ডিআইজি মিজানের দুর্নীতি তদন্তে কমিটি গঠন



  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১৮ জুন ২০১৯, ১৩:৫৬

পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে  তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। মঙ্গলবার পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) মো. সোহেল রানা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মাইনুর রহমান চৌধুরীকে প্রধান করে গঠিত কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- অতিরিক্ত আইজিপি শাহাবুদ্দিন কোরেশী এবং পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পুলিশ সুপার মিয়া মাসুদ হোসেন।

পুলিশ সদর দপ্তরের (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) সহকারী মহাপরিদর্শক সোহেল রানা জানান, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এর আগে, দুর্নীতি দমন কর্তৃপক্ষের (দুদক) এক কর্মকর্তার কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেয়ার ঘটনায় ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে তদন্ত করা হয় বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।

দুদকের তদন্তকারী কর্মকর্তা এনামুল বাছির ও ডিআইজি মিজানের ঘুষ লেনদেনের ঘটনায় তিন সদস্যের অপর এক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে দুদক।

পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে দায়মুক্তি দিতে ৫০ লাখ টাকা ঘুষ নেয়ার জন্য ‘চুক্তি’ করেন দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির। সঙ্গে দাবি করেন একটি গ্যাসচালিত গাড়ি। ৫০ লাখ টাকার মধ্যে ২৫ লাখ টাকা গত ১৫ জানুয়ারি রমনা পার্কে বাজারের ব্যাগে করে নগদে নিয়েছেন এই দুদক পরিচালক। তিনি দুদকের অনুসন্ধান ও তদন্ত-২ অনুবিভাগের দায়িত্বে ছিলেন।

খন্দকার এনামুল বাছির তদন্ত থেকে দায়মুক্তি দিতে ডিআইজি মিজানের কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ পেয়ে নড়েচড়ে বসে দুদক। কমিশনের সচিব দিলওয়ার বখ্তকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয় ৯ জুন। কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ এই কমিটিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে স্ত্রী-সন্তান রেখে অপর এক নারীকে জোরপূর্বক বিয়ে ও নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। এছাড়া এক নারী সংবাদ পাঠিকাকে হুমকি দেয়ার অভিযোগ আসে তার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগ ওঠার পর তাকে ডিএমপি থেকে সরিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।

মানবকণ্ঠ/এএম



Loading...
ads


Loading...