রিফাত হত্যা: ৬ কিশোরকে সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ



  • অনলাইন ডেস্ক
  • ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৩:২৫

বরগুনার আলোচিত রিফাত হত্যা মামলায় ৬ কিশোরকে শিশু-কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালত এ আদেশ দেন।

কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো কিশোররা হলো— রিশান ফরাজী, তানভীর, চন্দন, অলি, নাজমুল ও শ্রাবণ। বাকি অভিযুক্তদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

বাদীপক্ষের আইনজীবী এম মজিবুল হক কিসলু বলেন, মঙ্গলবার মামলার ধার্য তারিখ থাকায় রিফাত হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। অভিযুক্তদের মধ্যে ছয়জনের বয়স ১৮ বছরের কম হওয়ায় আদালত তাদের খুলনার শিশু-কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

রিফাত হত্যা মামলায় অভিযুক্ত আরিয়ান শ্রাবণ ও সাইমুনের আইনজীবী মোস্তফা কাদের বলেন, ‘এ মামলায় অভিযুক্ত চন্দন ও টিকটক হৃদয়ের জামিন আবেদন করা হয়েছে। তবে আদালতে মামলার মূল নথি না থাকায় বিচারক কোনও আদেশ দেননি। এছাড়া অভিযুক্ত শ্রাবণের স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছে। পরে আদালত এজন্য কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন করার আদেশ দেন।’

এর আগে রিফাত হত্যা মামলায় গ্রেফতারের পর কারাগারে থাকা ১৪ জন অভিযুক্তকে আজ সকালে আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে আদালতের কার্যক্রম শেষে ছয় কিশোরকে সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর এ মামলার পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত শরীফকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। যার ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হলে দেশে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। এ ঘটনায় রিফাতের বাবা আবদুল হালিম শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। তাতে প্রধান সাক্ষী করা হয় রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে।

কিন্তু মিন্নির শ্বশুর মামলার ১৮ দিন পর গত ১৩ জুলাই এই হত্যাকাণ্ডে মিন্নি জড়িত এমন দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করার পর মামলাটির তদন্ত নাটকীয় মোড় নেয়। পরে এ মামলায় গ্রেফতার করা হয় মিন্নিকে। এছাড়া গত ২ জুলাই এ মামলার প্রধান আসামি সাব্বির আহম্মেদ ওরফে নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।




Loading...
ads




Loading...