সরকার দেশকে ভয়ঙ্কর অবস্থার দিকে নিয়ে যাচ্ছে: ফখরুল

সরকার দেশকে ভয়ঙ্কর অবস্থার দিকে নিয়ে যাচ্ছে: ফখরুল
সরকার দেশকে ভয়ঙ্কর অবস্থার দিকে নিয়ে যাচ্ছে: ফখরুল - ফাইল ছবি

poisha bazar

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১৯ মে ২০২০, ১৭:৫২

লকডাউন শিথিল করে সরকার দেশকে ‘ভয়ঙ্কর অবস্থার দিকে নিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দোকান-রেস্টুরেন্ট খুলে দেয়া হল। যা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। এভাবে চলতে থাকলে ভয়াবহ পরিণতি হবে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, দাম্ভিকতা ছাড়া ক্ষমতাসীন দলের আর কিছুই নেই। প্রতিটি ক্ষেত্রে অদূরদর্শিতা, সমন্বয়হীনতা, উদাসীনতা ও একগুয়েমি মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে। করোনায় মৃত্যুর দায় সরকারকে নিতে হবে। সাধারণ ছুটিতে আপনি (সরকার) আইনগতভাবে আমাকে বাধ্য করতে পারেন না ঘরে থাকতে। আপনি কেন লকডাউন করেননি, কেন আইনগত ব্যবস্থা নেননি যেটাতে এটা বন্ধ করা যেতে পারে। কারণ আপনারদের যে অযোগ্যতা সেটা প্রমাণিত।

ত্রাণ লুটপাটের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমরা বার বার আহ্বান করেছিলাম যে, করোনার ভয়াবহ সঙ্কট থেকে মানুষকে বাঁচানোর জন্য সর্বদলীয় ঐক্যগঠন করে কাজ করার জন্য। কিন্তু সেটা তারা করেনি। আজকে যে লুটপাট হচ্ছে তা হয়তো হতো না। সরকার যতটুকু ত্রাণ দিয়েছে তা সব দলীয় নেতাকর্মীদের তালিকা করে দিয়েছে। সাধারণ মানুষ বা অন্য দলের লোকদেরকে ত্রাণ দেয়া হয়নি। এছাড়া চাল-ডাল ও তেল চুরির পর এবার নগদ টাকা হরিলুটের ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। খবরে দেখলাম ৫০ লাখ কর্মহীন লোকের মাঝে ১ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা বিতরণ করছে সরকার। মোবাইলে বিকাশের মাধ্যমে, ব্যাংকের মাধ্যমে সে টাকা বিতরণ করেছে।

ত্রাণ চুরি ও ভুয়া তালিকা প্রণয়ন সম্পর্কে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ও সিপিডির বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণও করেন বিএনপি মহাসচিব।

ফখরুল বলেন, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধায়নে দলের ত্রাণ কাজ পরিচালিত হচ্ছে। ১৭ মে পর্যন্ত সারা দেশে ৩১ লাখ ২৭ হাজার ৬৯৩টি পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনগুলো। এতে করে এক কোটি ২৫ লাখ ১০ হাজার ৭৭২ মানুষ কাছে এই সুবিধাটা পৌঁছাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও করোনা জাতীয় পর্যবেক্ষণ সেলের আহ্বায়ক ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন নসু, সহ-দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু প্রমুখ।

মানবকণ্ঠ/এসকে




Loading...
ads






Loading...