সাদের উপর হামলায় কাদের-রাঙা নিরব কেনো, প্রশ্ন জাপা নেতাদের

সাদ এরশাদের উপর হামলায় জাতীয় পার্টির বিক্ষোভ
সাদ এরশাদের উপর হামলায় জাতীয় পার্টির বিক্ষোভ - ছবি: প্রতিনিধি

poisha bazar

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ০৬ জুন ২০২০, ১৯:৩০

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পল্লীনিবাসে তার ছেলে রাহগীর আল মাহে সাদ এরশাদ এমপি ও তার স্ত্রীর ওপর হামলার প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ করেছে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা। সমাবেশে নেতারা সাদের উপর হামলায় কেনো পার্টির শীর্ষনেতারা নিরব তা জানতে চান। এ ঘটনায় শীর্ষনেতারা জড়িত কিনা তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন পার্টির একাধিক প্রেসিডিয়াম সদস্য।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উপেক্ষা করে নেতাকর্মীদের জমায়েতের মধ্য দিয়ে শনিবার (৬ জুন) বিকালে কাকরাইলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ সমাবেশ হয়।

জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য ও মহানগর উত্তর সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম সেন্টুর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী মামুনুর রশীদ, মেজর (অব.) খালেদ আখতার, ইকবাল হোসেন রাজু, সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা, ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, নুরুল ইসলাম নুরু, ভাইস চেয়ারম্যান আমানত হোসেন আমানত, জাহাঙ্গীর আলম পাঠান, রেজাউল করিম রেজা।

হুঁশিয়ারি দিয়ে সমাবেশের সভাপতি পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য শফিকুল ইসলাম সেন্টু বলেন, এরশাদের পল্লীনিবাসে তারই ছেলে ও পুত্রবধূর ওপর হামলা প্রকারান্তরে এরশাদ ও জাতীয় পার্টির ওপর হামলা। এ ঘটনাকে আমরা বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেবো না।

তিনি বলেন, একজন সাংসদের ওপর এ ধরনের হামলার পরও পার্টির চেয়ারম্যান-মহাসচিব নীরব কেন? কেন তাদের বহিস্কার করা হয়নি? তাহলে কী এর সঙ্গে আপনারাও জড়িত? নেতাকর্মীরা জানতে চায়। দ্রুত হামলাকারীদের বিচার না হলে আমরাই বিচার করবো- বলে ঘোষণা দেন তিনি।

কাজী মামুন বলেন, এরশাদপুত্রের ওপর হামলা নেতাকর্মীদের রক্তক্ষরণ হচ্ছে। আমরা এ ঘটনা বরদাশত করবো না। প্রশাসনের লোকেরা বলছেন আপনাদের চেয়ারম্যান-মহাসচিব ‍চুপ কেন? তাদের নীরবতায় আমরা লজ্জিত। হামলার উচিত বিচার না হলে সারা দেশে প্রতিবাদ হবে, আমরাই তাদের প্রতিহত করবো।

মেজর (অব.) খালেদ বলেন, এরশাদের পল্লীনিবাসে তার ছেলে ও পুত্রবধুর ওপর হামলার ঘটনা দলের মধ্যে ষড়যন্ত্রের অংশ। এই ঘটনার বিচারে দলের বর্তমান নেতৃত্ব ব্যর্থ হয়েছে। তারা নীরব। এই নেতাদের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি আর চলবে না। নেতাকর্মীরা নতুন নেতৃত্ব চায়।

ইকবাল হোসেন রাজু বলেন, করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিতে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে দীর্ঘ দুই মাস ধরে তিনি নির্বাচনী এলাকায় পড়ে আছেন। নিজের তহবিল থেকে সাহায্য করে যাচ্ছেন। সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে দলের নামধারী দুস্কৃতিকারীরা সাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের আমরা ক্ষমা করবো না।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক পার্টির সাবেক সভাপতি শাহ আলম তালুকদার, মোহাম্মদপুর থানা সেলিম আহম্মেদ, সেক্রেটারি আবুল হাশেম, খিলগাও থানা সভাপতি মো. কাইয়ুম, তেজগাঁও থানা সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, গুলশান থানার সেক্রেটারি আব্দুস সাত্তার, মিরপুর থানা সভাপতি হামিদ হাসান, যুব সংহতির নেতা মির্জা ইকবাল, আব্দুল কাদের জুয়েল, ঢাবি নেতা নিলয়, জাপা নেতা মাহফুজ, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আজমল হোসেন জিতু, আলমগীর পাটোয়ারি প্রমুখ।

মানবকণ্ঠ/এসকে





ads







Loading...