কুরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় করণীয়



  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১২ আগস্ট ২০১৯, ১০:২৩

ঈদুল আজহার অন্যতম অনুষঙ্গ হলো পশু কুরবানি দেয়া। এ সময় রাজধানীসহ সারাদেশে লাখ লাখ পশু কুরবানি দেয়া হয়। তবে প্রতি বছরই সঠিক ব্যবস্থাপনা ও সচেতনতার অভাবে রাজধানীসহ সর্বত্র কুরবানির পশুর রক্ত ও উচ্ছিষ্টাংশে মারাত্মক পরিবেশ দূষণের সৃষ্টি হয়। আর বর্জ্য থেকে রোগবালাই ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে।

এ জন্য কুরবানির পর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে আমাদের অবশ্যই নজর দিতে হবে। তাহলে পরিবেশ দুষণ থেকে মুক্ত হওয়া যাবে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় করণীয়:

১. মাংস কাটার সময় উচ্ছিষ্টাংশ যেখানে-সেখানে না ফেলে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় রাখুন। কাজ শেষে সেগুলো গর্তে পুঁতে ফেলুন।

২. পশুর ভুঁড়ি পরিষ্কারের পর সেই আবর্জনা খোলা অবস্থায় না রেখে সেগুলোও গর্তে পুঁতে ফেলুন।

৩. কুরবানির সব কার্যক্রমের শেষে রক্তে মাখা রাস্তাঘাট ধুয়ে পরিষ্কার করে ফেলুন। জীবাণু যেন ছড়াতে না পারে সে জন্য নোংরা জায়গা পরিষ্কারের সময় স্যাভলন মেলানো পানি ব্যবহার করুন।

৪.কুরবানির পর আমাদের সচেতনতাই পারে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখতে। আমরা যেন শুধু পশু কোরবানির মাধ্যমেই ত্যাগ শব্দটি সীমাবদ্ধ না রাখি।

৫.যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পশুর চামড়া বিক্রি কিংবা দান করতে হবে। শহরে যারা থাকেন তারা বিচ্ছিন্ন স্থানে কোরবানি না দিয়ে বেশ কয়েকজন মিলে এক স্থানে কোরবানি করা ভালো। এতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের কাজ করতে সুবিধা হয়।

৬. খেয়াল রাখতে হবে, কোরবানির জায়গাটি যেন খোলামেলা হয়। আর জায়গাটি রাস্তার কাছাকাটি হলে বর্জ্যরে গাড়ি পৌঁছতে সহজ হবে। তবে যেসব এলাকায় সিটি কর্পোরেশনের গাড়ি পৌঁছনো সম্ভব নয় বা দেরি হবে, সেসব স্থানে বর্জ্য পলিথিনের ব্যাগে ভরে ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে হবে।

মানবকণ্ঠ/এএম




Loading...
ads




Loading...