মাধ্যমিকে ঝরে পড়ে ৬২ ভাগ শিক্ষার্থী, প্রাথমিকে ১৮ শতাংশ



  • অনলাইন ডেস্ক
  • ১১ জুন ২০১৯, ২০:০৪

মাধ্যমিক স্তরে ২০১৮তে ৩৭ দশমিক ৬২ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে। অপরদিকে প্রাথমিক স্তরে ঝরে পড়ার এই হার ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ।

মঙ্গলবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে এ তথ্য জানানো হয়।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়।

চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার তুলে ধরেন।

মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দে ৫৫ দশমিক ৩১ শতাংশ, ২০১০ খ্রিষ্টাব্দে ৫৫ দশমিক ২৬ শতাংশ, ২০১১ খ্রিষ্টাব্দে ৫৩ দশমিক ২৮ শতাংশ, ২০১২ খ্রিষ্টাব্দে ৪৪ দশমিক ৬৫ শতাংশ, ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দে ৪৩ দশমিক ১৮ শতাংশ, ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দে ৪১ দশমিক ৫৯ শতাংশ, ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে ৪০ দশমিক ২৯ শতাংশ, ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দে ৩৮ দশমিক ৩০ শতাংশ, ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দে ৩৭ দশমিক ৮১ শতাংশ এবং ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে ৩৭ দশমিক ৬২ শতাংশ।

মন্ত্রীর উপস্থাপিত তথ্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায় প্রথম দিকে ঝরে পড়ার হারে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের ব্যবধান বেশি থাকলেও ক্রমান্নয়ে এই ব্যবধান কমেছে। ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দে ছেলেদের ঝরে পড়ার হার ছিলো ৪২ দশমিক ১৫ শতাংশ আর মেয়েদের এই হার ছিলো ৬৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ। অপরদিকে ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে ছেলেদের ঝরে পড়ার হার ৩৬ দশমিক ০১ শতাংশ আর মেয়েদের ৪০ দশমিক ১৯ শতাংশ।

প্রাথমিক স্তরের ঝরে পড়ার হার বিষয়ে চট্টগ্রাম-৩ আসনের মাহফুজুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক জরিপ (২০১৮) অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষা হতে ধরে পড়ার হার ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ। দারিদ্র, অভিভাবকের অসচেতনতা, শিশুশ্রম, অশিক্ষা, বাল্য বিবাহ ও দূর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা ঝরে পড়ে বলে প্রতিমন্ত্রী জানান।

সংরক্ষিত আসনের খালেদা খানমের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন শিক্ষা অফিস ও সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীর শূন্য পদের সংখ্যা আট হাজার ৮৯৩টি।

মানবকণ্ঠ/এআইএস




Loading...
ads




Loading...