ছেলে “জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু” স্লোগান দিয়ে মঞ্চের দিকে আসতে থাকে। সেখানে থাকা নেতা-কর্মীরা আমাকে নিরাপদে একটি কক্ষে নিয়ে আসে। হামলাকারীরা আমার গাড়ি ভাঙচুর করেছে।

মহানগর যুবদলের সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ অভিযোগ করেছেন, এ হামলায় থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিকদার, সহ-সভাপতি রিয়াদ, থানা যুবলীগের সহসাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা পাভেলসহ ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মীরা অংশ নিয়েছে।

তবে রূপগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিকদার বলেছেন, খোঁজ নিয়ে যতটুকু জানতে পেরেছি, বিএনপি একটা প্রোগ্রাম করছে। এটা জেনে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সেখানে যান। তবে তারা সেখানে হামলা চালাননি।

অনুষ্ঠানে হামলার কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেছেন রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান। তিনি প্রথম বলেন, অনুষ্ঠানে সরকারবিরোধী বক্তব্য দেওয়ায় সেখানকার আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা অনুষ্ঠানে সরকারবিরোধী বক্তব্য দিতে নিষেধ করতে গিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে আমাদের পুলিশ সদস্যরা আছেন। তাঁরা ভাঙচুর বা আহতের কোনো ঘটনা দেখেননি। এ বিষয়ে কোনো অভিযোগও পাওয়া যায়নি।

মানবকণ্ঠ/এইচকে






ads