তথ্য পাচারের অভিযোগে এনামুল বাছির বরখাস্ত: দুদক চেয়ারম্যান



  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১২ জুন ২০১৯, ১৫:২৮

ঘুষের কারণে নয়, তথ্য পাচারের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রধান ইকবাল মাহমুদ। তিনি বলেন, ঘুষের বিষয় নিয়ে মিডিয়ায় ভুলভাবে উপস্থাপন হয়েছে।

বুধবার দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, আমরা এনামুল বাছিরকে ঘুষের কারণে বরখাস্ত করেনি। এটা তো প্রমাণের বিষয়। দুদকের অভ্যন্তরীণ তথ্য বাইরে কীভাবে গেলো সেটাই বড় প্রশ্ন। এতে আচরণবিধি লঙ্ঘিত হয়েছে। যদিও এটাও প্রমাণের বিষয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনামুল বাছির বলেন, গণমাধ্যম ভুল, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করে আমার ক্ষতি করছে, তারা যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন মনে করছে না। আমার ক্ষতি করে কুশল ও সালাম বিনিময় অপ্রয়োজনীয়।

এদিকে পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের কাছ থেকে ঘুষ নেয়ার বিষয়টি মঙ্গলবার বানোয়াট বলেছেন দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মঙ্গলবার দুদক পরিচালক বলেন, ‘সব বানোয়াট’। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বাছির বলেন, যে অভিযোগ করেছে ডিআইজি মিজানকে প্রমাণ করতে বলুন।

অডিও ক্লিপের বিষয়ে প্রশ্ন করলে এনামুল বাছির বলেন, এটা বানোয়াট একটা অভিযোগ। আপনারা যত প্রকারের এক্সপার্ট নিয়ে পারেন প্রমাণ করেন। যেভাবে পারেন প্রমাণ করেন। তাকে প্রমাণ নিয়ে আসতে বলেন। মিথ্যার কোনো প্রমাণ থাকে না।

এক নারীকে জোর করে বিয়ের পর নির্যাতন চালানোর অভিযোগ ওঠায় গত বছরের জানুয়ারিতে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনারের পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয় মিজানকে। এর চার মাস পর তার সম্পদের অনুসন্ধানে নামে দুদক। উপ-পরিচালক ফরিদউদ্দিন পাটোয়ারির হাত ঘুরে অনুসন্ধানের দায়িত্ব পান এনামুল বাছির। এক পর্যায়ের ডিআইজি মিজান দাবি করেন, তার কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন দুদক কর্মকর্তা বাছির। এর স্বপক্ষে তাদের কথপোকথনের কয়েকটি অডিও ক্লিপ প্রকাশ পায়। এই পরিস্থিতিতে গত সোমবার তদন্ত কমিটি গঠনের পাশাপাশি বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করে দুদক।

মানবকণ্ঠ/এসএস



Loading...
ads


Loading...