• বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২০
  • ই-পেপার

শাহবাগে সড়ক অবরোধ, যানজটে নাকাল শহরবাসী

শাহবাগে সড়ক অবরোধ, যানজটে নাকাল শহরবাসী
শাহবাগে সড়ক অবরোধ, যানজটে নাকাল শহরবাসী - প্রতিনিধি।

poisha bazar

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ১৪ জানুয়ারি ২০২০, ১৭:৪০,  আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২০, ১৮:০৪

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি নির্বাচনের দিন সরস্বতী পূজার আনুষ্ঠানিকতা থাকায় ভোটের তারিখ পেছানোর দাবিতে শাহবাগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের করা সড়ক অবরোধে দুর্ভোগে পড়েছে ওই পথে চলাচলকারী অফিসগামী।

মঙ্গলবার বিকেলে শাহবাগের বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এসময় শাহবাগ মোড়ের চারপাশের সড়কের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সন্ধ্যার আগে হঠাৎ অবরোধে বিপাকে পড়েছেন অফিস থেকে বাসায় ফেরার জন্যে বের হওয়া মানুষেরা।

শাহবাগের চার পাশের সড়কে এসময় ব্যাপক যানজট লক্ষ্য করা গেছে।

এদিকে শিক্ষার্থীরা বলেন, আজ আমাদের ক্লাসে থাকার কথা। কিন্তু আমাদের রাজপথে থেকে আন্দোলন করতে হচ্ছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। আমরা বলতে চাই, যদি ৩০ তারিখের নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন না করা হয়, তাহলে আমরা কঠোর থেকে কঠোর আন্দেলনে যেতে বাধ্য হবো।

তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বাধীন রাষ্ট্রে সবাই সমান। সবার নিজ নিজ ধর্ম পালনের অধিকার রয়েছে। ধর্ম যেমন আমাদের অধিকার তেমনি ভোট দেওয়াও আমাদের অধিকার। কিন্তু নির্বাচন কমিশন কেন এমনটা করলো।

বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বলেন, আমি নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রশ্ন করতে চাই। আমরা বলে দিতে চাই, যদি নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন না করে, তাহলে আমরা বসে থাকবো না। আমরা কঠোর আন্দোলনে যাব।

প্রসঙ্গত, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণের তারিখ পরিবর্তনের আবেদন জানিয়ে করা রিটটি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফলে ৩০ জানুয়ারিই এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সরস্বতী পূজার কারণে ৩০ জানুয়ারি ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণের নির্ধারিত তারিখ পেছানোর জন্য গত ৫ জানুয়ারি রিট করেন আইনজীবী অশোক কুমার ঘোষ।

আইনজীবী বলেন, ‘২৯ ও ৩০ জানুয়ারি হিন্দু সম্প্রদায়ের সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরস্বতী পূজার আয়োজন করা হবে। কিন্তু ঢাকায় সিটি নির্বাচন উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এ জন্য সিটি নির্বাচনের পেছানোর জন্য রিটটি করা হয়েছে।’

মানবকণ্ঠ/এআইএস




Loading...
ads






Loading...