গরুর মাংসের দাম নিয়ে ব্যবসায়ীদের সংবাদ সম্মেলন



  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১২ মে ২০১৯, ১৫:৫৯

রাজধানীর গাবতলীতে চাঁদাবাজির কারণে গরুর মাংসের দাম বেশি হওয়ার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন হাটের ইজারাদার ও ব্যবসায়ীরা। রোববার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলন তারা এ কথা জানান। গাবতলী পশুরহাট ইজারাদার ও পশু ব্যবসায়ীদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে করেছেন সানোয়ার হোসেন ও আবুল হাসেম।

সংবাদ সম্মেলনে সানোয়ার হোসেন বলেন, গাবতলী পশুর হাটের চাঁদাবাজির কারণে মাংসের দাম বাড়েনি। এটা সম্পূর্ণ ভুল কথা। এর কারণে যদি দাম বেড়েই থাকে তাহলে ঢাকার বাইরে কেন মাংসের দাম বেড়েছে? তা ছাড়া গাবতলীতে চাঁদাবাজি হলে সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগও রয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা মেয়রের এমন বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাচ্ছি। গাবতলী হাটে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি হয় না। সিটি কর্পোরেশন নির্ধারিত মূল্যেই সেখানে হাসিল নেওয়া হয়। এর ব্যত্যয় ঘটলে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, মাংস ব্যবসায়ী রবিউল আলমের কোথাও কোনো মাংসের দোকান বা ব্যবসা নেই এবং নিজেও ব্যবসা করেন না। কিন্তু রবিউল ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকনকে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দিয়ে ব্যবসায়ীদের চরম ক্ষতির মুখে ছেড়ে দিয়েছেন।

সত্য ঘটনা বের করে আনতে মাংস বিক্রেতাদের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দিয়ে সরেজমিন তদন্তের আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, গাবতলী পশুর হাটে বিক্রির সময় সিটি কর্পোরেশন নির্ধারিত হাসিল ছাগলের জন্য ৩৫ টাকা, গরুর জন্য ১০০ টাকা ও মহিষের জন্য ১৫০ টাকা নেয়া হয়।

তিনি বলেন, গাবতলী হাটে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬০০ থেকে ৮০০ পশু বিক্রি হয়। সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত ফি ছাড়া বাড়তি টাকা নেয়ার সুযোগ নেই। এ ছাড়া ঢাকার আশপাশে বেশ কিছু হাট হওয়ায় এই হাটে বিক্রি আগের চেয়ে কমে গেছে। এই ক্ষতিটাও আমাদের উপর পড়ছে।

মানবকণ্ঠ/এসএস



Loading...
ads


Loading...